বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পদোন্নতির অনিয়ম চক্রে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কর্মকর্তা, পবিপ্রবির হিসাব শাখার লাগামহীন দুর্নীতি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অর্থ ও হিসাব শাখার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পদোন্নতিতে অনিয়ম, অর্থ ও হিসাবের সমন্বয়হীনতা ও ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব শাখার কর্মকর্তা, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ নিজাম উদ্দিন। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদেরও একজন নির্বাহী সদস্য। তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ নিজাম উদ্দিনের পবিপ্রবিতে সেকশন অফিসার […]

পদোন্নতির অনিয়ম চক্রে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কর্মকর্তা, পবিপ্রবির হিসাব শাখার লাগামহীন দুর্নীতি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ২০:১০

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অর্থ ও হিসাব শাখার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পদোন্নতিতে অনিয়ম, অর্থ ও হিসাবের সমন্বয়হীনতা ও ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব শাখার কর্মকর্তা, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ নিজাম উদ্দিন। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদেরও একজন নির্বাহী সদস্য।

তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ নিজাম উদ্দিনের পবিপ্রবিতে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগের জন্য সার্কুলারে শর্ত ছিল–শিক্ষা জীবনে অন্তত একটিতে অবশ্যই প্রথম শ্রেণি থাকতে হবে। কিন্তু তার সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় সৈয়দ নিজামের শিক্ষা জীবনের কোথাও কোনো প্রথম শ্রেণির ফলাফল নেই। এ সত্ত্বেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মোটা অঙ্কের অর্থ ঘুষের বিনিময়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির হাতে আসা সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুসারে তাকে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বাছাই বোর্ডের সুপারিশক্রমে এবং একই বছরের ৪ জুন রিজেন্ট বোর্ডের ৩৭তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে (বর্তমান–বিজয় ২৪ হল) সেকশন অফিসার (গ্রেড-৯) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

কিন্তু বিস্ময়করভাবে কেবল ৪ বছরের পরই সরকারি পর্যায়োন্নয়ন নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা না করে সৈয়দ নিজামকে ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বরের বাছাই বোর্ড ও ১৯ ডিসেম্বরের রিজেন্ট বোর্ডের ৪৬তম সভার সিদ্ধান্ত দেখিয়ে একই হলের (বঙ্গবন্ধু হল) ডেপুটি রেজিস্ট্রার (গ্রেড-৫) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, এ প্রক্রিয়ায় তৎকালীন প্রশাসনকে বিভিন্নভাবে ‘ম্যানেজ’ করে লোকদেখানো ১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে এই অনৈতিক পর্যায়োন্নয়ন নিয়েছিলেন নিজাম।

তাছাড়া হিসাব শাখার বিভিন্ন দায়িত্বে থেকে সৈয়দ নিজাম উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক কর্মকাণ্ডে অনিয়ম করে ব্যক্তিগতভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে একাধিক কর্মকর্তা–কর্মচারীর মধ্যে।

তাদের দাবি, তিনি পটুয়াখালী জেলা শহরের বিলাসবহুল বনানী এলাকায় জমি ক্রয়সহ জৈনকাঠি গ্রামসহ আরও কয়েকটি স্থানে জমি কিনেছেন, যার উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হিসাব শাখার কোনো বিষয়ের দরকারে নিজামের কাছে গেলে তিনি অর্থ দাবি করেন বলে একাধিক কর্মকর্তার অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদকের কাছে আসা নথি অনুসারে সৈয়দ নিজাম ছিলেন বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের ৩ নং নির্বাহী সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাধিক অভিযোগে বলা হয়েছে—তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আফজাল হোসেনের কথিত নিকটাত্মীয়ের পরিচয়ে অনৈতিক প্রভাব,

ঘুষ ও ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির মাধ্যমে বহু বছর ধরে হিসাব শাখায় প্রভাবশালী অবস্থান ধরে রেখেছেন। শুধু তাই নয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উচ্চতর প্রশাসনের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে তার অনিয়ম দুর্নীতি নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রাপ্ত নথি বিশ্লেষণে আরও জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক বছরের পর বছর ধরে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত উৎকোচ গ্রহণ করছেন। নিজামের নিজের পছন্দের বিভিন্ন শিক্ষককে বেতনাদির সাথে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত ভাতা প্রদান করার প্রমাণাদি ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। এতোকিছু জানার পরও প্রশাসন কোনো রকম ব্যবস্থা তার বিরুদ্ধে নিতে অপারগ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার লোন কমিটির সদস্য হিসেবে নিজের অবস্থান ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–কর্মকর্তা–কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বেতন প্রস্তুতের দায়িত্বে থাকায় যাঁদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো, তাদের সুবিধা দেওয়া এবং যাঁদের তিনি অপছন্দ করেন তাদের বেতন কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা–শিক্ষক করেছেন।

জানা যায়, ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর তাকে পূর্ববর্তী হলে (বিজয়-২৪ হল) স্থানান্তরের কথা উঠলে তিনি গোপনে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিভিন্নভাবে ‘ম্যানেজ’ করে আবারও পূর্বের অফিস হিসাব শাখায় বহাল থাকেন।

অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ নিজাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে আমার ফাইল সব আছে, আমার বিষয়ে তাদেরকে প্রশ্ন করেন তারাই ভালো বলতে পারবে। আমার পদোন্নতিতে কোনো অনিয়ম কিংবা আমি কোনো দুর্নীতি করলে সেটার যদি প্রমাণ পায় প্রশাসন, আমার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেবে আমি তা মেনে নেব।”

এসময় শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তার ফার্স্ট ক্লাস রেজাল্ট আছে কিনা, থাকলেও কোন কোন পর্যায়ে–এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো সুস্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি। বরং তিনি এ বিষয়েও রেজিস্ট্রার দপ্তর ভালো বলতে পারবে বলে জানান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পটুয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস বলেন, “সৈয়দ নিজামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগসমূহের ব্যাপারে আমরা দুদক সদর দপ্তরকে অবহিত করবো। অভিযোগের সুনির্দিষ্টতা থাকলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করবো।”

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ.দা.) অধ্যাপক ড. ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, “সৈয়দ নিজামের পদোন্নতিতে যদি কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকে তবে সে বিষয়ে আমরা খোঁজ নেব। তদন্ত অনুসারে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় আমরা ব্যবস্থা নেব।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “এসব অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সাথে আলোচনা করবো। পদোন্নতির আইনের লঙ্ঘন কিংবা দুর্নীতির প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।