শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় হাতাহাতির ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠে এ ঘটনা ঘটে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে আলোচনা সভা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৬, ১৬:১৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় হাতাহাতির ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠে এ ঘটনা ঘটে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে আলোচনা সভা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অতিথিদের জন্য সংরক্ষিত সামনের সারির আসনে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, সেক্রেটারি জেনারেল মো. খালিদুর রহমানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী বসেন।

এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম তালুকদারের নেতৃত্বে বিএনপির ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন। পরে তিনি ও তার স্ত্রী সালমা আলম সামনের সারির আসনে বসেন।

কিন্তু সামনের সারিতে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী বসতে পারেননি। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ সামনের সারিতে বসা জামায়াত নেতা ও স্থানীয় সংসদ প্রতিনিধি মুজাহিদুল ইসলামকে চেয়ার ছাড়তে বলেন।

এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফায় হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাউফল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু হস্তক্ষেপ করেন। এতে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তবে কিছুক্ষণ পরই দ্বিতীয় দফায় আবার উত্তেজনা দেখা দেয়। ছাত্রদল নেতা ফাহাদ জামায়াতকর্মী অহিদুজ্জামানের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ফাহাদ ও তার সমর্থকরা অহিদুজ্জামানকে মারধর করলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের বিশৃঙ্খলা হয়েছে। তবে হাতাহাতি বা মারামারির ঘটনা ঘটেনি।

জামায়াত নেতা মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রশাসনের নির্ধারিত আসনে বসেছিলাম। কিন্তু বিএনপির সাবেক এমপির সমর্থকরা এসে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালেহ আহমেদ পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।