সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নলডাঙ্গায় ন্যায্য মূল্যে সার পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা

মনিরুল ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কিষোয়ার হোসেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত স্বচ্ছ সার বিতরণ কার্যক্রমে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক সন্তুষ্টি ও আস্থা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নলডাঙ্গায় বর্তমানে ১৭টি অনুমোদিত সার ডিলার রয়েছেন। প্রতিটি ডিলারের দোকানে ট্যাগকৃত উপসহকারী […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:২৮

মনিরুল ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কিষোয়ার হোসেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত স্বচ্ছ সার বিতরণ কার্যক্রমে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক সন্তুষ্টি ও আস্থা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নলডাঙ্গায় বর্তমানে ১৭টি অনুমোদিত সার ডিলার রয়েছেন। প্রতিটি ডিলারের দোকানে ট্যাগকৃত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকরা তাঁদের চাষযোগ্য জমির পরিমাণ অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন। প্রতিটি বিক্রির সময় ক্যাশ মেমো প্রদান বাধ্যতামূলক করায় সার বিতরণে অনিয়ম বা মজুতদারির সুযোগ কমে গেছে।

ফলে এখন শতভাগ নিশ্চয়তার সঙ্গে কৃষকরা তাঁদের প্রাপ্য সার পাচ্ছেন। এতে কৃষি অফিসের প্রতি কৃষকদের আস্থা বেড়েছে এবং উপজেলা জুড়ে এই উদ্যোগের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কিষোয়ার হোসেন বলেন,

“আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কোনো কৃষক যেন বঞ্চিত না হন এবং কেউ যেন অতিরিক্ত সার মজুত করতে না পারেন। প্রতিটি ধাপে আমরা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছি। কৃষক তার জমির উপযুক্ত পরিমাণ সার পাচ্ছেন, সেটিই আমাদের সফলতা।”

তিনি আরও জানান, সঠিক সার প্রয়োগ সম্পর্কে কৃষকদের সচেতনতা বাড়াতে ইতোমধ্যে ৪ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এতে ফসলভিত্তিক সার ব্যবহারের সঠিক মাত্রা, সময় ও পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ করে উর্বরতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরীক্ষার ফল অনুযায়ী কৃষকদেরকে জমির গুণাগুণ অনুযায়ী সঠিক সার প্রয়োগ ও ফসল ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মাধবপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম, ধনকোড়া গ্রামের মোঃ শামীম এবং হলুদঘর গ্রামের শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক বলেন,

“আগে সার নিতে গিয়ে অনেক ভোগান্তি হতো, এখন নিয়ম মেনে ঠিক দামে সার পাচ্ছি। খরচ কমেছে, সময়ও বাঁচছে। এখন আর দালাল বা বাড়তি দামের ঝামেলা নেই।”

অন্যদিকে বৈদ্যবেলঘড়িয়া গ্রামের মোঃ আমন আলী ও বাসুদেবপুর গ্রামের খোরশেদ আলী উপজেলা কৃষি অফিসে এসে কর্মকর্তাদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন,

“এমন স্বচ্ছ সার বিতরণ ব্যবস্থা সারা দেশেই চালু করা উচিত। এতে কৃষক হয়রানি কমবে, উৎপাদন বাড়বে, আর দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।”

এমন অভিনব সার বিতরনের বিষয়টি ডিলাররাও দেখছেন ইতিবাচক দৃষ্টিতে,উপজেলার মন্ডল ট্রেডার্স, ভাই ভাই স্টোর ও ফাতেমা ট্রেডার্সের মালিকরা জানান,কৃষি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সার বিক্রি করছি। কর্মকর্তারা নিয়মিত দোকানে আসেন ও তদারকি করেন। এতে আস্থা ও স্বচ্ছতা দুটোই বজায় থাকছে। এতে কৃষক ও ডিলার—দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে।”

এই উদ্যোগের ফলে শুধু সার বিতরণেই নয়, কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, মাটি পরীক্ষা ও সঠিক সার ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বেড়েছে। এখন কৃষকরা জানেন কোন ফসলে কতটুকু সার প্রয়োগ করলে সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায়।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসের এই কার্যক্রমকে স্থানীয় জনসাধারণ একে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও সেবার নতুন মডেল হিসেবে দেখছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের স্বচ্ছ সার বিতরণ ব্যবস্থা, মাঠপর্যায়ের তদারকি, মাটি পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ নলডাঙ্গার কৃষিতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এ ধরনের উদ্যোগ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লে কৃষক বাঁচবে, কৃষি বাঁচবে, আর দেশও হবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।