জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন অনুবিভাগের আইটি সিস্টেমে আইটি অডিট এবং দুর্বলতা মূল্যায়ন ও অনুপ্রবেশ পরীক্ষা (ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং—ভিএপিটি) পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।
গত ১৫ জুন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অডিট অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ। এর আগে ১০ জুন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালককে ভোটার নিবন্ধন সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একইদিনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের একজন সিস্টেম অ্যানালিস্টের নেতৃত্বে আইটি নিরাপত্তা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
ইসি সূত্র জানায়, গত ৬ জুন “স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপে কারসাজি: নাগরিকের গোপন তথ্য ঠিকাদারের হাতে” শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ বিষয়ে কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের দুটি পৃথক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ভোটার নিবন্ধন সিস্টেম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডারের আইটি অডিট ও ভিএপিটি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এর মাধ্যমে সিস্টেমের নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।