বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

জম্মু–কাশ্মীরে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা

ভোটের আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু–কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবিতে যারা মুখর ছিল, ভারতের সেই শাসক দল বিজেপির কপালের রেখা আবার গাঢ় হতে শুরু করেছে। ভোটের পর নতুন সরকার গঠনের সময় থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা। হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছে নতুন করে। তাতে প্রাণহানি ঘটছে। রক্ত ঝরছে। হঠাৎ কেন এই চোরাগোপ্তা আক্রমণ বৃদ্ধি, তা […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১০

ভোটের আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু–কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবিতে যারা মুখর ছিল, ভারতের সেই শাসক দল বিজেপির কপালের রেখা আবার গাঢ় হতে শুরু করেছে। ভোটের পর নতুন সরকার গঠনের সময় থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা। হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছে নতুন করে।

তাতে প্রাণহানি ঘটছে। রক্ত ঝরছে। হঠাৎ কেন এই চোরাগোপ্তা আক্রমণ বৃদ্ধি, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, অতি দ্রুত জম্মু–কাশ্মীর কি ফিরে যাচ্ছে সেই আগের অনিশ্চিত দিনগুলোয়?

দীর্ঘ ১০ বছর পর ভূস্বর্গে বিধানসভার ভোট হয়েছে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনায়। তিন দফার ভোট পর্ব শেষ হয় ১ অক্টোবর। ভোটের আগে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়ে উঠেছিল শান্তির নিকেতন। ৪ অক্টোবর গণনা শেষে জয়ী হয় ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি)। ১৬ অক্টোবর আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ওমর আবদুল্লাহ্। তার পর থেকে গত রোববার পর্যন্ত ১৯ দিনে ১০টি সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে।

মারা গেছেন ও জখম হয়েছেন একাধিক সেনাসদস্য, সাধারণ মানুষ, পরিচিত চিকিৎসক, পরিযায়ী শ্রমিক ও জঙ্গি। কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যে শ্রীনগরকে জঙ্গিমুক্ত বলে দাবি করেছিল, সেই শ্রীনগরের ব্যস্ততম এলাকা ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টারের সামনে গত রোববার গ্রেনেড হামলায় ১০ জন আহত হন। আচমকাই ফিরে এসেছে ভয়ের বাতাবরণ।

সেই সঙ্গে সন্দেহও। রাজনৈতিক স্তরে প্রশ্ন উঠে গেছে, নতুন নির্বাচিত সরকারকে নড়বড়ে করা, অস্থিতিশীল করে তোলা আচমকা এই সব সন্ত্রাসী হানার উদ্দেশ্য কি না। সে জন্য চক্রান্ত শুরু হয়েছে কি না।

সন্দেহ শুধু সন্দেহের স্তরেই থাকেনি, প্রকাশ্যে সেই সন্দেহ প্রকাশও করে ফেলেছেন ওমরের পিতা এনসির সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ। গত শনিবার শ্রীনগর ও অনন্তনাগ জেলায় দুটি পৃথক ঘটনায় লস্কর–এ–তইবার এক কমান্ডারের মৃত্যু ও চারজন নিরাপত্তারক্ষীর আহত হওয়ার ঘটনার পর ফারুক আবদুল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গিয়ানা বেড়ে গেল। কেন? কেন পরপর এত ঘটনা ঘটছে?

অবশ্যই এর তদন্ত হওয়া দরকার। তিনি বলেন, ‘আমার সন্দেহ হচ্ছে, যারা এই সরকারকে থিতু হতে দিতে চায় না, তারা এই সব কাণ্ড হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা ধরা পড়লে জানা যেত কারা এসব করাচ্ছে। কোনো এজেন্সি ওমর আবদুল্লাহ সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে কি না। এর তদন্ত করে দেখা দরকার।

ফারুক আবদুল্লাহ কারও নাম করেননি। কিন্তু বিজেপি সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের জম্মু–কাশ্মীর সভাপতি রবীন্দ্র রায়না বলেন, ‘তদন্তের কী আছে? সবাই জানে কারা এই সন্ত্রাসবাদের হোতা। পাকিস্তান এই অপকর্ম করে আসছে। তাদের বাধা দিচ্ছে আমাদের সেনা ও পুলিশ। প্রত্যেকের উচিত সেনা, পুলিশ ও অন্য নিরাপত্তারক্ষীদের সমর্থন করা।

বিজেপির আরেক নেতা কবীন্দ্র গুপ্ত সরাসরি ফারুকের সমালোচনা করে বলেন, তাঁর মতো মানুষের এমন সন্দেহ করা উচিত নয়। এমন কথাও বলা উচিত নয়। ওমরের সরকারকে কেউ অপদস্থ বা দুর্বল করতে চাইছে না। সীমান্তপার থেকেই এই সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে, সবার তা জানা।

ফারুক অবশ্য একা নন, তাঁর নির্বাচনী শরিক ও ইন্ডিয়া জোটের সদস্য কংগ্রেসও একই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ করেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তারিক হামিদ কাররাও ফারুকের সুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘যা ঘটছে তা খুবই উদ্বেগের বিষয়। ঘটনা ঘটার সময়টা সন্দেহ জাগাচ্ছে। নির্বাচন খুবই শান্তি কেটেছে। নির্বিঘ্নে সবাই প্রচার করেছে। কোথাও কিছু ঘটেনি। অথচ ভোটের পর সরকার গঠনের পর থেকেই শুরু হয়ে গেল তাণ্ডব ? আশ্চর্য এটাই!

জম্মু–কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এবারের ভোটের প্রধান বিষয় ছিল দ্রুত রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো। তাদের প্রত্যাশা ছিল ভোটের আগেই সেই প্রতিশ্রুতি কেন্দ্রীয় সরকার পালন করবে। কিন্তু তা হয়নি। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে এক সর্বসম্মত প্রস্তাব গৃহীত হয়।

দিল্লি এসে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে ওমর আবদুল্লাহ্‌ও ওই দাবি জানিয়ে গেছেন। যদিও কবে সেই দাবি মানা হবে, কবে কেন্দ্রীয় সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে এখনো কিছু জানায়নি। সরকারি ভাষ্য, উপযুক্ত সময়েই তা করা হবে। সেই সময় কবে আসবে অজানা।

তবে জম্মু–কাশ্মীরের ভারপ্রাপ্ত বিজেপির নেতা রাম মাধব ভোটের পর এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কিছুটা অর্থপূর্ণ ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংসদেই সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পালিত হবে। তবে দেখতে হবে জম্মু–কাশ্মীরে যেন সেই সব ভয়ংকর দিন আবার ফিরে না আসে।

ওই মন্তব্য এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আবার অশান্ত হয়ে ওঠার মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি? সেটাই কি রাজ্যের রাজনৈতিক নেতাদের মনে সন্দেহ সৃষ্টির কারণ? তাই চক্রান্ত তত্ত্বের অবতারণা? এত দিন মোটামুটি শান্ত থাকার পর হুট করে সন্ত্রাসী হানা বেড়ে যাওয়ার নেপথ্য কারণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দিক থেকে এখনো কোনা ব্যাখ্যা অবশ্য আসেনি।

জঙ্গি হানা নিয়ে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের এই আবহে সোমবার থেকে শুরু হলো বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। প্রথম কাজ স্পিকার নির্বাচন। তারপর উপরাজ্যপালের ভাষণ। দেখার, সেই ভাষণে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে তিনি কোনো আশ্বাস দিতে পারেন কি না। আরও দেখার, রাজ্য দ্বিখণ্ডিকরণ ও ৩৭০ অনুচ্ছেদসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক মর্যাদা খারিজের বিরুদ্ধে বিধানসভায় কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় কি না।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭