এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]
তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।
এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।
তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।
ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।
ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।
পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।
মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।
অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।
একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।
তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।
অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।
ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ নাটোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ মারুফাত হুসাইন এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় নাটোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)র একটি অভিযানিক দল ২৮ নভেম্বর (বৃহঃস্পতিবার) নাটোর জেলার…
মোঃ হাচান আল মামুন দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আদালতের ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার…
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর কলমাকান্দা থানা মোড় এলাকায় কলমাকান্দা হেফাজতে ইসলাম এ…
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে পৌর শহরের ছোটবাজার স্থানীয় শহীদ মিনারে বেদিতে ফুল দিয়ে…