মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক শক্তি কিংবা মানবাধিকার অজুহাতমাত্র, আমেরিকা ইরানের সক্ষমতায় অসন্তুষ্ট: ইমাম খামেনেয়ী

বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমেরিকার নেতৃত্বাধীন বিশ্ব বলদর্পী শক্তিগুলো ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরোধিতা করার মূল কারণ হলো ধর্ম, জ্ঞান এবং কুরআন ও ইসলামের ছায়ায় ইরানিদের ঐক্য। ১২ দিনের যুদ্ধে শহীদদের চেহলাম উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্সটুডে আরও জানায়, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইল কর্তৃক আরোপিত ১২ […]

পারমাণবিক শক্তি কিংবা মানবাধিকার অজুহাতমাত্র, আমেরিকা ইরানের সক্ষমতায় অসন্তুষ্ট: ইমাম খামেনেয়ী

ইমাম খামেনেয়ী

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ১০:০৩

বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমেরিকার নেতৃত্বাধীন বিশ্ব বলদর্পী শক্তিগুলো ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরোধিতা করার মূল কারণ হলো ধর্ম, জ্ঞান এবং কুরআন ও ইসলামের ছায়ায় ইরানিদের ঐক্য।

১২ দিনের যুদ্ধে শহীদদের চেহলাম উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্সটুডে আরও জানায়, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইল কর্তৃক আরোপিত ১২ দিনের যুদ্ধের শহীদদের ৪০তম দিন উপলক্ষে, আজ ইমাম খোমেনী (রহ.) হুসেইনিয়ায় শহীদদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই স্মরণ সভায় ইসলামী বিপ্লবের নেতা, শহীদদের পরিবারবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণীর জনগণের পাশাপাশি বহু কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা এই যুদ্ধকে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইচ্ছা ও শক্তির প্রকাশ এবং এর মজবুত ভিত ও অতুলনীয় শক্তির প্রদর্শনী বলে অভিহিত করেছেন। ইরানি জাতির ঈমান, জ্ঞান এবং ঐক্যই অশুভ কামনাকারী শত্রুদের বিরোধিতা ও শত্রুতার মূল কারণ বলে জোর দিয়ে তিনি বলেন: আল্লাহর সাহায্যে, আমাদের জাতি ঈমানকে শক্তিশালী করার এবং বিভিন্ন জ্ঞান সম্প্রসারণের পথ কখনই ত্যাগ করবে না এবং শত্রুদের চোখে ধুলা দিয়ে আমরা ইরানকে অগ্রগতি ও গৌরবের শীর্ষে নিয়ে যেতে সক্ষম হব।

সাম্প্রতিক যুদ্ধে শহীদ হওয়া সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী এবং তাদের জীবিত স্বজনদের প্রতি নতুন করে সমবেদনা প্রকাশ করে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন: এই ১২ দিনে অর্জিত মহান সম্মান ইরানের গর্ব। তার পাশাপাশি আজ সমগ্র বিশ্ব স্বীকার করে, ইরানি জাতি বিশ্বকে তার শক্তি, ধৈর্য, দৃঢ় সংকল্প এবং ইচ্ছাশক্তি দেখাতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই বিশ্ব এখন সরাসরি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শক্তি অনুভব করতে পারে।

সর্বোচ্চ নেতা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তির অনন্য দৃঢ়তাকে সাম্প্রতিক যুদ্ধের আরেকটি দিক বলে মনে করেন। তিনি বলেন: এই ঘটনাগুলো আমাদের জন্য অভূতপূর্ব ছিল না এবং গত ৪৬ বছরে, আট বছরের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পাশাপাশি, ইসলামী প্রজাতন্ত্র বারবার অভ্যুত্থান, বিভিন্ন সামরিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিদ্রোহের মুখোমুখি হয়েছে। এমনকি দুর্বল মনোবলের অধিকারী উপাদানগুলোকেও জাতির বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করার মতো ঘটনার সম্মুখিন হয়েছে। তারপরও শত্রুর সমস্ত ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে গেছে।

বিপ্লবের নেতা “ধর্ম” এবং “জ্ঞান” এই দুটি ভিত্তির ওপর ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি বলে উল্লেখ করে বলেন: ইরানের জনগণ এবং যুবসমাজ, এই দুটি ভিত্তির ওপর নির্ভর করে, শত্রুকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছু হটতে বাধ্য করেছে এবং তারা এখন থেকে তা অব্যাহত রাখবে।

তিনি বলেন: মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্ব বলদর্পী শক্তিগুলো যে ইরানের বিরোধিতা করছে তার কারণ হলো ধর্ম ও জ্ঞান এবং কুরআন ও ইসলামের ছায়ায় ইরানিদের ঐক্য। কিন্তু তারা যে পারমাণবিক সমৃদ্ধি ও মানবাধিকারের ধুয়া তুলছে সেগুলো অজুহাতমাত্র। তাদের অস্বস্তি ও বিরোধিতার প্রধান কারণ হল নতুন আদর্শের উত্থান এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রসহ মানবিক, কারিগরি ও ধর্মীয় বিজ্ঞানে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সক্ষমতা।

আল্লাহর সাহায্যে ইরানি জাতি তার ধর্ম ও জ্ঞান ত্যাগ করবে না বলে জোর দিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী আরও বলেন: আমরা আমাদের ধর্মকে শক্তিশালী করার এবং আমাদের বিভিন্ন বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য বৃহৎ পদক্ষেপ নেব এবং শত্রুর অন্ধত্বের মধ্য দিয়ে আমরা ইরানকে অগ্রগতি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে যেতে সক্ষম হব।

এই অনুষ্ঠানে, কুরআনের বেশ কয়েকজন তিলাওয়াতকারী আল্লাহর মহিমান্বিত কালামের আয়াত তেলাওয়াত করেন এবং হুজ্জাতুল ইসলাম রাফিঈও নাহজুল-বালাগার ১৮২ নং খুতবা উদ্ধৃত করে সিফফিন যুদ্ধের শহীদদের বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেন। সাম্প্রতিক ১২ দিনের আরোপিত যুদ্ধের শহীদদের সাথে সিফফিন যুদ্ধের শহীদদের বৈশিষ্ট্যগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

পথে অবিচল থাকা, সত্যের পথে এগিয়ে যাওয়া, কুরআন তেলাওয়াত করা এবং তার উপর আমল করা, ফরজ কর্তব্য পালন করা, ঐশী ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা, বিদআতের মুখোমুখি হওয়া, জিহাদে অংশগ্রহণ করা এবং নেতৃত্বের অনুসরণ করা – এই আটটি বৈশিষ্ট্যের দিকে ইঙ্গিত করে হুজ্জাতুল ইসলাম রাফিঈ বলেন: কুরআন অনুসারে, ঈমান এবং আস্থা হল ঐশী বিজয়ের দুটি প্রধান কারণ। এই দুটি উপাদান ১২ দিনের আরোপিত যুদ্ধে স্পষ্টভাবে উপস্থিত ছিল এবং ইরানী জাতির প্রতিরোধ ও বিজয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল।

এই অনুষ্ঠানে, জনাব মোহাম্মদ রেজা বাজরি ইহুদিবাদী শত্রুর সাথে যুদ্ধে শহীদদের মহাকাব্যিক কৃতিত্ব উদযাপনে কবিতা আবৃত্তি করেন এবং মর্সিয়া পরিবেশন করেন।

সূত্র : পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১