শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দুঃখ কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া

রাফি হোসেন ‎কুবি প্রতিনিধি : ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের(কুবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের শেষ নেই। নিম্নমানের খাবার, চড়া মূল্য, অপরিচ্ছন্নতা, অব্যবস্থাপনা এবং বহিরাগত পর্যটকদের খাবার ব্যবস্থাপনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ‎‎আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় বহিরাগত পর্যটকদের কারণে খাবার খেতে পারেনি বলে ছাত্র পরামর্শকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে […]

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দুঃখ কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৯

রাফি হোসেন ‎কুবি প্রতিনিধি :

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের(কুবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের শেষ নেই। নিম্নমানের খাবার, চড়া মূল্য, অপরিচ্ছন্নতা, অব্যবস্থাপনা এবং বহিরাগত পর্যটকদের খাবার ব্যবস্থাপনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

‎‎আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় বহিরাগত পর্যটকদের কারণে খাবার খেতে পারেনি বলে ছাত্র পরামর্শকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে একাধিক শিক্ষার্থী।

‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুপুরের খাবারের সময় ক্যাফেটেরিয়ায় পর্যাপ্ত বসার জায়গা পাওয়া যায়নি। ক্যাফেটেরিয়ার প্রায় পুরো অংশ বহিরাগত পর্যটকে পরিপূর্ণ ছিল। কেউ কেউ খাবার পেলেও সব আইটেম পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি খাবারের মান, সময়মতো টেবিল পরিষ্কার না করা এবং পানি ও অন্যান্য উপকরণ যথাসময়ে সরবরাহ না করার অভিযোগও নিয়মিত বলে জানান তারা।

‎ক্যাফেটেরিয়া সূত্রে জানা যায়, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বহিরাগত অতিথিদের জন্য খাবারের অর্ডার দেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষকে আগেই জিজ্ঞেস করেছিলাম যে আমার কিছু অতিথি আসবে, তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হবে কি না।

ক্যাফেটেরিয়া পরিচালক আমাকে নিশ্চিত করেন, শিক্ষার্থীদের কোনো ভোগান্তি হবে না। সেজন্যে আমি অর্ডার দিয়েছি।”

‎ভুক্তভোগী ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান আস সাদী বলেন, “আজ ক্যাম্পাসের অন ডে। কিন্তু ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ বাইরের পর্যটক দিয়ে পুরো ক্যাফেটেরিয়া দখল করে রেখেছে। একটা টেবিলও খালি নাই। পরিবেশ এত কোলাহলপূর্ণ যে শান্তভাবে বসে খাবার খাওয়ার সুযোগ নেই।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জায়গাই না থাকে, তাহলে এই ক্যাফেটেরিয়ার প্রয়োজনীয়তা কী?”

‎গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ বহিরাগত শিক্ষার্থীদের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমি যখন খেতে বসি তখন টেবিল পরিষ্কার ছিল না, পানি ছিল না। কিন্তু বাহিরের শিক্ষার্থীরা আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত টেবিল পরিষ্কার করা হয়েছে।

এমনকি তারা এসে আমাকে তারাতাড়ি টেবিল ছাড়তে বলেছে। বাধ্য হয়ে আমি খাবার না খেয়েই উঠে যাই। এখন প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি শিক্ষার্থীদের সমস্যাটা বুঝে ক্যাফেটেরিয়ার অব্যবস্থাপনা সংস্কারের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

‎এ বিষয়ে ক্যাফেটেরিয়ার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, “আমাদের কিছুটা ভুল ছিল। আমরা বিষয়টি আগে সেভাবে বুঝতে পারিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছিল, কিন্তু পরে সেখানে অতিথিরা বসে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকব।”

‎এদিকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। তিনি বলেন, ‎“আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি, দুপুর বেলায় শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ায় এসে বসার জায়গা পাচ্ছিল না।

ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং তারা নিশ্চয়তা দিয়েছে, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের খাবারের সময় ক্যাফেটেরিয়া শুধু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না বলে আশা করি।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।