সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্র সংসদ নিয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কোনো বিধান ছিল না। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও ধারাবাহিক দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাধিক উন্মুক্ত আলোচনার […]

ছাত্র সংসদ নিয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৪৮

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কোনো বিধান ছিল না। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও ধারাবাহিক দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সম্প্রতি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাধিক উন্মুক্ত আলোচনার পর ‘নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (নাকসু)’ এবং হল সংসদ গঠনের জন্য একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশ করেছে। তবে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, শুধু খসড়া প্রকাশ যথেষ্ট নয়। তাদের দাবি—দ্রুততম সময়ে একটি রোডম্যাপ ও নির্দিষ্ট তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা উচিত।

শিক্ষার্থীদের কাছে এটি শুধুই একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়; এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার, অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব বিকাশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ। তারা আশা করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অচিরেই একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে নাকসু গঠিত হবে।

নির্বাচিত সংসদ শুধু শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে না, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মতামতের অন্তর্ভুক্তি এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেন, এটি জাককানইবির শিক্ষামূলক ও সামাজিক পরিবেশে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

ছাত্র সংসদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের

নৃবিজ্ঞান বিভাগ ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী হালিমা তুস সাদিয়া বলেন, ‘২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এখনো ছাত্র সংসদ পায়নি। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত ও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ছাত্র সংসদ জরুরি।

এটি হলে শিক্ষার্থীরা হল দখল ও সিট বাণিজ্য থেকে মুক্ত হয়ে মুক্ত সংস্কৃতি ও শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবে। রাজনৈতিক দলীয় আধিপত্য নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধি তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। ছাত্র সংসদ আবাসন সংকট, নিরাপদ ক্যাম্পাস, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’

অর্থনীতি বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী শেখ ফাবিয়া তাসমিম চৌধুরী বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানানোর প্ল্যাটফর্ম পাবে, নেতৃত্ব তৈরি হবে, সমস্যা সমাধান সহজ হবে এবং দলীয় স্বার্থ নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীর স্বার্থ রক্ষা হবে। নিয়মিত ও দলীয় চাপমুক্ত নির্বাচনই এর মূল শর্ত।’

লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালন বিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সচিব কান্তি চাকমা বলেন, ‘২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পরও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ হয়নি, ফলে শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট, নিরাপত্তা, যানবাহন সমস্যা ও ধর্মীয় বৈষম্যের মতো নানা বিষয়ে কার্যকরভাবে কণ্ঠ তুলতে পারে না।

ছাত্র সংসদ হলে শিক্ষার্থীরা একত্রে দাবি জানাতে পারবে, নেতৃত্ব তৈরি হবে, প্রান্তিক ও সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা হবে এবং সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও গবেষণায় অংশ নিতে পারবে। এটি দলীয় সংগঠন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষার্থীর প্রকৃত স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে। আমাদের প্রত্যাশা—ছাত্র সংসদ হবে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর ও আস্থার জায়গা।’

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।