মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলেই নির্বাচন

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি অথবা এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা করছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের তরফ থেকে শিগগিরই সুস্পষ্ট রোডম্যাপও আসতে পারে। নির্বাচনসহ বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ৫ বা ৬ জুন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন ড. ইউনূস। সেই ভাষণেই উঠে আসতে পারে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ। সরকার ও রাজনীতিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ খবর […]

ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলেই নির্বাচন

ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলেই নির্বাচন

নিউজ ডেস্ক

০২ জুন ২০২৫, ১০:০৭

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি অথবা এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা করছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের তরফ থেকে শিগগিরই সুস্পষ্ট রোডম্যাপও আসতে পারে। নির্বাচনসহ বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে

আগামী ৫ বা ৬ জুন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন ড. ইউনূস। সেই ভাষণেই উঠে আসতে পারে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ। সরকার ও রাজনীতিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ কিছু দিন ধরেই জাতীয় নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে এক ধরনের উত্তেজনা চলছে। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক একটি রোডম্যাপ দিলেও তাতে সংশয় মুক্ত হতে পারছে না বিএনপিসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক দল। ফলে নির্বাচন ইস্যুটি কেবল রাজনৈতিক ঝাঁজালো কথাবার্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে মাঠের কর্মসূচিতেও তার প্রকাশ ঘটছে। গত মাসের মাঝামাঝিতে প্রকারন্তরে নির্বাচনের দাবিতে সরকারকে চাপে রাখতেই ভিন্ন দু’টি দাবি নিয়ে লাগাতার মাঠে থেকে রাজধানী প্রায় অচল করে রেখেছিল বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওই কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে ‘ক্ষুব্ধ’ ড. ইউনূস ‘পদত্যাগ’-ও করতে চেয়েছিলেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। ড. ইউনূস পদত্যাগ করতে পারেন এমন খবর চাউর হলে রাজনৈতিক দলগুলো একটু শান্ত হয়। পরে গত সপ্তাহের শুরুতে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক করেন ড. ইউনূস। ওইসব বৈঠকে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে আগামী নির্বাচন হোক, দলগুলোর নেতারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। নেতারা ড. ইউনূসকে বলেন, তারা কেউই তার পদত্যাগ চান না। তবে ওই বৈঠকে নির্বাচন কবে হবে এমন কোনো বার্তা না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপি। তারা এও বলে, পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে সরকারকে সহযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়বে। একইসাথে দলটি দুই ছাত্র উপদেষ্টাসহ তিনজন উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি তোলে।

ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে শুরু থেকেই দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পক্ষে নন। গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পন্ন করে তিনি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশকে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটানোই লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন। এজন্যই তিনি গত বছর বিজয় দিবসের ভাষণে আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ঘোষণা করেন।

তবে রাজনৈতিকদলগুলো বিভিন্ন আশঙ্কা থেকে নির্বাচনের এমন দীর্ঘ রোডম্যাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যা সাম্প্রতিক সময়ে একরকম বাদানুবাদের পর্যায়ে রূপ নিয়েছে। সরকার বারবার জুনের মধ্যে নির্বাচনের কথা বললেই সেটি রাজনৈতিক দলগুলোর; বিশেষ করে বিএনপির আস্থা অর্জন করতে পারছে না। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের দাবি বিভিন্ন ফোরাম থেকে ক্রমাগতভাবে জানিয়ে আসছে বিএনপি। এটা নিয়ে দলটি তার অনড় অবস্থানও প্রকাশ করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলটি মনে করে নির্বাচনমুখী প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে এ সময়ের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। ফলে আগামী বছরের জুনে নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপের জন্য আগামী দুই মাস (জুন ও জুলাই) অপেক্ষা করবে বিএনপি। এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেয়া না হলে রাজপথে কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ডিসেম্বরে নির্বাচন আদায় করে নেয়ার পথে হাঁটতে পারে তারা। তবে দলটি এখনো আশা করছে, সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে নির্বাচনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করবে।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সংস্কার ইস্যুতে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনার জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ঐকমত্য কমিশনের সাথে আজ অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। তারা যে দ্রুততম সময়ে সংস্কার শেষ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায়, ড. ইউনূসের সামনে তা পুনরায় তুলে ধরবে। সংস্কারের দীর্ঘসূত্রতায় কার্যত দলটি ত্যক্ত-বিরক্ত। ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাপান সফরে গিয়ে ‘দেশের সব রাজনৈতিক দল নয়, শুধু একটি দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চাইছে’ এমন বক্তব্য দিলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিএনপি। বিএনপিকে বিব্রত করার জন্য সরকারের তরফ থেকে এ ধরনের কথা বলা হয়েছে বলে মনে করে দলটি।

এ দিকে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের দাবি সত্ত্বেও সরকার কেন চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দিচ্ছে না; কিংবা সরকার কেন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন দিতে চায়- সেটি নিয়ে বিএনপি এখন বিচার-বিশ্লেষণ করছে। দলটির অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এর পেছনে তিনটি কারণ রয়েছে। বিএনপি প্রথমত, মনে করে সরকারের ভেতরে কারো কারো এমন শঙ্কা রয়েছে যে, নির্বাচন হলে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সুতরাং নির্বাচন প্রলম্বিত করে বিএনপিকে কিভাবে চাপে রাখা যায় এবং অন্য দলগুলোকে কিভাবে সুবিধাজনক পজিশনে নিয়ে আসা যায় তা নিয়ে সরকারের ভেতরের কেউ কেউ কাজ করছে। দ্বিতীয়ত, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না দেয়ার জন্য সরকারের ওপর ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রবল চাপ রয়েছে। যাতে করে নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সারা দেশে তারা সংগঠনকে গুছিয়ে নিতে পারে। তৃতীয়ত, বিএনপির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে নানা ধরনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে, যেমন বিএনপি সংস্কারের বিরোধী; তারা সংস্কার নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য উদগ্রীব। এমন প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনবিরোধী প্লাটফর্মকে শক্তিশালী করার টার্গেট নেয়া হয়েছে।

বিএনপি মনে করে, নির্বাচনের মাঠে তাদের ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করার এটা একটা প্রয়াস। এমন অবস্থায় বিএনপি মনে করছে, সংস্কার দ্রুত শেষ করে এবং বিচারকার্য দৃশ্যমান করে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা না হলে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সাথে নিয়ে রাজপথে কর্মসূচি দেয়া ছাড়া হয়তো অন্য কোনো পথ খোলা থাকবে না। সেই রাজনৈতিক কর্মসূচি কোন প্রক্রিয়ায়, কিভাবে, কখন পালিত হবে- বিষয়টি নিয়ে দলের সিনিয়র নেতারা ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন। ঈদুল আজহার পর এ প্রক্রিয়া আরো বেশি ত্বরান্বিত হবে। তবে ঈদের আগেই প্রধান উপদেষ্টা সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করলে পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হয়ে যেতে পারে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।