মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে ক্যান্সারে আক্রান্ত জান্নাতের পাশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির

‎মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর প্রতিনিধি) ‎নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের এক হতভাগ্য কন্যা জান্নাত ক্যান্সারে আক্রান্ত। দিন দিন তার জীবনীশক্তি কমছে এবং পরিবারের আর্থিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার মা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমার কন্যা দিন দিন হারাচ্ছে জীবনীশক্তি। আমরা নিঃশব্দে কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছি।” এই আহাজারি শুনে মানুষের […]

সুবর্ণচরে ক্যান্সারে আক্রান্ত জান্নাতের পাশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ০০:০২

‎মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর প্রতিনিধি)

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের এক হতভাগ্য কন্যা জান্নাত ক্যান্সারে আক্রান্ত। দিন দিন তার জীবনীশক্তি কমছে এবং পরিবারের আর্থিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার মা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমার কন্যা দিন দিন হারাচ্ছে জীবনীশক্তি। আমরা নিঃশব্দে কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছি।”

এই আহাজারি শুনে মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং মানবিকতার উদাহরণ হিসেবে এগিয়ে আসেন নাছির উদ্দীন নাছির, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি জানান, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব।

‎নাছির উদ্দীন নাছির চট্টগ্রামের বাইরে থাকলেও দ্রুত সুবর্ণচরে ছুটে আসেন। তিনি সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ নেন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন।

প্রাথমিকভাবে জান্নাতের চিকিৎসা ও সহযোগিতার জন্য উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা সমিতি, চট্টগ্রামের পিবিআই সভাপতি আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদের রহমান নয়ন, , এবং মানবিক আব্দুল করিম,ছাত্রনেতা দিদারুল আলম। তারা প্রাথমিকভাবে জান্নাতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করেন।

‎চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে নাছির উদ্দীন নাছির চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণ করেন, রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পরিবারের মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেন। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, জান্নাত বর্তমানে কেমোথেরাপি ও সহায়ক যত্ন নিচ্ছেন।

পরিবারের মানসিক সহায়তা এবং স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতা তার চিকিৎসার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নাছির উদ্দীন নাছির ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনার পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আমরা জান্নাতের সুস্থতার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি এবং পরিবারের পাশে থাকবো।”

‎উপস্থিত নেতারা প্রত্যেকেই জান্নাতের পাশে থাকার জন্য গুরুত্বারোপ করেছেন।

‎আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক বলেন, “নাছির উদ্দীনের এই উদ্যোগ আমাদের সকলের জন্য শিক্ষণীয়। একজন নেতার দায়িত্ব কেবল রাজনৈতিক নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

‎সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদের রহমান নয়ন বলেন, “আমরা এই ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার জন্য সবসময় প্রস্তুত। এটি কেবল জান্নাতের পরিবার নয়, পুরো এলাকার জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করছে।”

‎মানবিক আব্দুল করিম বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক চেতনা বৃদ্ধি করে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার কর্তব্য। আমরা নাছির উদ্দীনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জান্নাতের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।”

‎দিদারুল আলম বলেন, “একটি শিশু যখন অসুস্থ থাকে, তখন আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। আমরা চেষ্টা করব জান্নাতের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।”

‎নাছির উদ্দীন নাছিরের এই মানবিক পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তার সহমর্মিতা ও সহায়তা শুধু জান্নাতের পরিবারের জন্য নয়, পুরো এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

‎ স্থানীয়রা বলেন, “নাছির উদ্দীন ভাই শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি মানবতারও একজন দৃষ্টান্ত।” তার মানবিক উদ্যোগ এলাকার অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে।

‎নাছির উদ্দীন নাছির প্রমাণ করেছেন, রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক নেতৃত্ব মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তার এই কাজ এলাকাবাসীর মধ্যে মানবিক চেতনা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। জান্নাতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে, তিনি মানবিকতা ও দায়িত্বের চিরন্তন মূল্যবোধের উদাহরণ স্থাপন করেছেন।

‎

‎উপস্থিত অন্যান্য সমাজসেবী এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক চেতনা বৃদ্ধি করে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার কর্তব্য।” এটি প্রমাণ করে যে, মানবিক দায়িত্ব রাজনৈতিক পরিচয় বা অবস্থান নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।

‎অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেে নাছির উদ্দীন নাছির এর কার্যক্রম নিয়ে পোস্টে তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

‎নাছির উদ্দীন নাছিরের এই উদ্যোগ কেবল জান্নাতের পরিবারকে নয়, পুরো সম্প্রদায়কে সহমর্মিতার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তার এই মানবিক পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে এবং ভবিষ্যতে এলাকার অন্যান্য নেতাদের জন্যও দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।