মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নতুন বছরে বুটেক্স শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা 

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি  নতুন বছর মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা, নতুন চ্যালেঞ্জ। অস্থিরতা ও পরিবর্তনের বছর ছিল ২০২৪। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ নানা ঘটনাবহুল বছরটিকে বিদায় জানিয়ে নতুন এক বছরে পা রেখেছে শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শিক্ষার্থীরাও এই নতুন বছরে নিজেদের প্রত্যাশা পুরণের সাথে সাথে নিজের জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রস্তুত। বুটেক্সের তরুণ প্রজন্মের […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:০৮

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি 
নতুন বছর মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা, নতুন চ্যালেঞ্জ। অস্থিরতা ও পরিবর্তনের বছর ছিল ২০২৪। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ নানা ঘটনাবহুল বছরটিকে বিদায় জানিয়ে নতুন এক বছরে পা রেখেছে শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শিক্ষার্থীরাও এই নতুন বছরে নিজেদের প্রত্যাশা পুরণের সাথে সাথে নিজের জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
বুটেক্সের তরুণ প্রজন্মের মনে নতুন বছরের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের সঞ্চার হয়েছে। তারা নিজেদের ক্ষমতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। টেক্সটাইল শিল্পকে আরও উন্নত করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চায় এই তরুণ প্রজন্ম।
বুটেক্সের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে আমারা জানতে পেরেছি নতুন বছরে তাদের প্রত্যাশার কথা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ সাগর হোসেন বলেন, ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পরে দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলো যেনো তার নতুন সজীবতা ফিরে পেয়েছে নতুন উদ্যমে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-ও এর বাইরে নয়। এবং একজন শিক্ষার্থী হিসেবে প্রথম চাওয়া, বুটেক্স পরিপূর্ণ রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে  বিরাজমান থাকবে। হলের মান উন্নয়ন, ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধিকরণ, খাবারের মান উন্নয়ন কারাসহ নানা কাজ করা হবে। আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ এই দিকগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করবেন। নতুন একটি হল করার প্রস্তাবনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে আমাদের, প্রত্যাশা করি তা যেনো নির্দিষ্ট সময়ে সেটা বাস্তবায়িত হয়।
এছাড়া, হলগুলোতে শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশ বজায় থাকুক এবং ছাত্র শিক্ষকের যে মিলবন্ধন তা অটুট থাকুক। সামনের বছরে আমাদের ৪৬তম ব্যাচের বিদায়ে ২০২৪ এর মতো ফেস্ট উদযাপিত হবার প্রত্যাশা রাখি। তাছাড়া সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। ৪৬ তম ব্যাচ হিসেবে আমরা ইতোমধ্যে ৫ বছর ধরে অধ্যয়নরত বুটেক্স ক্যাম্পাসে। আমাদের এইচএসসি সেশনের (২০১৯-২০) বন্ধুবান্ধব অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের স্নাতক সম্পন্ন করেছে অথবা প্রায় শেষের পথে। আমাদের যেনো দ্রুতসময়ে স্নাতক শেষ করার ব্যবস্থা করা হয় সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দৃষ্টি আশা করতেছি। সর্বশেষে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটুক ক্যাম্পাস ও হলগুলোতে। সার্বিক নিরাপত্তায়, বহিরাগতদের যেনো ক্যাম্পাস ও হলে প্রবেশ করতে দেওয়া না হয়। সর্বোপরি বুটেক্স একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস হোক আমাদের জন্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং  বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আশরাফুল হক রাইহান বলেন, আমার স্বপ্নের বুটেক্স হবে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে জ্ঞানের গভীরতা, নৈতিক মূল্যবোধ, এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতি মিলেমিশে এক নতুন পথ তৈরি করবে। এজন্য নিজের ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক প্রসূত কিছু প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করতে পারি যা বাস্তবায়ন করলে হয়তোবা নতুন বছরের বুটেক্স সবার স্বপ্নের বুটেক্স হতেও পারে:
১। গবেষণার শক্ত ভিত্তি প্রতিস্থাপন: বুটেক্সকে তার গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা, এবং রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে গবেষণাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের গবেষণা হবে বিশ্বমানের।
২। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ২.০ এর অনন্য পরিচিতি প্রতিষ্ঠা: বুটেক্সকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরিচিত করতে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও গবেষণা বিনিময়ের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন, বিশ্বমানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী আনয়ন, বৈদেশিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি, এবং বৈশ্বিক ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বুটেক্সকে বিশ্বের মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করতে হবে।
৩। পারিপার্শ্বিক গণ্ডি প্রসার: বুটেক্সের গণ্ডি শুধু একাডেমিক ভবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অবকাঠামোর দ্রুত ও স্থায়ী প্রসারসহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ দেওয়া, এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বুটেক্সকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।
৪। উদ্ভাবন ও সংস্কৃতির সংমিশ্রণ: বুটেক্সের প্রতিটি কার্যক্রম এমনভাবে পরিচালিত হোক, যেখানে উদ্ভাবনী চিন্তা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সংমিশ্রণ ঘটে। শিক্ষার্থীরা যেন তাদের সৃজনশীলতাকে কেবল পেশাগত জীবনে নয়, বরং মানবিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য কাজে লাগাতে পারে।
যেদিন বুটেক্স এই নবজাগরণের পথে এগিয়ে যাবে, সেদিনই হবে বুটেক্সের প্রকৃত নতুন বছর। এ যাত্রার জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বুটেক্সের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন কথা বলে—উন্নয়ন, উদ্ভাবন, এবং নেতৃত্বের গল্প।
 বুটেক্স, এখন সময় এগিয়ে যাওয়ার, সময় নতুন ভবিষ্যতের দিগন্ত উন্মোচনের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মারুফ বলেন, ২০২৪এ বুটেক্স অনেক চড়াই-উতরাই পার করেছে, সম্মুখীন হয়েছে বহু প্রতিকূলতার পাশাপাশি এনেছে বেশ কিছু সম্ভাবনাময় পরিবর্তন। আশা করছি ২০২৫ এর বুটেক্স এক নতুন উদ্যমে তার যাত্রা শুরু করবে। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রত্যাশা থাকে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর। যেখানে আমরা দেখতে পেরেছি, বুটেক্স তার অধিকাংশই নিশ্চিত করতে ব্যর্থ। নিরাপত্তাজনিত দুর্বলতা, উপযুক্ত গবেষণার পরিবেশ না থাকা, শিক্ষক এবং ক্লাসরুম সংকট, ফলাফল পদ্ধতির ডিজিটালাইজেশন না থাকা ইত্যাদি বহু বছর ধরে চলমান সমস্যা। আশা করছি নতুন বছরে বুটেক্স প্রশাসন উক্ত সমস্যাগুলো আমলে নিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবে পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও তাদের সর্বোচ্চ প্র‍য়াস করবে যাতে সম্মিলিত উদ্যগে বুটেক্স সংস্কারের কাজ করা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নাঈম বলেন, নতুন বছরের বুটেক্স শিক্ষার্থী হিসেবে, আমার নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রত্যাশাগুলো:
প্রথমত, গুণগত মানের শিক্ষা। আমি আশা করি, এখানে এমন একটি শিক্ষার পরিবেশ পাব যেখানে শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান নয়, বরং বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধান শেখানো হবে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রত্যেকটি বিষয়কে গভীরভাবে বোঝার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ চাই।
দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন। আমি চাই আমাদের ল্যাবগুলো আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত হোক, যাতে আমরা শিল্পখাতে ব্যবহৃত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারি এবং তা প্রয়োগ করতে শিখি।
তৃতীয়ত, ক্যাম্পাসের পরিবেশ। শিক্ষাজীবন উপভোগ্য করতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাস পরিবেশ অপরিহার্য। পাশাপাশি আবাসন ব্যবস্থা, ক্যাফেটেরিয়া এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত হওয়া উচিত।
অবশেষে, আত্মোন্নয়ন ও নেতৃস্থানীয় দক্ষতা অর্জন। আমি আশা করি, বুটেক্স আমাকে শুধু একজন দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নয়, একজন দায়িত্বশীল ও সৃজনশীল নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে।
আমার এই প্রত্যাশাগুলো শুধু আমার স্বপ্ন নয়, বরং আমি বিশ্বাস করি, এগুলো অর্জনের মধ্য দিয়েই আমি বুটেক্সের গৌরবকে আরও উজ্জ্বল করতে পারব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইজ অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং  বিভাগের ৫০ ব্যাচের শিক্ষার্থী শরীফ আবির আহমেদ অনি বলেন, নতুন বছরের সূচনা আমাদের প্রত্যেকের জন্য নতুন আশা, নতুন পরিকল্পনা এবং নতুন উদ্যম নিয়ে আসে। আমরা যারা বুটেক্সের শিক্ষার্থী, আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এখানে কাটছে। আমরা প্রত্যাশা করি একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা। বিশ্ব যখন প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের শিক্ষাক্রমেও সেই উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া দরকার। আমরা চাই, এমন একটি পরিবেশ যেখানে গবেষণার সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আমাদের কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হবে। আমরা চাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধাগুলো আরও উন্নত হোক। নতুন ল্যাব, লাইব্রেরি, এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও প্রগতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের প্রত্যাশার অন্যতম অংশ। যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।
বিষয়ঃ

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।