বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

কৌশলগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের বার্তা নিয়ে ঢাকায় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যেকার দ্বিপক্ষীয়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিশেষ বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। রাত সোয়া ১০টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি অবতরণ করলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও লাল গালিচা সংবর্ধনা জানান […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২৩:৫১

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যেকার দ্বিপক্ষীয়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিশেষ বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

রাত সোয়া ১০টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি অবতরণ করলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও লাল গালিচা সংবর্ধনা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষ করে ফিরতি সফরে বাংলাদেশে আসা হাকান ফিদানের এই সফরটি ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর কোনো তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর। একই সাথে বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ কোনো শক্তিশালী দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটাই প্রথম ঢাকা সফর হওয়ায় কূটনৈতিক মহলে এটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ আগামীকাল শুক্রবার সকালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাথে এক হাই-প্রোফাইল দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন।

এরপর শুক্রবার দুপুরের পর তিনি সরাসরি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির পরিদর্শনে যাবেন এবং সেখানে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও তুর্কি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখবেন।

সফর শেষ করার আগে আগামী শনিবার (৬ জুন) তিনি তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আঙ্কারায় এক সফল দ্বিপক্ষীয় সফর করেছিলেন, যারই ধারাবাহিকতায় এই ফিরতি সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঢাকা ও আঙ্কারার কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তুরস্ক দ্রুত ঢাকার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করে।

বিশেষ করে, সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ভূমিকা রেখেছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের দেশ।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘এমআইটি’ এর সাবেক প্রধান হাকান ফিদানকে দেশটির বর্তমান পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতির অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এই কারণে বিশ্ব রাজনীতি ও কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা তার এই ঢাকা সফরকে কেবল সাধারণ কূটনৈতিক প্রোটোকল হিসেবে না দেখে, দক্ষিণ এশিয়ায় তুরস্কের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাল হিসেবে দেখছেন।

কূটনৈতিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার অনুষ্ঠেয় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে আগে থেকে নির্ধারিত কোনো কঠোর আলোচ্যসূচি বা এজেন্ডা নেই।

তবে দুই দেশের গভীর হৃদ্যতার কারণে এই মুক্ত আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, নিরাপত্তা সংলাপ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে পারস্পরিক সমন্বয়ের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রসঙ্গগুলো জোরালোভাবে সামনে আসতে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা, বিশেষ করে ড্রোন, সামরিক প্রযুক্তি ও আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে বিশ্ববাজারে একচ্ছত্র অবস্থান তৈরি করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশও তার সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে তুরস্কের সাথে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক বাংলাদেশকে শুধু বাণিজ্যিক অংশীদার নয়, বরং বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের একটি অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় এক সম্ভাবনাময় কৌশলগত পার্টনার হিসেবে মূল্যায়ন করছে।

রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই আঙ্কারা আন্তর্জাতিক প্রতিটি ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি তাদের সবচেয়ে সক্রিয় ও দৃশ্যমান সমর্থন জানিয়ে আসছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই হাই-প্রোফাইল সফরের মধ্য দিয়ে তুরস্ক স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ঢাকা ও আঙ্কারা তাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে সাধারণ বাণিজ্যিক সহযোগিতার গণ্ডি ছাড়িয়ে এক দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরিসরে নিয়ে যেতে চায়। ফলে হাকান ফিদানের এই ঢাকা সফরকে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।