মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম বন্ধ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ ভবনের দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজন। এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন, গলাচিপা […]

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম বন্ধ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:১৭

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ ভবনের দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজন।

এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন, গলাচিপা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. জিয়াউর রহমান জিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আরিফ বিল্লাহ, মাও. মো. মাহমুদুল হাসান,

গলাচিপা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, গলাচিপা উপজেলা ছাত্র অধিকার সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুন্না, রেড ক্রিসেন্ট গলাচিপা উপজেলা শাখার দলপ্রধান মো. ফিরোজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো.শাহেদ হোসেন, মো.শাহেদ আহমেদ জয় প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবায় নানা অনিয়ম চলছে। চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, পর্যাপ্ত ওষুধের অভাব এবং ভবনের বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তারা আরও বলেন, গলাচিপা হাসপাতালের বর্তমানে এমন অবস্থা যে এখানে কেউ চিকিৎসা নিতে আসলে সে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাছাড়া এখানকার নার্স, ডাক্তাররা এমন আচরণ করে যেন রোগীরা মানুষই না। একটি উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কেন্দ্র যদি অচল হয়ে পড়ে, তাহলে তা স্থানীয়দের জন্য এটি ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। তাই দ্রুত সংস্কার ও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এখন সময়ের দাবি।

পরে গলাচিপা সরকারি কলেজের ছাত্রী নাইমা হক মেঘলা ও তরিকুল ইসলাম মুন্না গলাচিপা সরকারি হাসপাতাল সংস্করণে ৯ দফা দাবি উল্লেখ করেন তা হলো:

স্বল্পমেয়াদী কর্মসূচি (দফা)

১. আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে হাসপাতাল এবং হাসপাতাল-সংলগ্ন এলাকার সকল ধরনের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করিতে হইবে।

২. আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টয়লেট, বাথরুম এবং বেসিনসহ সকল ধরনের স্যানিটেশন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ব্যবহার উপযোগী করিতে হইবে।

৩. আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগীদের জন্য মাসিক খাদ্যতালিকা ও সরকারি বরাদ্দের হালনাগাদ তালিকা বোর্ডে প্রকাশ করিতে হইবে।

দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি (দফা)

১. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে শূন্য পদে কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করিতে হইবে।

২. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পুরাতন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহের সংস্কারের কাজ শুরু করিতে হইবে।

৩. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সিজার ব্যাবস্থা এবং রোগীদের জন্য আধুনিক ল্যাব. ও এক্স-রে রুম স্থাপন করিতে হইবে।

৪. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে হাসপাতালে আধুনিক স্টোর রুম, ডিজিটাল টোকেন ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালু করিতে হইবে।

৫. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ডিউটি টাইম মনিটরিং এবং অন্তত দুটি সচল অ্যাম্বুলেন্স ব্যাবস্থা নিশ্চিত করিতে হইবে।

৬. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জরুরি এবং বহিঃ বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার সকল সরঞ্জামাদি যথাযথ ভাবে হাসপাতালে সরবরাহ রাখিতে হইবে।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ” হাসাপাতালের জনবল সংকট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। স্থানীয়ভাবে যে সংস্কার করা সম্ভব তা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করবো।”

মানববন্ধন শেষে উপস্থিতরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।