মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিল দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিবন্ধী অর্ন্তভুক্তি ও সুরক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি তাদের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহে সহায়তা হিসেবে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রমে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) তাদের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশটি প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি ও সুরক্ষা […]

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিল দক্ষিণ কোরিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৫০

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিবন্ধী অর্ন্তভুক্তি ও সুরক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি তাদের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহে সহায়তা হিসেবে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রমে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) তাদের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশটি প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি ও সুরক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি তাদের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহে সহায়তা হিসেবে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে।

সোমবার এই তথ্য জানায় ইউএনএইচসিআর। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ড্রেইসেন বলেন, ‘যখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চাহিদা ও দুর্বলতা ক্রমাগত বাড়ছে, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের ক্ষেত্রে, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার এই উদার সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘জীবন রক্ষাকারী সহায়তার তীব্র ঘাটতির এ সময়ে কোরিয়ার জনগণ ও সরকারের অটল সমর্থনের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের এই সহায়তা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে শরণার্থীদের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ও তাদের ভালো রাখতে সহায়তা করবে।’

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার থেকে বৃহৎ সংখ্যক রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। এই ঘটনার ৮ বছর পার হলেও কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এখনো নিত্যদিনের চাহিদা পূরণের জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ২০২৪ সালের শুরু থেকেই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আরও প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, ‘এই বছর বাংলাদেশে আশ্র নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মানবিক সহায়তা চলমান রয়েছে।

এখন পর্যন্ত সর্বমোট এক কোটি ডলারের অর্থ সহায়তা এবং দ্বিতীয় বারের মতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চালের অনুদান আমাদের দৃঢ় ও অবিচল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য পরিচালিত মানবিক কার্যক্রমকে সহায়তা করা।’

দক্ষিণ কোরিয়ার এই অনুদান প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে থাকবে প্রাথমিক শনাক্তকরণ, পুনর্বাসন ও সহায়ক যন্ত্র সরবরাহ, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা এবং সহজে ব্যবহার করা যাবে এমন গোসলখানা ও শৌচাগার নির্মাণ।

এছাড়া তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে শরণার্থীরা পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি ব্যবহার করতে পারবে। যা খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়তা করবে।

২০১৮ সালে জ্বালানি কাঠের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে এলপিজি চালু হওয়ার পর থেকে এটি নারী ও কিশোরীদের জন্য সুরক্ষা ঝুঁকি হ্রাস করেছে এবং শিশুদের স্কুলে পড়াশোনার জন্য আরও সময় করে দিয়েছে।

এলপিজি ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং শরণার্থী শিবির ও আশপাশের এলাকায় সবুজায়ন ফিরে এসেছে। ৮ বছরের এই রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে বাংলাদেশ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তারা কক্সবাজার ও ভাসানচরে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে বসবাস করছেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।