বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এক বছর পার হলেও দেশে মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

যারা শেখ হাসিনার দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে অধিকারভিত্তিক গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের সেই স্বপ্ন এখনো অধরা।”

এক বছর পার হলেও দেশে মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ জুলাই ২০২৫, ১২:১২

গত এক বছরে বাংলাদেশে সরকারের পরিবর্তন ঘটলেও মানবাধিকার পরিস্থিতিতে আশানুরূপ অগ্রগতি আসেনি বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সংস্থাটির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনা সরকারের সময়কার ভয় ও নিপীড়নের কিছুটা কমতি দেখা গেলেও, নতুন সরকার এখনো বড় কোনো সংস্কার কার্যকর করতে পারেনি।

এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “যারা শেখ হাসিনার দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে অধিকারভিত্তিক গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের সেই স্বপ্ন এখনো অধরা।”

তাঁর ভাষায়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার যেন এক ধরনের অচলাবস্থায় আটকে গেছে—যেখানে সংস্কারবিহীন নিরাপত্তা বাহিনী কখনো চরমপন্থি আবার কখনো রাজনৈতিক প্রতিশোধের ভারসাম্য রক্ষা করতেই ব্যস্ত।

২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করলেও বাস্তবায়নের দিক থেকে অগ্রগতি নেই বললেই চলে। জাতিসংঘসহ দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সুপারিশও থেকে গেছে কাগজেই। বরং গণপিটুনি, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন এবং এলজিবিটিকিউ জনগোষ্ঠীর প্রতি হুমকি আগের মতোই চলমান রয়েছে।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রংপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের তথ্য। শেখ হাসিনার সরকারের শেষ সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৪০০ আন্দোলনকারী নিহত হন।

এরপর ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছাড়েন এবং ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু এরপরও হেফাজতে মৃত্যু, নির্যাতন এবং বিচারবহির্ভূত ঘটনা বন্ধ হয়নি।

এইচআরডব্লিউ আরও জানায়, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ ৮৪০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে, যাদের অধিকাংশের নামই অজানা। ৬ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ৯২ হাজারের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।

বহু সাবেক এমপি, মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেফতার করা হয়—তাদের মধ্যে আছেন ঢাকা উত্তর সিটির সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, যাঁর বিরুদ্ধে ৬৮টি হত্যা মামলা রয়েছে।

বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি বলেছে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁর বিরুদ্ধে বিচার শুরু হচ্ছে, কিন্তু অনেক মামলায় এখনো কোনো প্রমাণ উপস্থাপন হয়নি। পুরনো ‘স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ ব্যবহার করে শত শত মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। শুধু ফেব্রুয়ারির ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ আটক হয় ৮৬০০ জন।

নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। এত বড় অভিযানে অংশগ্রহণকারী বাহিনীগুলোর মধ্যে মাত্র ৬০ পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুম তদন্ত কমিশন গঠন এবং আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সনদে সই করলেও কমিশনের কার্যক্রমে কোনো সহায়তা করছে না নিরাপত্তা বাহিনী। বরং প্রমাণ নষ্ট করা হচ্ছে বলে দাবি কমিশনের।

১১টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ এখনো কার্যকর হয়নি, এমনকি রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরির প্রক্রিয়াও অচল অবস্থায় রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী নারীদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।

এইচআরডব্লিউ-এর সুপারিশ, সরকারকে অবশ্যই ধরপাকড় বন্ধ করতে হবে, র‌্যাব বিলুপ্ত করতে হবে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি ও নারীর অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন এই সরকারকে সহায়তা করলেও মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

এই প্রতিবেদন স্পষ্ট করে দেয়, সরকার বদলালেও মানবাধিকার সঙ্কট কাটেনি—বরং নতুন সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে, প্রতিশ্রুতি পূরণে উদ্যোগী হতে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।