মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমোহনে রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন (ভোলা):  ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালমা গ্রামের আহমদ আলী মাতাব্বর বাড়ি এলাকার এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে থাকেন। একই সঙ্গে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। দশ বছর পার […]

লালমোহনে রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:৫৩

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন (ভোলা): 

ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালমা গ্রামের আহমদ আলী মাতাব্বর বাড়ি এলাকার এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে থাকেন।

একই সঙ্গে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। দশ বছর পার হয়ে গেলেও খুঁটিটি সরানোর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় বড় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। ফলে পণ্য পরিবহন, কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এমনকি ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ইট, বালু ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এলাকাবাসী জানান, ২০১৫ সালে কালমা এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের এক ঠিকাদার সড়কের মাঝখানেই খুঁটি স্থাপন করেন। সে সময় স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

এমনকি তখন লালমোহন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তৎকালীন ডিজিএমকে অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ওই এলাকার বাসিন্দা আলামিন মাতাব্বর বলেন, “বিদ্যুৎ দেওয়ার সময় আমরা সবাই বাধা দিয়েছিলাম।

বলেছিলাম রাস্তার পাশে খুঁটি বসাতে। কিন্তু ঠিকাদার কোনো কথা শোনেনি। কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা কোনো সমাধান না দিয়ে জোর করে খুঁটি বসিয়ে দেয়।” 

তিনি আরও জানান, ওই সময় সড়কটি মাটির ছিল। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর নিজস্ব উদ্যোগে ও অর্থায়নে রাস্তার ওপর ইটের গুড়ি ফেলে কিছুটা চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার মাঝখানে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিটি এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, খুঁটিটি শুধু যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে না, বরং সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করছে এবং যে কোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে রাতে কিংবা বর্ষাকালে অল্প আলোতে চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটিটি রাস্তার মাঝখান থেকে সরিয়ে সড়কের পাশে স্থাপন করা হোক। এতে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা কর্তপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

লালমোহন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অনেক বছর আগের। হয়তো তখন রাস্তা সম্প্রসারিত ছিল না। খুঁটি সরানোর জন্য পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব বরাদ্দ থাকে না বলে তিনি জানান।

এখন যেহেতু রাস্তাটি সম্প্রসারিত হয়েছে, তাহলে অবশ্যই রাস্তা পাকা করা হবে। যেই বিভাগ থেকে রাস্তা পাকা করা হবে তখন ওই বিভাগ থেকে আবেদন দিয়ে নিজ খরচে খুঁটি সরাতে হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।