সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ইরান থেকে বাংলাদেশিদের ফেরাতে সহযোগিতা করতে রাজি পাকিস্তান

পাকিস্তান সরকার নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ ও তেহরানের নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক সূত্র। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রক্রিয়াটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শুরুতে ৯০ জন বাংলাদেশির একটি তালিকা পাকিস্তান দূতাবাসকে হস্তান্তর করেছে তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, যাদের মধ্যে অনেকে ইরানজুড়ে যুদ্ধের কারণে গৃহহীন ও বিপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

ইরান থেকে বাংলাদেশিদের ফেরাতে সহযোগিতা করতে রাজি পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ জুন ২০২৫, ১৬:৩৬

ইরানে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তবে সরাসরি রুট ব্যবহার করা সম্ভব না হওয়ায় বিকল্প পথ হিসেবে পাকিস্তানের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস পাকিস্তান দূতাবাসে একটি কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছে, যেখানে পাকিস্তানের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এই অনুরোধের জবাবে পাকিস্তান সরকার নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ ও তেহরানের নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক সূত্র। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রক্রিয়াটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শুরুতে ৯০ জন বাংলাদেশির একটি তালিকা পাকিস্তান দূতাবাসকে হস্তান্তর করেছে তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, যাদের মধ্যে অনেকে ইরানজুড়ে যুদ্ধের কারণে গৃহহীন ও বিপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইন খান বিষয়টি সরাসরি পাকিস্তান সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন। ১৮ জুন তারিখে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চলমান যুদ্ধাবস্থায় ইরানে ইন্টারনেট সীমিত থাকায় অনলাইনে পাকিস্তানের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারছেন না অনেক বাংলাদেশি নাগরিক। এ বিষয়টিও পাকিস্তান সরকারকে জানানো হয়েছে, এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে যেন দ্রুত এই প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়।

তেহরানে বর্তমানে অবস্থানরত আনুমানিক ৪০০ বাংলাদেশির মধ্যে প্রায় ১০০ জন ইতোমধ্যেই দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বাকিদের অবস্থান এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। এদের একটি অংশ ইতোমধ্যে যুদ্ধপূর্ণ অঞ্চল থেকে সরে নিরাপদ এলাকায় চলে গেছে। এদিকে তেহরানে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা, তাদের পরিবার এবং রাষ্ট্রদূতসহ প্রায় ৪০ জন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশিদের তেহরান থেকে স্থলপথে ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে পাকিস্তানের করাচি শহর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় তাদের ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হবে। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে একটি মানবিক করিডর খোলার আলোচনা চলমান রয়েছে। যুদ্ধের মধ্যে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত উদ্ধার এবং তাদের পরিবারকে আশ্বস্ত করাই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।