আন্তর্জাতিক হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত দুটি ‘আপত্তিকর তেলবাহী জাহাজে’ হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশের ‘অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ’ নৌপথ ব্যবহার করে প্রবেশ ও বের হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ভাষ্য, ‘এটি আমাদের ভূখণ্ড। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং এর যথাযথ জবাব দেওয়া হবে।’
বিবৃতিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়, যতদিন এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি রাসায়নিক সার, তেল বা গ্যাস পরিবহনের জন্যও নিরাপদ থাকবে না।
তবে আইআরজিসির এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এসব অভিযানে ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯ জুলাই রাত ১০টা (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়) অভিযান শেষ হয়। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর সম্ভাব্য হামলার সক্ষমতা কমাতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?