বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

টেকসই ভবিষ্যতের সন্ধানে: জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পথগুলোর বিভিন্ন ধারণা ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে। আজ বৃহস্পতিবার ১৭ জুলাই সকাল ৯.৩০ মিনিটে যবিপ্রবির অধ্যাপক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৫, ২১:৪৪

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পথগুলোর বিভিন্ন ধারণা

ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে।

আজ বৃহস্পতিবার ১৭ জুলাই সকাল ৯.৩০ মিনিটে যবিপ্রবির অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারীতে “ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল পাথওয়েজ -রিশেপ ২০৫০” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে যবিপ্রবির ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগ।

কনফারেন্সে যবিপ্রবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, বিশ্বের আবহাওয়া ও জলবায়ু ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন হচ্ছে।

এই কনফারেন্সের মাধ্যমে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এবং সেটির প্রভাবগুলির সাথে পরিবেশ, সমাজ ও অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে স্বার্থে কাজ করার জন্য কৌশলগত আধুনিক মানানসই ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন জ্ঞান আহরন করবে

এবং নিজেদের দক্ষ জনবল হিসেব গড়ে তুলবে। এই কনফারেন্স একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও চিন্তা চেতনা পরষ্পরের সাথে আদান প্রদানের মাধ্যমে একজন দক্ষ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে।

শিক্ষার্থীরা বক্তাদের কাছ থেকে আবহাওয়া ও জলবায়ু সংক্রান্ত আরো নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। তিনি বলেন, আমরা নিজেরাই পরিবেশ নষ্ট করি তাই আমাদের নিজেদেরকে আগে সচেতন হতে হবে এবং একই সাথে অন্য সবাইকে আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন

ও প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতন করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা নতুন নতুন চিন্তাভাবনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবে, নতুন বিষয়ে জানবে ও আন্ত-বিভাগীয় সম্পর্ক বৃদ্ধি করবে।

এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ ও অর্জিত জ্ঞান তোমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ ও সচেতন মানুষ হিসেব গড়ে তুলবে।

কনফারেন্সে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. হামিদুল হক, ডিপার্টমেন্ট অফ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ও ডিন, স্কুল অব হিউম্যানেটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস্,

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা, বাংলাদেশ; ড. মোঃ শিবলী সাদিক, সিনিয়র ওয়াটার রিসোর্সেস পলিসি অ্যাডভাইজার, অ্যাম্বাসি অব দ্যা নেদারল্যান্ডস ইন বাংলাদেশ, ঢাকা, বাংলাদেশ ও জাহিদ আমিন শ্বাশত,

হেড অব প্রোগ্রাম, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ওয়াটার গভার্নেন্স (উত্তরন), তালা, সাতক্ষীরা। বক্তারা প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, নগর স্থিতিস্থাপকতা, জলবায়ু শাসন, পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি, কৃষি

এবং খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু কর্মকাণ্ড এবং টেকসই পথ বলতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের পথ সম্পর্কে গবেষণালদ্ধ তথ্য, উপাত্ত ও পরিসীমা বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উক্ত কনফারেন্সের আহবায়ক ও সিডিএম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ওরাল ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ, ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও আলোকচিত্র গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিডিএম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোঃ নাভিদ আনজুম।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।