রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগে কমছে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা

মাঠ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে দেশে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২১ জুন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মাসিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থাপিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে গুরুতর বা জঘন্য অপরাধ ২৪টি, অর্থাৎ ০.৯২ শতাংশ […]

নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগে কমছে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১১:২০

মাঠ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে দেশে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২১ জুন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মাসিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সভায় উপস্থাপিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে গুরুতর বা জঘন্য অপরাধ ২৪টি, অর্থাৎ ০.৯২ শতাংশ কমেছে। একইভাবে, ২০২৫ সালের মে মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের মে মাসে এ ধরনের অপরাধ ২৩৭টি বা ৮.৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকরা প্রতি মাসে নিজ নিজ জেলার সার্বিক পরিস্থিতির প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠান। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকেও তথ্য পাঠানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, বিভাগীয় কমিশনারদের সভায় জেলা প্রশাসকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হলে তা ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়, আর অবনতি হলে করণীয় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের আইনে যেসব অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সেগুলো গুরুতর বা জঘন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরিকল্পিত হত্যা, ধর্ষণ ও ধর্ষণের ফলে মৃত্যু, যৌতুকের কারণে নারীর মৃত্যু, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতাভুক্ত অপরাধ এবং মানব পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীন অপরাধ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে সারা দেশে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮০৯টি। ২০২৬ সালের এপ্রিলে তা কমে ২ হাজার ৫৯৬টিতে এবং মে মাসে আরও কমে ২ হাজার ৫৭২টিতে নেমে আসে।

বিভাগভিত্তিক তথ্যেও বেশ কয়েকটি এলাকায় অপরাধ কমার প্রবণতা দেখা গেছে। রাজশাহী, সিলেট, রংপুরসহ বিভিন্ন বিভাগে ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। রাজধানীসহ মেট্রোপলিটন এলাকাতেও অপরাধের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও দাবি করেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় সব ধরনের অপরাধ কমেছে।

তিনি জানান, অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আলোচিত কয়েকটি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত, দৌলতদিয়ার নৌদুর্ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রম এবং মুন্সীগঞ্জের সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় আসামি গ্রেপ্তারে অবদান রাখা পুলিশ সদস্যরা।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।