শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধে জড়িত মার্কিন সামরিক বিমানকে ঢুকতে দিলো না অস্ট্রিয়া

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত ইউরোপীয় কূটনীতিতে নতুন টানাপড়েন তৈরি করেছে। নিরপেক্ষতার নীতি দেখিয়ে এবার অস্ট্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এটি মার্কিন মিত্র দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ যত তীব্র হচ্ছে, ততই ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সমর্থনও পড়ছে প্রশ্নের মুখে। সংবাদমাধ্যম নিউজউইক বলছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-সম্পর্কিত সামরিক […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৩৩

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত ইউরোপীয় কূটনীতিতে নতুন টানাপড়েন তৈরি করেছে। নিরপেক্ষতার নীতি দেখিয়ে এবার অস্ট্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এটি মার্কিন মিত্র দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ যত তীব্র হচ্ছে, ততই ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সমর্থনও পড়ছে প্রশ্নের মুখে।

সংবাদমাধ্যম নিউজউইক বলছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-সম্পর্কিত সামরিক কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি অস্ট্রিয়া। দেশটি তাদের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষতার নীতির কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জানান, ‘নিরপেক্ষতার কারণে অস্ট্রিয়া এমন কোনও বিমান বা সেনা চলাচলের অনুমতি দেয় না, যা কোনও সংঘাতে এক পক্ষকে সামরিক সহায়তা দিতে পারে। যদি জানা যায়, কোনও সামরিক বিমান বা যান সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংঘাতে জড়িত, তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে সেই ফ্লাইট বা চলাচল বাতিল করা হয়।’

অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ওআরএফ রেডিওর তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে তারা ইরান যুদ্ধ-সংক্রান্ত সামরিক কার্যক্রমে আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গৃহীত নিরপেক্ষতার আইনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একাধিক অনুরোধ এসেছিল, তবে সেগুলোর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিটি অনুরোধই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, কারণ অস্ট্রিয়ার আইন অনুযায়ী চলমান সশস্ত্র সংঘাতে কোনও পক্ষকে সামরিক সহায়তা দেয়া নিষিদ্ধ।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ইউরোপের এমন দেশগুলোর তালিকায় অস্ট্রিয়াও যুক্ত হলো, যারা ইরানবিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রবেশাধিকার সীমিত করছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার কিছু ইউরোপীয় মিত্রের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন যে বাড়ছে, অস্ট্রিয়ার এই পদক্ষেপ সেটিই সামনে এনেছে।

অস্ট্রিয়া ন্যাটোর সদস্য না হলেও ইউরোপের প্রাণকেন্দ্রে দেশটির অবস্থানের কারণে অস্ট্রীয় আকাশসীমা পশ্চিম ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে স্পেন ও ইতালিও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান বা ঘাঁটি ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউস থেকে সমালোচনা করা হয়েছে এবং জোটের ঐক্য নিয়েও প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে ন্যাটোর সদস্য স্পেন তাদের আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা দেয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়েছে। এছাড়া অস্ট্রিয়ার এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের দেশগুলোর মনোভাবও তুলে ধরছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইরান যুদ্ধে জড়াতে অনীহা দেখাচ্ছে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ফ্রান্সের সমালোচনা করেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামবাহী বিমানকে ইসরায়েলে যাওয়ার পথে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি।

ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্স ‘সহযোগিতা করছে না’ এবং যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত ‘মনে রাখবে’। তবে ফরাসি কর্মকর্তারা জানান, তারা সব ধরনের ফ্লাইট নিষিদ্ধ করেনি; বরং আন্তর্জাতিক আইন ও তাদের নীতির ভিত্তিতে প্রতিটি অনুরোধ আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, অস্ট্রিয়া ন্যাটোর সদস্য নয়। ১৯৫৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী মিত্রশক্তির দখলদারিত্ব শেষ হওয়ার পর দেশটি সংবিধানে নিরপেক্ষতার নীতি গ্রহণ করে। যদিও অস্ট্রিয়া সীমিত পরিসরে ন্যাটোর সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা করে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু প্রতিরক্ষা উদ্যোগে অংশ নেয়, তবে আইন অনুযায়ী তারা কোনও সামরিক জোটে যোগ দিতে পারে না বা চলমান সংঘাতে সরাসরি সামরিক সহায়তা দিতে পারে না।

আর এই নিরপেক্ষতার নীতিই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের মূল ভিত্তি। তবে অস্ট্রিয়ার কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, এটি সব ধরনের মার্কিন সামরিক বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা নয়; বরং শুধু সেই বিমানগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেগুলো সরাসরি চলমান সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৪

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৪

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৪

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৪