মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

টেকসই ভবিষ্যতের সন্ধানে: জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পথগুলোর বিভিন্ন ধারণা ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে। আজ বৃহস্পতিবার ১৭ জুলাই সকাল ৯.৩০ মিনিটে যবিপ্রবির অধ্যাপক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৫, ২১:৪৪

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পথগুলোর বিভিন্ন ধারণা

ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে।

আজ বৃহস্পতিবার ১৭ জুলাই সকাল ৯.৩০ মিনিটে যবিপ্রবির অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারীতে “ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল পাথওয়েজ -রিশেপ ২০৫০” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে যবিপ্রবির ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ।

কনফারেন্সে যবিপ্রবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, বিশ্বের আবহাওয়া ও জলবায়ু ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন হচ্ছে।

এই কনফারেন্সের মাধ্যমে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এবং সেটির প্রভাবগুলির সাথে পরিবেশ, সমাজ ও অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে স্বার্থে কাজ করার জন্য কৌশলগত আধুনিক মানানসই ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন জ্ঞান আহরন করবে

এবং নিজেদের দক্ষ জনবল হিসেব গড়ে তুলবে। এই কনফারেন্স একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও চিন্তা চেতনা পরষ্পরের সাথে আদান প্রদানের মাধ্যমে একজন দক্ষ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে।

শিক্ষার্থীরা বক্তাদের কাছ থেকে আবহাওয়া ও জলবায়ু সংক্রান্ত আরো নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। তিনি বলেন, আমরা নিজেরাই পরিবেশ নষ্ট করি তাই আমাদের নিজেদেরকে আগে সচেতন হতে হবে এবং একই সাথে অন্য সবাইকে আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন

ও প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতন করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা নতুন নতুন চিন্তাভাবনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবে, নতুন বিষয়ে জানবে ও আন্ত-বিভাগীয় সম্পর্ক বৃদ্ধি করবে।

এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ ও অর্জিত জ্ঞান তোমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ ও সচেতন মানুষ হিসেব গড়ে তুলবে।

কনফারেন্সে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. হামিদুল হক, ডিপার্টমেন্ট অফ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ও ডিন, স্কুল অব হিউম্যানেটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস্,

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা, বাংলাদেশ; ড. মোঃ শিবলী সাদিক, সিনিয়র ওয়াটার রিসোর্সেস পলিসি অ্যাডভাইজার, অ্যাম্বাসি অব দ্যা নেদারল্যান্ডস ইন বাংলাদেশ, ঢাকা, বাংলাদেশ ও জাহিদ আমিন শ্বাশত,

হেড অব প্রোগ্রাম, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ওয়াটার গভার্নেন্স (উত্তরন), তালা, সাতক্ষীরা। বক্তারা প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, নগর স্থিতিস্থাপকতা, জলবায়ু শাসন, পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি, কৃষি

এবং খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু কর্মকাণ্ড এবং টেকসই পথ বলতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের পথ সম্পর্কে গবেষণালদ্ধ তথ্য, উপাত্ত ও পরিসীমা বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উক্ত কনফারেন্সের আহবায়ক ও সিডিএম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ওরাল ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ, ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও আলোকচিত্র গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিডিএম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোঃ নাভিদ আনজুম।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।