বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

৩৫ বছর পর নতুন ভোর, চাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন

স্বপ্নযাত্রাদীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৫- অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। শেষবার এই নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও ফিরছে তাদের নিজস্ব প্রতিনিধিত্বের অধিকার, ফিরছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন প্রভাত।ক্যাম্পাসজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ছাত্ররা ভাবছে, আলোচনা করছে, কল্পনা করছে— কেমন হবে একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়। এই নবজাগরণের অগ্রযাত্রায় এক তরুণ মুখ হয়ে উঠেছেন মো. হিমেল খান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০–২১)। তিনি এ.এফ. রহমান হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রচারণা ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।হিমেল খান ভিপি পদপ্রার্থীর কথা গুলো তুলে ধরেছেন -তানজিল কাজী প্রার্থী নয়, ভাই বা বন্ধুর মতো পাশে থাকতে চাই- প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরে দেখতেছি ক্যাম্পাস হলে, কটেজে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে যাচ্ছি। হাসিমুখে সবার সাথে কথা হইতেছে, মনযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনতেছি, আর চেষ্টা করি তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে।“শিক্ষার্থীদের সমস্যা মানে আমার সমস্যা। আমি প্রার্থী হিসেবে নয়, একজন ভাই বা বন্ধুর মতো তাদের পাশে থাকতে চাই।”এই কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে তাঁর নেতৃত্বের দর্শন। প্রকৃত প্রতিনিধি সেই ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার আসনে নয়— মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। তাঁর প্রচারণা কেবল ভোটের আহ্বান নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবেগের বন্ধন তৈরি করা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা— এই তাঁর মূল লক্একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও মানবিক এ.এফ. রহমান হল- আমার দৃষ্টি পরিষ্কার “এ.এফ. রহমান হল হবে আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত, স্বচ্ছ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি মডেল হল।”হলের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হোক শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে। ডিজিটাল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে আমি গড়ে তুলতে চাই এমন এক পরিবেশ, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী জানতে পারবে কীভাবে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছে।শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে আমি গঠন করতে চাই একটি বিশেষ শিক্ষার্থী তহবিল, যাতে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পায় বৃত্তি ও সহায়তা। রিডিং রুমে নতুন বই, আধুনিক আলো-হাওয়ার পরিবেশ এবং নিয়মিত ক্যারিয়ার ও হায়ার স্টাডি সেমিনার আয়োজনও আমার পরিকল্পনাখাবার ও নিরাপত্তায় পরিবর্তনের ছোঁয়া-একজন শিক্ষার্থীর উন্নতির মূল ভিত্তি তার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বস্তি— এই বিশ্বাস থেকেই আমার প্রতিশ্রুতি: হলে থাকবে একটি স্বাস্থ্যকক্ষ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।ক্যান্টিনে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করবেন পুষ্টিবিদ, আর প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ মেনুতে মানসম্মত গরু বা খাসির মাংস।খাবারের মান খারাপ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাদের সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ডাইনিংয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া ওয়াশরুমে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, টিস্যু ও সাবান সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুরো হল থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে বিশুদ্ধ পানি ফিল্টার, উচ্চগতির ফ্রি ইন্টারনেট, এমনকি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সুবিধার জন্য সেলুন ও লন্ড্রি সার্ভিস চালুরও অঙ্গীকার করেছ অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও সমান গুরুত্বপূর্ণ- আমি বিশ্বাস করি আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাই আমার পরিকল্পনা রয়েছে ডরমেটরি ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাস শেষে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতে পারবেন। তাদের জন্য গঠন করা হবে বিশেষ প্রতিনিধি টিম, যারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে। খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও থাকবে সমানভাবে।“অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও আমাদের পরিবারের সদস্য— তাদের সম্মান, সুযোগ ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। একটি প্রাণবন্ত হল সংস্কৃতি- সংস্কৃতি ও খেলাধুলা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অপূর্ণ।, প্রতি তিন মাসে একবার অনুষ্ঠিত হোক ‘হল ফেস্ট’, যেখানে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেবে। নিয়মিত বিতর্ক, নাটক, সংগীত, সাহিত্য ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হবে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল ক্যাম্পাস সংস্কৃতি।হলের চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধনে আমি চাই ফুলের বাগান, গাছপালা, পরিচ্ছন্নতা, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।একটি পরিচ্ছন্ন হল মানেই একদল সুশৃঙ্খল ও আত্মসম্মানবোধে উজ্জ্বল শিক্ষাররাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও ঐক্যের বার্তা- সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার— রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ভাইকালচারহীন একটি হল। এ.এফ. রহমান হল হবে এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে। সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিআমাদের হল হবে এমন একটি পরিবার— যেখানে সবাইকে শোনা হবে, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু বিভেদ থাকবে না, আর আমরা একসঙ্গে কাজ করব একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়— এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক, গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জন্ম, এবং একটি নতুন প্রজন্মের দায়িত্ববোধের সূচনএই নবযাত্রার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আমি হিমেল খান অঙ্গীকার করছি —“আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলব এমন একটি হল, যা হবে আধুনিক, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব— যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী গর্বের সঙ্গে বলতে পারবে, আমি ও এ.এফ. রহমান হলের শিক্ষার্থী।”

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ অক্টোবর ২০২৫, ২২:০৮

স্বপ্নযাত্রা দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৫- অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। শেষবার এই নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও ফিরছে তাদের নিজস্ব প্রতিনিধিত্বের অধিকার, ফিরছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন প্রভাত।ক্যাম্পাসজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ছাত্ররা ভাবছে, আলোচনা করছে, কল্পনা করছে— কেমন হবে একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়।

এই নবজাগরণের অগ্রযাত্রায় এক তরুণ মুখ হয়ে উঠেছেন মো. হিমেল খান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০–২১)। তিনি এ.এফ. রহমান হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রচারণা ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। হিমেল খান ভিপি পদপ্রার্থীর কথা গুলো তুলে ধরেছেন -তানজিল কাজী 

প্রার্থী নয়, ভাই বা বন্ধুর মতো পাশে থাকতে চাই- প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরে দেখতেছি ক্যাম্পাসহলে, কটেজে  প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে যাচ্ছি।

  হাসিমুখে সবার সাথে কথা হইতেছে, মনযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনতেছি, আর চেষ্টা করি তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে।“শিক্ষার্থীদের সমস্যা মানে আমার সমস্যা। আমি প্রার্থী হিসেবে নয়, একজন ভাই বা বন্ধুর মতো তাদের পাশে থাকতে চাই।”এই কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে তাঁর নেতৃত্বের দর্শন।

  প্রকৃত প্রতিনিধি সেই ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার আসনে নয়— মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

তাঁর প্রচারণা কেবল ভোটের আহ্বান নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবেগের বন্ধন তৈরি করা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা— এই তাঁর মূল লক্একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও মানবিক এ.এফ. রহমান হল-

আমার  দৃষ্টি পরিষ্কার “এ.এফ. রহমান হল হবে আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত, স্বচ্ছ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি মডেল হল।”হলের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হোক শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে।

ডিজিটাল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে আমি গড়ে তুলতে চাই এমন এক পরিবেশ, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী জানতে পারবে কীভাবে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছে।শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে আমি গঠন করতে চাই একটি বিশেষ শিক্ষার্থী তহবিল, যাতে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পায় বৃত্তি ও সহায়তা।

রিডিং রুমে নতুন বই, আধুনিক আলো-হাওয়ার পরিবেশ এবং নিয়মিত ক্যারিয়ার ও হায়ার স্টাডি সেমিনার আয়োজনও আমার পরিকল্পনাখাবার ও নিরাপত্তায় পরিবর্তনের ছোঁয়া-একজন শিক্ষার্থীর উন্নতির মূল ভিত্তি তার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বস্তি— এই বিশ্বাস থেকেই  আমার প্রতিশ্রুতি:

হলে থাকবে একটি স্বাস্থ্যকক্ষ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।ক্যান্টিনে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করবেন পুষ্টিবিদ, আর প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ মেনুতে মানসম্মত গরু বা খাসির মাংস।খাবারের মান খারাপ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাদের সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ডাইনিংয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া ওয়াশরুমে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, টিস্যু ও সাবান সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুরো হল থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।

প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে বিশুদ্ধ পানি ফিল্টার, উচ্চগতির ফ্রি ইন্টারনেট, এমনকি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সুবিধার জন্য সেলুন ও লন্ড্রি সার্ভিস চালুরও অঙ্গীকার করেছ

অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও সমান গুরুত্বপূর্ণ-

আমি বিশ্বাস করি আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাই আমার পরিকল্পনা রয়েছে  ডরমেটরি ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাস শেষে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতে পারবেন।

তাদের জন্য গঠন করা হবে বিশেষ প্রতিনিধি টিম, যারা দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।

খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও থাকবে সমানভাবে।“অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও আমাদের পরিবারের সদস্য— তাদের সম্মান, সুযোগ ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে।

একটি প্রাণবন্ত হল সংস্কৃতি-

সংস্কৃতি ও খেলাধুলা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অপূর্ণ।, প্রতি তিন মাসে একবার অনুষ্ঠিত হোক ‘হল ফেস্ট’, যেখানে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেবে।

নিয়মিত বিতর্ক, নাটক, সংগীত, সাহিত্য ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হবে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল ক্যাম্পাস সংস্কৃতি।হলের চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধনে আমি চাই ফুলের বাগান, গাছপালা, পরিচ্ছন্নতা, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।একটি পরিচ্ছন্ন হল মানেই একদল সুশৃঙ্খল ও আত্মসম্মানবোধে উজ্জ্বল শিক্ষাররাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও ঐক্যের বার্তা-

সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার— রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ভাইকালচারহীন একটি হল।

  এ.এফ. রহমান হল হবে এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে। সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিআমাদের হল হবে এমন একটি পরিবার— যেখানে সবাইকে শোনা হবে, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু বিভেদ থাকবে না, আর আমরা একসঙ্গে কাজ করব একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়—

এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক, গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জন্ম, এবং একটি নতুন প্রজন্মের দায়িত্ববোধের সূচনএই নবযাত্রার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আমি হিমেল খান অঙ্গীকার করছি —“আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলব এমন একটি হল, যা হবে আধুনিক, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব—

যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী গর্বের সঙ্গে বলতে পারবে, আমি ও এ.এফ. রহমান হলের শিক্ষার্থী।”

বিষয়ঃ

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।