বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর লক্ষাধিক টাকার টাইলস আত্মসাত

টুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাইলস আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইঞ্জি. মো. ইউনুছ শরীফ। জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শারদীয় দুর্গাপূজার অবকাশকালীন সময়ে ফাঁকা ক্যাম্পাস থেকে তিনি এসব টাইলস সরিয়ে নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের সামনে রাখা টাইলসগুলো তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কিংবা প্রশাসনকে […]

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর লক্ষাধিক টাকার টাইলস আত্মসাত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:২৩

টুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাইলস আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইঞ্জি. মো. ইউনুছ শরীফ।

জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শারদীয় দুর্গাপূজার অবকাশকালীন সময়ে ফাঁকা ক্যাম্পাস থেকে তিনি এসব টাইলস সরিয়ে নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের সামনে রাখা টাইলসগুলো তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কিংবা প্রশাসনকে না জানিয়ে তাদের অজ্ঞাতসারে সরিয়ে ফেলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছুটি কাটানোর উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাস ছাড়ার পরপরই ইউনুছ শরীফ ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা আড়াইটায় এসব টাইলস সরিয়ে ফেলেন, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ধরা পড়ে। এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ ও ছবি ইতোমধ্যে প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিভিন্ন স্যাম্পলের মোট ৫২০টি টাইলস ইউনুছ শরীফ তার দপ্তরের একজন কর্মকর্তার সহযোগিতায় সরিয়ে ফেলেন, যার বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা।

ফাঁকা ক্যাম্পাসে অবকাশকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ইউনুছ শরীফের এমন কর্মকাণ্ড বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইতিপূর্বে ইউনুছ শরীফের বিরুদ্ধে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধকোটি (৫৩ লাখ ৫০ হাজার) টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল।

নয়টি প্রকল্পের দরপত্র নিয়ে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব অর্থ তিনি আত্মসাৎ করেন। সেসময় তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনি আত্মসাৎকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরতও দেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তার আবারও লক্ষাধিক টাকার এই টাইলস আত্মসাত নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বারবার এমন কর্মকাণ্ডের পরও প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্কের খাতিরে তিনি স্বপদে বহাল আছেন।

শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) পদবীর জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চাপ দিয়ে আসছেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৫১ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে বর্তমানে মো. ওবায়দুল হক দায়িত্বে আছেন। কিন্তু তাকে তার পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে ইউনুছ শরীফ কয়েক বছর ধরে হুমকি দিয়ে আসছেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক ওবায়দুল হক জানান, “দীর্ঘদিন ধরেই ইউনুছ শরীফ আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি সে নিজেও আমাকে পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য গালমন্দ করেছে। স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে সে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর আমি এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ দিয়েছি।”

টাইলস আত্মসাতের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, “উপাচার্য মহোদয় কিংবা কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতসারে টাইলস নেয়া হয়েছিল। আমাকে টাইলস উদ্ধারের জন্য উপাচার্য মহোদয় নির্দেশ প্রদান করেন। আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। টাইলসের সংখ্যা ও গন্তব্য সম্পর্কে তাদের বক্তব্যে গরমিল পাই। অদ্যাবধি টাইলস কর্তৃপক্ষকে ফেরত কিংবা বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইঞ্জি. মো. ইউনুছ শরীফের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।