মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

সৌদি অর্থায়নে লিবিয়ার হাফতার বাহিনীকে অস্ত্র দিয়েছে পাকিস্তান

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক শাসক খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পাকিস্তান অস্ত্র সরবরাহ করেছে। সৌদি আরবের অর্থায়নে এই অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে পশ্চিমা ও আরব বিশ্বের কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-কে জানিয়েছেন। খলিফা হাফতারের বাহিনীর কাছে পাকিস্তানের অস্ত্র পৌঁছানোর বিষয়টি এর আগে প্রকাশ্যে আসেনি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে বেনগাজি বিমানবন্দরে পাকিস্তান […]

সৌদি অর্থায়নে লিবিয়ার হাফতার বাহিনীকে অস্ত্র দিয়েছে পাকিস্তান

সৌদি অর্থায়নে লিবিয়ার হাফতার বাহিনীকে অস্ত্র দিয়েছে পাকিস্তান

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক শাসক খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পাকিস্তান অস্ত্র সরবরাহ করেছে। সৌদি আরবের অর্থায়নে এই অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে পশ্চিমা ও আরব বিশ্বের কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-কে জানিয়েছেন।

খলিফা হাফতারের বাহিনীর কাছে পাকিস্তানের অস্ত্র পৌঁছানোর বিষয়টি এর আগে প্রকাশ্যে আসেনি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে বেনগাজি বিমানবন্দরে পাকিস্তান থেকে অন্তত পাঁচটি কার্গো বিমান অস্ত্র নিয়ে অবতরণ করেছে। দ্বিতীয় একজন কর্মকর্তা অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কী ধরনের অস্ত্র দেওয়া হয়েছে, তা জানাননি।

এর আগে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের বেনগাজি সফরের পর হাফতারের পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের ৪ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি হয়েছে। এটি পাকিস্তানের এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অস্ত্র চুক্তি।

কেন এই সহায়তা?

সৌদি আরব ও পশ্চিমা দেশগুলোর কর্মকর্তাদের মতে, সৌদি আরব খলিফা হাফতারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। এর মাধ্যমে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘদিনের প্রভাবকে সরিয়ে নিজেদের জায়গা করে নিতে চায়। এই চুক্তির বিষয়ে অবগত লিবিয়ার একটি সূত্র জানায়, হাফতার পরিবার এখনও আমিরাতে প্রচুর সম্পদ ও সম্পত্তির মালিক।

এক আরব কর্মকর্তা বলেন, “হাফতারকে আমিরাত থেকে দূরে সরিয়ে আনার জন্যই এই চুক্তি করা হয়েছে। সৌদি আরব ‘মধু’ ব্যবহারের নীতি নিয়েছে এবং বলছে, আমরা তোমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করতে পারি।”

খলিফা হাফতার (৮২) এবং তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি ছেলে সাদ্দাম ফেব্রুয়ারির শুরুতে পাকিস্তানে বিরল এক সফরে গিয়ে সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, মার্চ মাসে যেসব অস্ত্রের চালান এসেছে, তার শর্তগুলো ওই বৈঠকেই চূড়ান্ত হয়েছিল।

সুদান ও সামরিক সংহতি

অস্ত্র সরবরাহের পেছনে সৌদি আরবের একটি বড় লক্ষ্য রয়েছে। তারা চায় হাফতার যেন লিবিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল দিয়ে সুদানের র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর কাছে অস্ত্র পৌঁছানো বন্ধ করেন। লিবিয়া বর্তমানে দ্বিধাবিভক্ত, ত্রিপোলিতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রধানমন্ত্রী আব্দুল হামিদ দবেইবার সরকার এবং পূর্বাঞ্চলে হাফতারের সরকার।

সৌদি আরব হাফতারের বাহিনীকে ত্রিপোলি প্রশাসনের বাহিনীর সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়াকেও সমর্থন জানাচ্ছে। এ দুটি বাহিনী মার্চ মাসে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ‘ফ্লিন্টলক’ মহড়ায় একসঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং একটি যৌথ সামরিক কমিটি গঠন করেছে। একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা বলেন, ‘এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে, সৌদি আরব নতুন অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে হাফতারের সহযোগিতা কিনছে।’

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা ও পাকিস্তানের ভূমিকা

জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে আসিম মুনিরের বেনগাজি সফরের সময় পাকিস্তান হাফতারের লিবিয়ান আরব আর্মড ফোর্সেস (এলএএএফ)-কে অন্তত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েছিল। এই অস্ত্রগুলো চোখে দেখার সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। এতে ক্যামেরা ও ভাঁজ করা স্ক্রিন রয়েছে, যা অস্ত্রের সামনের অংশকে ৯০ ডিগ্রি কোণে ডানে বা বামে ঘোরানোর সুযোগ দেয়। ফলে ব্যবহারকারী যেকোনও কোণ থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারেন।

জাতিসংঘের প্যানেল জানিয়েছে, পাকিস্তান লিবিয়ায় জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেনি। কারণ তারা অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে করা প্রশ্নের কোনও জবাব দেয়নি। জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাইরের দেশগুলো লিবিয়ায় অস্ত্র পাঠাচ্ছে।

সৌদি-আমিরাত সম্পর্কের টানাপোড়েন

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত একসময় ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল। ইয়েমেন যুদ্ধ ও ২০১৯ সালে ত্রিপোলি দখলের অভিযানে তারা হাফতারকে সমর্থন দিয়েছিল। কিন্তু সুদানের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সুদানের আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফ-কে সমর্থন দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নালিশ করেছিলেন। ডিসেম্বরে সৌদি আরব ইয়েমেনে আমিরাত সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর হামলা চালালে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

ইরান-মার্কিন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, রিয়াদ ও আবুধাবি তাদের বিভেদ ভুলে এক হবে। কিন্তু বাস্তবতায় তাদের মধ্যকার দূরত্ব বরং বেড়েছে। সৌদি আরব একদিকে মার্কিন অনুরোধে বিমানঘাঁটি ও আকাশপথের ব্যবহার বাড়াতে চাইছে, যুদ্ধের সমঝোতার জন্য তদবির করছে। অন্যদিকে আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আলোচনায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১