সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

৩৫ বছর পর নতুন ভোর, চাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন

স্বপ্নযাত্রাদীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৫- অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। শেষবার এই নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও ফিরছে তাদের নিজস্ব প্রতিনিধিত্বের অধিকার, ফিরছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন প্রভাত।ক্যাম্পাসজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ছাত্ররা ভাবছে, আলোচনা করছে, কল্পনা করছে— কেমন হবে একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়। এই নবজাগরণের অগ্রযাত্রায় এক তরুণ মুখ হয়ে উঠেছেন মো. হিমেল খান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০–২১)। তিনি এ.এফ. রহমান হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রচারণা ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।হিমেল খান ভিপি পদপ্রার্থীর কথা গুলো তুলে ধরেছেন -তানজিল কাজী প্রার্থী নয়, ভাই বা বন্ধুর মতো পাশে থাকতে চাই- প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরে দেখতেছি ক্যাম্পাস হলে, কটেজে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে যাচ্ছি। হাসিমুখে সবার সাথে কথা হইতেছে, মনযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনতেছি, আর চেষ্টা করি তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে।“শিক্ষার্থীদের সমস্যা মানে আমার সমস্যা। আমি প্রার্থী হিসেবে নয়, একজন ভাই বা বন্ধুর মতো তাদের পাশে থাকতে চাই।”এই কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে তাঁর নেতৃত্বের দর্শন। প্রকৃত প্রতিনিধি সেই ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার আসনে নয়— মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। তাঁর প্রচারণা কেবল ভোটের আহ্বান নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবেগের বন্ধন তৈরি করা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা— এই তাঁর মূল লক্একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও মানবিক এ.এফ. রহমান হল- আমার দৃষ্টি পরিষ্কার “এ.এফ. রহমান হল হবে আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত, স্বচ্ছ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি মডেল হল।”হলের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হোক শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে। ডিজিটাল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে আমি গড়ে তুলতে চাই এমন এক পরিবেশ, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী জানতে পারবে কীভাবে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছে।শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে আমি গঠন করতে চাই একটি বিশেষ শিক্ষার্থী তহবিল, যাতে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পায় বৃত্তি ও সহায়তা। রিডিং রুমে নতুন বই, আধুনিক আলো-হাওয়ার পরিবেশ এবং নিয়মিত ক্যারিয়ার ও হায়ার স্টাডি সেমিনার আয়োজনও আমার পরিকল্পনাখাবার ও নিরাপত্তায় পরিবর্তনের ছোঁয়া-একজন শিক্ষার্থীর উন্নতির মূল ভিত্তি তার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বস্তি— এই বিশ্বাস থেকেই আমার প্রতিশ্রুতি: হলে থাকবে একটি স্বাস্থ্যকক্ষ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।ক্যান্টিনে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করবেন পুষ্টিবিদ, আর প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ মেনুতে মানসম্মত গরু বা খাসির মাংস।খাবারের মান খারাপ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাদের সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ডাইনিংয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া ওয়াশরুমে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, টিস্যু ও সাবান সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুরো হল থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে বিশুদ্ধ পানি ফিল্টার, উচ্চগতির ফ্রি ইন্টারনেট, এমনকি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সুবিধার জন্য সেলুন ও লন্ড্রি সার্ভিস চালুরও অঙ্গীকার করেছ অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও সমান গুরুত্বপূর্ণ- আমি বিশ্বাস করি আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাই আমার পরিকল্পনা রয়েছে ডরমেটরি ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাস শেষে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতে পারবেন। তাদের জন্য গঠন করা হবে বিশেষ প্রতিনিধি টিম, যারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে। খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও থাকবে সমানভাবে।“অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও আমাদের পরিবারের সদস্য— তাদের সম্মান, সুযোগ ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। একটি প্রাণবন্ত হল সংস্কৃতি- সংস্কৃতি ও খেলাধুলা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অপূর্ণ।, প্রতি তিন মাসে একবার অনুষ্ঠিত হোক ‘হল ফেস্ট’, যেখানে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেবে। নিয়মিত বিতর্ক, নাটক, সংগীত, সাহিত্য ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হবে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল ক্যাম্পাস সংস্কৃতি।হলের চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধনে আমি চাই ফুলের বাগান, গাছপালা, পরিচ্ছন্নতা, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।একটি পরিচ্ছন্ন হল মানেই একদল সুশৃঙ্খল ও আত্মসম্মানবোধে উজ্জ্বল শিক্ষাররাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও ঐক্যের বার্তা- সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার— রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ভাইকালচারহীন একটি হল। এ.এফ. রহমান হল হবে এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে। সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিআমাদের হল হবে এমন একটি পরিবার— যেখানে সবাইকে শোনা হবে, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু বিভেদ থাকবে না, আর আমরা একসঙ্গে কাজ করব একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়— এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক, গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জন্ম, এবং একটি নতুন প্রজন্মের দায়িত্ববোধের সূচনএই নবযাত্রার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আমি হিমেল খান অঙ্গীকার করছি —“আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলব এমন একটি হল, যা হবে আধুনিক, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব— যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী গর্বের সঙ্গে বলতে পারবে, আমি ও এ.এফ. রহমান হলের শিক্ষার্থী।”

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ অক্টোবর ২০২৫, ২২:০৮

স্বপ্নযাত্রা দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৫- অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। শেষবার এই নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও ফিরছে তাদের নিজস্ব প্রতিনিধিত্বের অধিকার, ফিরছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন প্রভাত।ক্যাম্পাসজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ছাত্ররা ভাবছে, আলোচনা করছে, কল্পনা করছে— কেমন হবে একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়।

এই নবজাগরণের অগ্রযাত্রায় এক তরুণ মুখ হয়ে উঠেছেন মো. হিমেল খান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০–২১)। তিনি এ.এফ. রহমান হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রচারণা ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। হিমেল খান ভিপি পদপ্রার্থীর কথা গুলো তুলে ধরেছেন -তানজিল কাজী 

প্রার্থী নয়, ভাই বা বন্ধুর মতো পাশে থাকতে চাই- প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরে দেখতেছি ক্যাম্পাসহলে, কটেজে  প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে যাচ্ছি।

  হাসিমুখে সবার সাথে কথা হইতেছে, মনযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনতেছি, আর চেষ্টা করি তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে।“শিক্ষার্থীদের সমস্যা মানে আমার সমস্যা। আমি প্রার্থী হিসেবে নয়, একজন ভাই বা বন্ধুর মতো তাদের পাশে থাকতে চাই।”এই কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে তাঁর নেতৃত্বের দর্শন।

  প্রকৃত প্রতিনিধি সেই ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার আসনে নয়— মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

তাঁর প্রচারণা কেবল ভোটের আহ্বান নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবেগের বন্ধন তৈরি করা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা— এই তাঁর মূল লক্একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও মানবিক এ.এফ. রহমান হল-

আমার  দৃষ্টি পরিষ্কার “এ.এফ. রহমান হল হবে আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত, স্বচ্ছ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি মডেল হল।”হলের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হোক শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে।

ডিজিটাল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে আমি গড়ে তুলতে চাই এমন এক পরিবেশ, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী জানতে পারবে কীভাবে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছে।শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে আমি গঠন করতে চাই একটি বিশেষ শিক্ষার্থী তহবিল, যাতে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পায় বৃত্তি ও সহায়তা।

রিডিং রুমে নতুন বই, আধুনিক আলো-হাওয়ার পরিবেশ এবং নিয়মিত ক্যারিয়ার ও হায়ার স্টাডি সেমিনার আয়োজনও আমার পরিকল্পনাখাবার ও নিরাপত্তায় পরিবর্তনের ছোঁয়া-একজন শিক্ষার্থীর উন্নতির মূল ভিত্তি তার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বস্তি— এই বিশ্বাস থেকেই  আমার প্রতিশ্রুতি:

হলে থাকবে একটি স্বাস্থ্যকক্ষ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।ক্যান্টিনে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করবেন পুষ্টিবিদ, আর প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ মেনুতে মানসম্মত গরু বা খাসির মাংস।খাবারের মান খারাপ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাদের সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ডাইনিংয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া ওয়াশরুমে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, টিস্যু ও সাবান সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুরো হল থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।

প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে বিশুদ্ধ পানি ফিল্টার, উচ্চগতির ফ্রি ইন্টারনেট, এমনকি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সুবিধার জন্য সেলুন ও লন্ড্রি সার্ভিস চালুরও অঙ্গীকার করেছ

অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও সমান গুরুত্বপূর্ণ-

আমি বিশ্বাস করি আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাই আমার পরিকল্পনা রয়েছে  ডরমেটরি ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাস শেষে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতে পারবেন।

তাদের জন্য গঠন করা হবে বিশেষ প্রতিনিধি টিম, যারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।

খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও থাকবে সমানভাবে।“অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও আমাদের পরিবারের সদস্য— তাদের সম্মান, সুযোগ ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে।

একটি প্রাণবন্ত হল সংস্কৃতি-

সংস্কৃতি ও খেলাধুলা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অপূর্ণ।, প্রতি তিন মাসে একবার অনুষ্ঠিত হোক ‘হল ফেস্ট’, যেখানে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেবে।

নিয়মিত বিতর্ক, নাটক, সংগীত, সাহিত্য ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হবে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল ক্যাম্পাস সংস্কৃতি।হলের চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধনে আমি চাই ফুলের বাগান, গাছপালা, পরিচ্ছন্নতা, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।একটি পরিচ্ছন্ন হল মানেই একদল সুশৃঙ্খল ও আত্মসম্মানবোধে উজ্জ্বল শিক্ষাররাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও ঐক্যের বার্তা-

সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার— রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ভাইকালচারহীন একটি হল।

  এ.এফ. রহমান হল হবে এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে। সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিআমাদের হল হবে এমন একটি পরিবার— যেখানে সবাইকে শোনা হবে, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু বিভেদ থাকবে না, আর আমরা একসঙ্গে কাজ করব একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়—

এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক, গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জন্ম, এবং একটি নতুন প্রজন্মের দায়িত্ববোধের সূচনএই নবযাত্রার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আমি হিমেল খান অঙ্গীকার করছি —“আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলব এমন একটি হল, যা হবে আধুনিক, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব—

যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী গর্বের সঙ্গে বলতে পারবে, আমি ও এ.এফ. রহমান হলের শিক্ষার্থী।”

বিষয়ঃ

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।