গুমের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য প্রেষণে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেন, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানগুলো সেনাবাহিনী সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না।
যদি কোনো সদস্য গুমে জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি জানান, “সেনাবাহিনী কোনো অন্যায়কে সমর্থন করে না। আমরা আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।” ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলনের সময় ৪ হাজার ৭৯০ জনকে সেনা সিএমএইচগুলোতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এখনো ২২ জন ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি আছেন।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর দায়িত্বের কথা তুলে ধরে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, “কিছুদিন আগে রথযাত্রায় সেনাবাহিনী নিরাপত্তা দিয়েছে। কিশোর গ্যাং সমস্যায় প্রায় ৪০০ জন কিশোরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।”
তিনি পার্বত্য অঞ্চলের অভিযান সম্পর্কেও তথ্য দিয়ে বলেন, “সাম্প্রতিক অভিযানে ২৩ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যেখানে আমাদের এক সেনা সদস্য শাহাদাত বরণ করেছেন।” কর্নেল শফিকুল ইসলাম আরও জানান, সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর এবং সব কর্মকাণ্ডে পেশাদারিত্ব বজায় রাখে। তিনি বলেন, “যারা অন্যায় করবে, কোনো অবস্থাতেই ছাড় পাবে না।
এমনকি সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য অন্যায় করলে তাকেও আইনের মুখোমুখি হতে হবে।” সেনা সদর থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘন বা গুমের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের বাইরে রাখা হবে না।