শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

উচ্চশিক্ষা

ডিআইইউ’র কালচারাল ক্লাব এর নেতৃত্বে সিয়াম-মেহেদী

তানজিল কাজী ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ( ডিআইইউ) কালচারাল ক্লাব এর ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্লাবের সভাপতি হিসেবে আছেন সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সিয়াম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান। বুধবার রাতে ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের পেইজ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৩:৫২

তানজিল কাজী ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ

দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ( ডিআইইউ) কালচারাল ক্লাব এর ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্লাবের সভাপতি হিসেবে আছেন সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সিয়াম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান।

বুধবার রাতে ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের পেইজ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের কো- অর্ডিনেটর ও সহকারী অধ্যাপক – ওমর ফারুক।
এছাড়া সহযোগী উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন -রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রভাষক শেখ দোয়েল এবং বিবিএ বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসান।

কালচারাল ক্লাব কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ,
সহ সভাপতি – সুহানা নুর জান্নাতি, আইন বিভাগ
সহ সভাপতি – আরমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
সহ সভাপতি – মো: রায়হান চৌধুরী তুষার, কম্পিউটার সাইন্স বিভাগ
সহ সাধারণ সম্পাদক – ফয়সাল হাবীব, ফার্মেসি বিভাগ
সহ সাধারণ সম্পাদক- রাসেল বাসুনিয়া, ইলেক্ট্রিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ
সহ সাধারণ সম্পাদক- মারজুক মুসতাভি মিরাজ, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ
ট্রেজারার – জাওয়াদ মাহমুদ, বিবিএ
সহকারী ট্রেজারার – রাহিকুল মাকতুম সানজি, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ
সহকারী ট্রেজারার – মিথী মুখার্জি, বিবিএ
সহকারী ট্রেজারার – ইসরাত জাহান ইরাদ, কম্পিউটার সাইন্স
সাংগঠনিক সম্পাদক- মুরাদ সরকার, সিভিল ইন্জিনিয়ারিং
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক- তাসনিম, ইংরেজি বিভাগ
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক- ফাহিম মাহমুদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক- পারভিন, অর্থনীতি বিভাগ
মিডিয়া সম্পাদক – ফাহিম আহমেদ, কম্পিউটার সাইন্স
সহ মিডিয়া সম্পাদক – অপূর্ব কুমার, সিভিল ইন্জিনিয়ারিং
সহ মিডিয়া সম্পাদক – আনিসুর রহমান ফিলু, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার- শরিফুল আমিন সাজু, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
সহ ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার – জিনিয়া জাফরিন তন্বী, ফার্মেসি বিভাগ
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন –
সিনথিয়া ফেরদৌসি সুমইায়া, ফার্মেসি
কৌশিক বিশ্বাস, ইইই
সজন সরকার, সমাজ বিজ্ঞান
জান্নাত নাফিলানুর ইশা, ইংরেজি
মহিমিনু খান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান
সুমাইয়া হক ইশা, ইংরেজি
আশরাফুল ইসলাম শিশির, ফার্মেসি
ফারিহা ইসলাম ফাইমা, বায়োকেমিস্ট্রি
সুরাইয়া সৃষ্টি, ইংরেজি
জাদিত রাহাত, রাষ্ট্রবিজ্ঞান
আবীর হোসেন, সিভিল ইন্জিনিয়ারিং
স্বর্ণালী ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি

কালচরাল ক্লাবের সভাপতি মো. সিয়াম বলেন,

প্রথমত ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি শুভেচ্ছা
আমার আশা ও প্রত্যাশা ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব দেশব্যাপী পরিচিত লাভ করবে এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সংস্কৃতমনা শিক্ষার্থীদের আস্থার জায়গা হয়ে উঠবে।

প্রতিটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি কিছু কলেজ ও কালচারাল ক্লাব কার্যক্রম চালিয়ে থাকে।
এবং কালচারাল ক্লাবগুলো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি চর্চার পাথেয় হিসেবে কাজ করে এবং সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা শিক্ষিত সমাজের কাছে অধিকতর সহজ ও স্বাভাবিক করে তোলে।
বিভিন্ন আন্ত-বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করে থাকে।
ডিআইইউ কালচারাল ক্লাব এই ধারা বজায় রাখতে বিগত কয়েকটি আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করেছে।
এবং আমাদের ক্লাব থেকে সংস্কৃতমনা শিক্ষার্থীদের চর্চায় উৎসাহিত করতে দেশের স্বনামধন্য তারকাদের এনে ওয়ার্কসপের আয়োজন করার পরিকল্পনা আছে।

কালচারাল ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ওমর ফারুক বলেন,

ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আমার লক্ষ্য হলো এই ক্লাবকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের সাংস্কৃতিক দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারে এবং নিজেদের ব্যক্তিত্বকে আরও পরিপূর্ণ করতে পারে।

ক্লাবের কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চাই, যেন তারা নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নিবেদিত হয়।
আমাদের শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতিকে কেবল একটি কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে লালন করুক, এটাই আমার প্রত্যাশা।

গান, নৃত্য, নাটক, চিত্রকলা, ফটোগ্রাফি এবং অন্যান্য সৃজনশীল ক্ষেত্রের মাধ্যমে তারা যেন তাদের প্রতিভাকে বিকশিত করতে পারে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দিতে পারে।
এছাড়াও, আমি মনে করি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি আমাদের মানসিক বিকাশ ও সামাজিক সংহতির একটি শক্তিশালী উপাদান। ডিআইইউ কালচারাল ক্লাব সেই সংহতিকে আরও দৃঢ় করবে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতা ও নেতৃত্বের মানসিকতা গড়ে তুলবে।

আমরা ভবিষ্যতে আরও নান্দনিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম আয়োজন করব এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করব, যেখানে তারা তাদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত করতে পারে।

আমি ক্লাবের প্রতিটি সদস্যের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে ক্লাবের উন্নয়ন এবং আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়। সবার সহযোগিতায় আমরা ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারব—এই বিশ্বাস নিয়েই আমি সামনের দিনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

শিক্ষাঙ্গন

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র। ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’ রাত ১২টা […]

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র।

ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’

রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে দেয়া পোস্টটিতে এক ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজারের মতো রিঅ্যাকশন পড়েছে। আর কমেন্ট করা হয়েছে দুইশ’র বেশি। এসব কমেন্টে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের সমালোচনা করেছেন। বিষয়টিকে ডাকসু সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল হিসেবে দেখছেন কমেন্টকারীরা।

সর্ব মিত্রের স্ক্রিনশটটিতে দেখা যায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ ছাড়াও আরও কয়েকজন মিলে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

গলা কেটে শিক্ষিকাকে হত্যার পর নিজেই আত্মহননের চেষ্টা সহকর্মীর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ২০:২৪

ইরফান উল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেছেন ওই ভবনের কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, আজ বিভাগটির আয়োজনে ইফতার মাহফিল থাকায় সাড়ে ৩টায় অফিস শেষেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভাগে অবস্থান করছিলেন। বিকাল আনুমানিক ৪ টার দিকে সভাপতির নিজ কক্ষে চিৎকারের আওয়াজ শুনে ভবনের নিচে থাকা আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে দরজা ধাক্কাধাক্কি করে। দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকায় তারা দরজা ভেঙ্গে ওই শিক্ষিকার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশেই ফজলুরকে নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাতে দেখেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশকে জানালে তারা এসে দুজনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে পৌঁছলে কর্তব্যরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ওই কর্মচারীও আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান তিনি।

বিভাগ সূত্র জানা যায়, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিল। পরে তার বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মাসখানেক আগে বিভাগের সভাপতির সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। শিক্ষার্থীদের ধারণা, এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আজকের ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনের নিচে থাকা এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় আমরা এখানে চারজন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাচ্ছিলেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় প্রায় ২ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। বিষয়টি এ রকম পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী রুমে ঢুকে লক করে দেন।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শুনেই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় একজনের নিথর দেহ ও একজনকে নড়াচড়া অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। পরে জানতে পারি কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন।

ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে ওই কক্ষ থেকে দুই জনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করে। এছাড়া আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার আগেই তার (শিক্ষিকা) অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। আমরা এখানে আসার পর তাকে প্রাথমিকভাবে মৃত হিসেবে পাই। প্রাথমিক অবজারভেশনে শিক্ষিকার গলা কাটা হয়েছে। এছাড়া তারা হাতে ও পায়ে কিছু ইনজুরি রয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন

উচ্চ আদালতের রায়ে ডিভিএম পুনঃঅন্তর্ভুক্তির দাবিতে পবিপ্রবির ভর্তিকৃত ডিভিএম শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা, যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম (জরুরি) একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বি.এসসি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসব্যান্ড্রি ডিগ্রির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় তারা পুনরায় ডিভিএম ডিগ্রি অন্তর্ভুক্তির আবেদন জানিয়েছেন। এ লক্ষ্যে আজ(২৪ ফেব্রুয়ারি) এএনএসভিএম অনুষদের ডীনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। […]

উচ্চ আদালতের রায়ে ডিভিএম পুনঃঅন্তর্ভুক্তির দাবিতে পবিপ্রবির ভর্তিকৃত ডিভিএম শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১:১৪

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা, যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম (জরুরি) একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বি.এসসি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসব্যান্ড্রি ডিগ্রির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় তারা পুনরায় ডিভিএম ডিগ্রি অন্তর্ভুক্তির আবেদন জানিয়েছেন। এ লক্ষ্যে আজ(২৪ ফেব্রুয়ারি) এএনএসভিএম অনুষদের ডীনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, তারা পূর্বে ডিভিএম ডিসিপ্লিনের নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ৫৪তম (জরুরি) একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিভিএম এবং অ্যানিম্যাল হাসব্যান্ড্রি ডিগ্রি বাতিল করে তাদের বি.এস.সি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসব্যান্ড্রি ডিগ্রির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশন নং ১৭৩১৮/২০২৫ মামলার রায়ে পৃথকভাবে ডিভিএম ও বি.এসসি এএইচ (অনার্স) ডিগ্রি বাতিলের সিদ্ধান্তকে আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হয় এবং স্বতন্ত্র কোর্সসমূহ সমান্তরালভাবে চালু রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। রায়ের আলোকে শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় পূর্বের ডিভিএম ডিগ্রি দাবি জানায়।

এ বিষয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিভিএম ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী সৈকত হাসান বলেন, “আমাদের যখন কম্বাইন্ড ডিগ্রির আওতায় আনা হয়েছিল, তখন জানানো হয়েছিল যে সারা দেশে একক কম্বাইন্ড ডিগ্রি বি.এসসি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসব্যান্ড্রি বাস্তবায়ন করা হবে।

কিন্তু বাস্তবে তা আর কার্যকর হয়নি। এখন হাইকোর্টের রায় আমাদের পূর্বের ডিগ্রি ডিভিএম-এ ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে। যেহেতু ডিভিএম একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ডিগ্রি, তাই আমরা আমাদের মূল ভর্তি ডিসিপ্লিন অনুযায়ী ডিভিএম ডিগ্রি পুনঃবাস্তবায়ন চাই।”

এ সময় অপর আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “ডিভিএম ডিসিপ্লিনে প্রত্যাবর্তনের পেছনে একাডেমিক ও পেশাগত কয়েকটি যৌক্তিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে ডিগ্রির স্বীকৃতি, পেশাগত নিবন্ধন ও উচ্চশিক্ষায় সম্ভাব্য জটিলতা এড়ানো ,ক্রেডিট সমন্বয় বা প্রশাসনিক রূপান্তরজনিত কারণে সেশন জট কিংবা একাডেমিক বিভ্রান্তি দূর করা, মূল ভর্তি ডিসিপ্লিন ও একাডেমিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং পেশাগত পরিচয় ও কর্মজীবনের পরিকল্পনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা।”

শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনকে আইনসম্মত ও একাডেমিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও প্রশাসনিক সমাধান প্রত্যাশা করেছেন। আদালতের রায় যথাযথ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তাদের ডিভিএম ডিসিপ্লিনে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সদয় বিবেচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।