সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ভিপি-জিএসে এগিয়ে ছাত্রশিবির, এজিএসে ছাত্রদল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন শেষে চলছে ভোট গণনা। ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ৫টি কেন্দ্রের ফলাফল। এগুলোতে ভিপি-জিএস পদে এগিয়ে আছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইব্রাহীম হোসেন রনি ও সাঈদ বিন হাবিব। আর এজিএস পদে ছাত্রদলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এগিয়ে আছেন। শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলের ঘোষিত ফলাফলে ছাত্রশিবির–সমর্থিত সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের […]

ভিপি-জিএসে এগিয়ে ছাত্রশিবির, এজিএসে ছাত্রদল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ অক্টোবর ২০২৫, ০২:১৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন শেষে চলছে ভোট গণনা। ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ৫টি কেন্দ্রের ফলাফল। এগুলোতে ভিপি-জিএস পদে এগিয়ে আছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইব্রাহীম হোসেন রনি ও সাঈদ বিন হাবিব। আর এজিএস পদে ছাত্রদলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এগিয়ে আছেন।

শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলের ঘোষিত ফলাফলে ছাত্রশিবির–সমর্থিত সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে ছাত্রদল–মনোনীত প্যানেল।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে চাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এই হোস্টেলে মোট ভোটার ছিলেন ১৫৬ জন, এর মধ্যে ১২৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

ফলাফলে চাকসুর ভিপি পদে ছাত্রদলের প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ৩৪ ভোট এবং সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ২৭ ভোট।

জিএস পদে সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ২৮ ভোট, ছাত্রদলের শাফায়েত হোসেন ১৪ ভোট এবং সুদর্শন চাকমা ২৯ ভোট পান।

এজিএস পদে ছাত্রদলের তৌফিক পেয়েছেন সর্বাধিক ৩৮ ভোট, আর সাজ্জাত হোছন মুন্না পেয়েছেন ১১ ভোট।

এছাড়া শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেল সংসদের ফলাফলও ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে খন্দকার মাসরুল আল ফাহিম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মোহাম্মদ আফসার সরকার, ক্রীড়া ও ক্যান্টিন সম্পাদক পদে সুকুমার রায়, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. ফরহাদ হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক পদে আশিক বাবু, স্বাস্থ্য, আবাসন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে জামিল হোসেন এবং সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে তুষার দে নির্বাচিত হয়েছেন।

মাস্টার দা সূর্য সেন হলের ভোটের ফলাফলে ভিপি ও এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জিএস পদে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রশিবির প্যানেলের প্রার্থী।

রাত ১১ টার দিকে বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ডিন অফিসে এ হলের ফল ঘোষণা করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সদস্যসচিবের উপস্থিতিতে ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ ড. আল আমীন।

ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ১৪১ ভোট। ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ইব্রাহীম হোসেন রনি পেয়েছেন ১৩০ ভোট।

জিএস পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব ১৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদলের প্রার্থী শাফায়াত হোসেন পেয়েছেন ৫৩ ভোট।

এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ১৭০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। শিবিরে প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৬৫ ভোট।

অতীশ দীপঙ্কর হলের ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ২২৩ ভোট। ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ইব্রাহীম হোসেন রনি পেয়েছেন ৯০ ভোট।

জিএস পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব ৮৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদলের প্রার্থী শাফায়াত হোসেন পেয়েছেন ১৬৪ ভোট।

এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ২৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। শিবিরে প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৪৫ ভোট।

এই হল সংসদে ভিপি পদে রিপুল চাকমা ২১৭ ভোট ও জিএস মো. কবির আলী ১৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

এছাড়া এজিএস অনন্ত কির্ত্তনীয়া ১৭৫, খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক রুমনজয় তঞ্চঙ্গ্যা ২৯৭, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মনষা ত্রিপুরা ৩০৫, দপ্তর সম্পাদক অরিয়ন চাকমা ৩১২ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।

সোহরাওয়ার্দী হলের ফলাফলে ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের ইব্রাহিম হোসেন রনি ১৪৮৮ এবং ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ৬৮০ ভোট পেয়েছে। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের সাইদ বিন হাবিব ১৪০৪ এবং ছাত্রদলের মো. শাফায়েত হোসেন ৪৫৮ ভোট পেয়েছেন।

এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের সাজ্জাত হোছন মুন্না ৯০৬ এবং ছাত্রদলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ৮৬৮ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি পদে নেয়ামতুল্লাহ ফারাবী, জিএস মো. নুরুন্নবী সোহান বিজয়ী হয়েছেন।

শহীদ আবদুর রব হলে ফলাফলে ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের ইব্রাহিম হোসেন রনি ৬৪৯ এবং ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ২৮২ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের সাইদ বিন হাবিব ৬৩৬ এবং ছাত্রদলের মো. শাফায়েত হোসেন ১৫৭ ভোট পেয়েছেন।

এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের সাজ্জাত হোছন মুন্না ৩৬৩ এবং ছাত্রদলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ৫৪০ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া হল সংসদে ভিপি পদে মো. বোরহান উদ্দিন, জিএস পদে মনির হোসেন, এজিএস পদে মো. আবু বক্কর বিজয়ী হয়েছেন।

বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল গণনা চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।