রাবি প্রতিনিধি, এম এ আতিকুর রহমান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছেলেদের ১১টি আবাসিক হল ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেশিয়ামের জন্য জিমের সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে হল সংসদগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে এসব সরঞ্জাম আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে রাকসু নেতারা। তবে একই দিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাকসু ও হল সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদের নামে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা বিধিসম্মত নয়।
রাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ১১টি আবাসিক হল এবং মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেশিয়ামের জন্য প্রয়োজনীয় জিম সরঞ্জাম ঢাকা থেকে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় হল সংসদগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে এসব সরঞ্জাম আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট হলগুলোতে পৃথকভাবে সরঞ্জামগুলোর উদ্বোধন করা হবে।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাকসু ও হল সংসদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রাকসুর পক্ষ থেকে বিভিন্ন হল সংসদের মাধ্যমে জিমনেশিয়ামের সরঞ্জাম সরবরাহসহ নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য ও সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এসব তথ্য ও সংবাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ।
এতে আরও বলা হয়, রাকসু ও হল সংসদের মেয়াদ গত ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শেষ হয়েছে। ফলে ওই তারিখের পর তাদের কোনো কার্যক্রম বিধিসম্মত নয়। একই সঙ্গে রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্রসংগঠনের তৎপরতাও বিধিবহির্ভূত।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে রাকসু ও হল সংসদের নাম ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
এ বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তির কমেন্টে জানান, “কতবড় ননসেন্সগুলা, গাম্বাট বসে আছে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগোলতে একটাবার চিন্তা করেন।
রাকসুর সর্বশেষ অধিবেশন হয়েছে সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ। তারপর এই বাজেট উত্তোলন করতে পেরেছি এই মাসের ২১তারিখ। ১১টি ছেলেদের হল আর মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়াম এর জিনিস অর্ডার করে নিয়ে আসতে সময় লেগেছে।
এজন্য এখন আর এই কাজ করা যাবেনা।
অধিবেশনে পাশ হওয়া এখনো মিনিমাম ডজনখানেক কাজ চলমান। তো এগুলো রাকসু শেষ করবেনা?”