রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

একটি দল জুলাইয়ের চেতনা মুছে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছে : ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও শিবিরের আন্তর্জাতিক সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, আমরা লক্ষ্য করছি, নির্বাচন-পরবর্তীৎসময়ে একটি দল জুলাইয়ের চেতনাকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছে। তারা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে চায় না। তারা শহীদ ওসমান হাদির লড়াইকে ধারণ করতে চায় না। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে রূপনগর-পল্লবীর কৃতী […]

একটি দল জুলাইয়ের চেতনা মুছে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছে : ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:৫০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও শিবিরের আন্তর্জাতিক সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, আমরা লক্ষ্য করছি, নির্বাচন-পরবর্তীৎসময়ে একটি দল জুলাইয়ের চেতনাকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছে। তারা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে চায় না। তারা শহীদ ওসমান হাদির লড়াইকে ধারণ করতে চায় না।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে রূপনগর-পল্লবীর কৃতী শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, যারা সবসময় রাজপথে ইনসাফের কথা বলেছে, যারা স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করেছে, যারা জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বুকে লালন করে- তাদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে। এই লড়াই দীর্ঘ। কিন্তু আমরা এই লড়াইয়ে বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যতদিন ইনসাফ কায়েম না হবে, যতদিন বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন আমাদের লড়াই-সংগ্রাম চলবে। এই সংগ্রামে আমরা আছি। আপনারা থাকবেন তো?

ডাকসু ভিপি ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করবো- এই পবিত্র রমজান মাসে ইফতার, সেহরি, কিয়ামুল লাইল, তারাবিহর নামাজের পর এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শেষে আমরা আমাদের শহীদদের জন্য দোয়া করি। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের জন্য, বাংলাদেশের আজাদি আন্দোলনের সব শহীদের জন্য এবং শহীদ ওসমান হাদির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দোয়া করবো। আমরা কি পারবো? ইনশাল্লাহ, পারবো।

তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে আমি আবারও বলছি রমজান মাস আমাদের আত্মশুদ্ধির মাস, কোরআন নাজিলের মাস। আসুন, আমরা চেষ্টা করি পবিত্র কোরআন মাজিদ অর্থসহ অন্তত একবার খতম করার। প্রতিদিন কিয়ামুল লাইল আদায় করার চেষ্টা করি। সেই কিয়ামুল লাইলে আমরা আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, একাডেমিক এবং জাতীয় সমস্যার কথা আল্লাহর কাছে তুলে ধরবো। আল্লাহ তা’আলা আমাদের এত দান করবেন, যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

সাদিক কায়েম বলেন, আমরা সে সমাজের স্বপ্ন দেখি যেখানে সন্ত্রাস থাকবে না, চাঁদাবাজি থাকবে না, টেন্ডারবাজি থাকবে না, রাহাজানি থাকবে না। ইনশাল্লাহ, আমরা সেই সমাজ প্রতিষ্ঠা করবো। তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

কেউ যদি অন্যায়ভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চায়, তারা সফল হবে না ইনশাল্লাহ। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে শহীদদের রেখে যাওয়া আমানত রক্ষা করবো। আমরা গড়ে তুলবো একটি নতুন বাংলাদেশ, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ। শহীদ ওসমান হাদির যে লড়াই, যে আজাদির লড়াই- সেই লড়াই আমরা জারি রাখবো, ইনশাল্লাহ।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন বলেন, বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। তারা সঠিক পথে চলে কি না। তাদের বন্ধু বাছাই সঠিক হয় কি না, বিপথগামী হয় কি না। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসৎ, স্খলিত ও দুর্নীতিবাজ তৈরি হচ্ছে। এটা উদ্বেগের। অভিভাবক ও জনমানুষের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে ছাত্র সমাজের মধ্যে কাজ করছে ইসলামী ছাত্রশিবির। তরুণ প্রজন্মকে সুপথে পরিচালিত করা এবং তাদের আগামীর বাংলাদেশে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য করে গড়ে তুলছে। সততা, আদর্শ ও যোগ্যতার কারণেই সারাদেশে প্রতিটি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা শিবিরকে তাদের সমর্থন দিয়েছে। অভিভাবকরাও শিবিরকে পছন্দ করছে।

তিনি বলেন, আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমাদের আংশিক বিজয় হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ বিজয় হয়তো হয়নি। ইনশাল্লাহ আমরা ধীরে ধীরে সেটাও পারবো।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা হাফেজ আবুল কালাম পাঠান, শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি হাফেজ আবু তাহের, সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যক্ষ মো. নাছির উদ্দীন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০