বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আ.লীগের পাচারের সব টাকা দরিদ্রদের কল্যাণে তহবিল করবে সরকার

জব্দ করা এসব অর্থ থেকে একটি বিশেষ তহবিল গঠিত হচ্ছে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি আত্মসাৎ হওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ফিরিয়ে দিয়ে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৫, ১৪:১৭

ব্যাংকিং খাতে নজিরবিহীন দুর্নীতি ও আর্থিক বিপর্যয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এস আলম গ্রুপের নাম। অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু করা তদন্তে উঠে এসেছে—মাত্র একটি গ্রুপ, ছয়টি ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণের নামে লুট করেছে কয়েক লাখ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই আত্মসাৎ করা হয়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ৭০ হাজার কোটি টাকার উৎস ইতোমধ্যেই শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমনই বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান,

“এতোদিন যে দুর্নীতি ঘরে ঘরে চুপিচুপি ছড়িয়েছে, আজ তা রাষ্ট্রের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে অর্থনীতির শ্বাসরোধ করছে।”

এস আলম গ্রুপের পাশাপাশি এই চক্রে জড়িত রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীও। তাঁদের মধ্যে অন্যতম নাম সালমান এফ রহমান ও নজরুল ইসলাম মজুমদার। দেশ-বিদেশে তাদের গড়ে তোলা সম্পদের পাহাড় এখন সরকারের নজরদারিতে।

গভর্নর বলেন,

“যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থাকে জিম্মি করে অর্থ লোপাট করেছে, তাদের সম্পদ, শেয়ার ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।”

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, জব্দ করা এসব অর্থ থেকে একটি বিশেষ তহবিল গঠিত হচ্ছে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি আত্মসাৎ হওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ফিরিয়ে দিয়ে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি তথ্যমতে, দেশে ইতোমধ্যে জব্দ করা সম্পদের পরিমাণ এক লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর বাইরে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশে ১৬৪ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ইতোমধ্যে অ্যাটাচমেন্টের আওতায় এসেছে। দেশেই ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে আরও চার হাজার কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও একটি বিস্ফোরক অভিযোগ উত্থাপন করেন গভর্নর। তিনি জানান, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ব্যাংকিং আইন লঙ্ঘন করে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ই-মানি তৈরি করেছে। গভর্নরের ভাষায়, “এক টাকা জমা রেখে এক টাকা ই-মানি তৈরির নিয়ম থাকলেও তারা নিয়মের বাইরে গিয়ে এই অপচেষ্টা করেছে—যা আর্থিক প্রতারণার পর্যায়ে পড়ে।”

তবে আশার কথা হলো, বিশ্বের কয়েকটি দেশ অর্থপাচারকৃত সম্পদ ফেরত পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গভর্নর আশাবাদ জানিয়ে বলেন, “আইনি কাঠামো দৃঢ় করে আমরা এগোতে পারলে দেশের এই হারানো অর্থ পুনরুদ্ধার সম্ভব। সেইসঙ্গে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও আস্থা ফিরে পাবে।”

এই মুহূর্তে দেশের ব্যাংকিং খাত যে চরম আস্থাহীনতার মধ্যে রয়েছে, তা স্বীকার করেই গভর্নর বলেন, “এই সংস্কার যদি আমরা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে আর্থিক খাত ঘুরে দাঁড়াবে—আর জনগণ বুঝতে পারবে, রাষ্ট্র এখন আর দুর্নীতির আশ্রয়স্থল নয়, বরং জবাবদিহির জায়গা।”

এই ঘটনা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটাতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রশ্ন এখন একটাই—এই লুটপাটের বিচার হবে কেবল আইনি নথিতে, না কি ইতিহাসের কাঠগড়ায়ও?

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।