শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

সাদামাটা আয়োজনে পবিপ্রবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, শিক্ষার্থীদের হতাশা

২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যখন নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে, তখন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) দিবসটি পালন করেছে একেবারেই নীরবে এবং সাদামাটা আয়োজনে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে ছিল শুধুমাত্র একটি ক্ষুদ্র পরিসরের র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল সীমিত। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৫৩

২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যখন নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে, তখন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) দিবসটি পালন করেছে একেবারেই নীরবে এবং সাদামাটা আয়োজনে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে ছিল শুধুমাত্র একটি ক্ষুদ্র পরিসরের র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল সীমিত। এর বাইরেও পুরো ক্যাম্পাসে ছিল না কোনো দৃশ্যমান সাজসজ্জা, ব্যানার, ফেস্টুন কিংবা আলোকসজ্জা। মূল ফটক থেকে শুরু করে একাডেমিক বা প্রশাসনিক ভবন—সবখানেই দিবসটি উদযাপন নিয়ে প্রশাসনিক অনাগ্রহের স্পষ্ট ছাপ ছিল।

আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো, অধিকাংশ শিক্ষার্থী জানতোই না যে এদিন কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতির অভাবে অনুষ্ঠানটি প্রাণহীন হয়ে পড়ে। র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেয় সৃজনী বিদ্যানিকেতন স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী, যাদের উপস্থিতি মূলত আনুষ্ঠানিকতা পূরণের অংশ ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন,

“২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল আমাদের ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। অথচ তার বর্ষপূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো উৎসাহ ছিল না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দিকেও কোনো নজর দেওয়া হয়নি—না খাবারের ব্যবস্থা, না স্মারক, না কোনো অংশগ্রহণমূলক আয়োজন। প্রশাসন দায়সারা কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করেই দায়িত্ব শেষ করেছে।”

আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন,

“অনুষ্ঠান যে হবে, তা অনেকেই জানত না। কোনো নোটিশ, পোস্টার বা প্রচারণা ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ছিল না একটিও ব্যানার বা শোভা বর্ধনের চিহ্ন। দেখে মনে হয়েছে, প্রশাসন দিবসটি উদযাপনের চেয়ে শেষ করার দিকেই বেশি মনোযোগী ছিল।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশালসহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যখন তাদের ক্যাম্পাস সাজিয়ে, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবার, চিত্রাঙ্কন, বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, মুক্ত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে দিবসটি স্মরণীয় করে তুলেছে, তখন পবিপ্রবিতে এমন শীতল আচরণের কারণ কী?

এই বিষয়ে ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মহসীন হোসেন খান বলেন,

“মাইলস্টোন কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় আমরা শোকাহত। এজন্য বড় পরিসরে আয়োজন করা হয়নি। আজকের র‍্যালি ও আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ খুব বেশি ছিল না, এর দায় শিক্ষার্থীদের।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ খাবার, ফেস্ট, সাজসজ্জা, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, জাতীয় পতাকা—এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা কিছু বলেনি, তাই আমরা চিন্তাও করিনি। এখানে আয়োজক কমিটি বা প্রশাসনের কোনো গাফিলতি ছিল না। এর দায় সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের। পাশাপাশি বাজেট স্বল্পতার কারণেও কিছু কিছু কাজ করা সম্ভব হয়নি।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।