শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যত্রতত্র পোস্টার লাগালেই দিতে হবে চার্জ : মোহাম্মদ এজাজ

নির্ধারিত ২৫টি ফ্রি স্ট্যান্ডের বাইরে শহরের যত্রতত্র ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগালে কমার্শিয়াল রেট চার্জ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। রোববার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের তালতলায় ফ্রি পোস্টার বোর্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। মোহাম্মদ এজাজ বলেন, সিটি কর্পোরেশনে আমরা যে গতিশীলতা এনেছি, সেই গতিশীলতা আনার প্রাথমিক কাজ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ২১:৪৮

নির্ধারিত ২৫টি ফ্রি স্ট্যান্ডের বাইরে শহরের যত্রতত্র ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগালে কমার্শিয়াল রেট চার্জ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের তালতলায় ফ্রি পোস্টার বোর্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, সিটি কর্পোরেশনে আমরা যে গতিশীলতা এনেছি, সেই গতিশীলতা আনার প্রাথমিক কাজ ছিল এই শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা। যত্রতত্র ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে এই শহরকে আসলে জঞ্জালে পরিণত করা হয়।

আমরা তখন ঘোষণা দিয়েছিলাম, শহরে ব্যানার-ফেস্টুন লাগালে আমরা সেগুলো অপসারণ করে ফেলব। সেটা আমরা ধারাবাহিকভাবে করছি।

তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যারা যত্রতত্র পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন লাগাবেন তাদেরকে বাণিজ্যিক রেটে চার্জ করব। এতে শহরকে অপরিচ্ছন্ন করার কার্যক্রম কমে আসবে। তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং যারা কমার্শিয়াল পোস্টার লাগান তারা আমাদের বলেছিলেন, পোস্টার লাগানোর নির্দিষ্ট স্থান ঠিক করে দিন, তারপর আমাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করুন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৫টি জায়গায় ফ্রি পোস্টার স্ট্যান্ড তৈরি করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পোস্টার লাগানোর জন্য নির্ধারিত ফ্রি স্ট্যান্ড আমরা তৈরি করে দিয়েছি। এই শহরের যারা বিজ্ঞাপন দিতে চান, পোস্টার লাগাতে চান।

সেটা রাজনৈতিক পোস্টার, কমার্শিয়াল পোস্টার অথবা ব্যক্তিগত পোস্টার- তাদের জন্য আমরা এই ফ্রি স্ট্যান্ড করে দিয়েছি। আমরা আহ্বান জানাবো, এই নির্ধারিত ফ্রি স্ট্যান্ডে আপনারা শহরকে পরিচ্ছন্ন রেখে পোস্টার-ব্যানার লাগাতে পারবেন। সেজন্য সিটি কর্পোরেশনকে কোনো টাকা দিতে হবে না।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এই নির্ধারিত স্থানের বাইরে যারা পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন লাগাবেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আইন অনুযায়ী চার্জ করব। সেটা হোক রাজনৈতিক পোস্টার, সালাম দেওয়ার পোস্টার অথবা কমার্শিয়াল পোস্টার।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি, শহরকে ঠিক করার জন্য আমরা আপনাদের জন্য সুবিধা করে দিয়েছি। আপনারা কিংবা আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেন যত্রতত্র পোস্টার না লাগিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে লাগান।

নির্দিষ্ট স্থানে না লাগালে এই শুভাকাঙ্ক্ষীদের নামেও আমরা নোটিশ জারি করব এবং যাদের নামে পোস্টার লাগানো হবে তাদেরকেও জানাবো। প্রয়োজনে আমরা নির্বাচন কমিশনসহ প্রয়োজনীয় যেকোনো কর্তৃপক্ষকেও অবগত করব। শহরকে যেন কেউ নোংরা না করে আমরা সেই ব্যবস্থা করব।

আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পোস্টার অপসারণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যত ধরনের ব্যানার-পোস্টার রয়েছে সব আমরা অপসারণ করব। এরপরও যদি কেউ শহরকে নোংরা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কমার্শিয়াল রেটে চার্জ ইস্যু করব।

পরে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ পোস্টার লাগিয়ে ফ্রি পোস্টার বোর্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।