শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘রাষ্ট্র সাধারণ চোরের জন্য একরকম আর রাঘববোয়ালদের জন্য আরেক রকম আইন রাখছে’ : তাসনিম জারা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিলের বিষয়ে বলেছেন, অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে (দুদক) পঙ্গু করে রাখবেন না। শনিবার (৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৮

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিলের বিষয়ে বলেছেন, অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে (দুদক) পঙ্গু করে রাখবেন না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা এমন মন্তব্য করেন।

পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিল করতে চাইছে। সরকার মূলত দুটি কারণে এই অধ্যাদেশটি বাতিল করতে চাইছে।

প্রথমত, এই অধ্যাদেশে দুদককে প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই অর্থ পাচার বা বড় দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা বা এজাহার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। সরকার এই ক্ষমতাকে সংবেদনশীল বলছে।

দ্বিতীয়ত, দুদককে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার জন্য একটি বর্ধিত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন বাছাই কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছিল। সরকার বলছে, এটি নিয়ে তাদের আরও নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কনসালটেশন প্রয়োজন।

বর্ণিত দুটি বিষয় নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরে তাসনিম জারা বলেন, দেশের কোনো সাধারণ মানুষের একটি মোবাইল ফোন চুরি হলে, তিনি সোজা থানায় গিয়ে সরাসরি এজাহার করতে পারেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। সেখানে সরকারের কোনো সংবেদনশীলতা কাজ করে না। কিন্তু যখন দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়, ব্যাংক লুট হয়, তখন সরাসরি মামলা করাটি সরকারের কাছে সংবেদনশীল মনে হচ্ছে কেন?

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক অনুসন্ধানের নামে বছরের পর বছর ফাইল আটকে রাখার যে পুরোনো আইনি মারপ্যাঁচ, তা মূলত অপরাধীকে প্রমাণ লোপাট করার এবং বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগই করে দেয় বলে জানান তাসনিম জারা।

তিনি এর সমালোচনা করে বলেন, সরাসরি মামলার ক্ষমতা বাতিল করার অর্থ হলো, রাষ্ট্র সাধারণ চোরের জন্য একরকম আইন রাখছে, আর রাঘববোয়ালদের জন্য রাখছে আরেক রকম!

অ্যান্টি-করাপশন বডিকে হতে হয় সরকারের প্রভাবমুক্ত জানিয়ে পোস্টে তিনি বলেন, এতে তারা সরকারি দলের দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর হতে পারে। অথচ সরকার সেই স্বাধীন বাছাই কমিটির গঠনকেই আটকে দিচ্ছে।

এর অর্থ কী হতে পারে জানিয়ে তাসনিম জারা পোস্টে বলেন, সরকার এমন একটি দুদক চায় যার কমিশনাররা সরকারের নেক নজরের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন। আর যে প্রতিষ্ঠান সরকারের দয়ায় গঠিত হয়, সে প্রতিষ্ঠান কখনোই সরকারি দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না।

দুদক বিরোধী দল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন,বিগত সরকারের আমলে বিএনপি বলেছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশন শুধু সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি বিরোধী দল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে। দুদকের এই নেতিবাচক রেপুটেশন থেকে বের হয়ে আসার জন্য স্বাধীন বাছাই কমিটির কোনো বিকল্প নেই।

অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দুদককে নখদন্তহীন করে রাখার পুরোনো সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়া কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় শুভবুদ্ধির পরিচায়ক হতে পারে না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন।অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে পঙ্গু করে রাখবেন না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯