রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আওয়ামী মবের বাধায় খুলনায় কবর দেওয়া যায়নি আল্লামা সাঈদীকে

অছিয়ত ছিল খুলনার বসুপাড়ায় নিজ হাতে গড়া দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা ও দাফন হবে। নিজের ও স্ত্রীর জন্য দুটি কবরের জায়গা মসজিদের কাছ থেকে কিনেও নিয়েছিলেন। তবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে খুলনায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরে কবর দেওয়া […]

আওয়ামী মবের বাধায় খুলনায় কবর দেওয়া যায়নি আল্লামা সাঈদীকে

আল্লামা সাঈদী

নিউজ ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৭

অছিয়ত ছিল খুলনার বসুপাড়ায় নিজ হাতে গড়া দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা ও দাফন হবে। নিজের ও স্ত্রীর জন্য দুটি কবরের জায়গা মসজিদের কাছ থেকে কিনেও নিয়েছিলেন। তবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে খুলনায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরে কবর দেওয়া হয়। ফলে ১৪ আগস্ট এলেই খুলনার সাঈদীভক্তরা বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আল্লামা সাঈদী। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। জানা যায়, জনপ্রিয় এই ইসলামি ব্যক্তিত্বের মৃত্যুর পর খুলনার দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে লাশ মাদরাসায় আনা এবং অছিয়ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে দাফনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মাদরাসার কামিল বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ ফেরদাউস হোসেন এবং ফাজিল তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ বায়েজিদ ঘটনার রাতে মাদরাসায় ছিলেন। তারা জানান, তখন এশার নামাজ চলছে। নামাজ শেষে মসজিদের মাইকে ওনার মৃত্যুর খবর ঘোষণা দেওয়া হয়। রাত ১০টার দিকে হঠাৎ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মাদরাসার সামনে অবস্থান নেয়। তাদের মিছিল, স্লোগান, উত্তেজক বক্তব্য ও হুমকি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। মাদরাসা ও হেফজখানার ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা গেটে আঘাত করতে থাকে। মনে হয় গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়বে। সে সময় প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থী ভেতরে ছিল। আতঙ্কে সবাই উপরের তলা ও ছাদে উঠে যায়। রাত সাড়ে ১২টা বা ১টার দিকে তারা চলে যায়। তবে সারা রাত পাহারায় ছিল পুলিশ।

সে সময়কার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মিছিলে মহানগর যুবলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ, সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজুল হাসান রাজু, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকির হোসেন বিপ্লব, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার (বর্তমানে মৃত), ১৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা অপু খান, যুবলীগ নেতা মো. হাসান শেখ, পারভেজ আহমেদ পলাশসহ কয়েকশ নেতাকর্মী ছিলেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু মিডিয়ায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক সাংবাদিক নেতার নাম উল্লেখ করে বলেছিলেন, তারাই পারিবারিকভাবে এ জমির মালিক। এখানে যাতে সাঈদীর কবর না হয়, সেজন্য ওই সাংবাদিকের ভাই সোনাডাঙ্গা থানায় একটি জিডি করেছেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান মনি বলেন, বসুপাড়াবাসী একটি বীভৎস রাত পার করেছিল। হঠাৎ করেই শত শত সশস্ত্র মানুষ, তাদের জঙ্গি আচরণ, মাদরাসা ঘিরে ফেলে উত্তেজিত স্লোগান- এখনো অনেকে ওই রাতের কথা চিন্তা করলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন। ওই রাতে বিনা অপরাধে ওরা আমার কাউন্সিলর অফিস ভেঙে তছনছ করে দেয়।

সেদিনের একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, মিছিলে জাকির হোসেন বিপ্লব দুটি শটগান নিয়ে অংশ নেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ প্রায় সব নেতার হাতে হাতে ছিল পিস্তল। এছাড়া বিভিন্ন অলিগলিতে মজুত রাখা ছিল বিপুল পরিমাণ হকিস্টিক, রামদা ও চাপাতি। তবে সাঈদীকে পিরোজপুরে দাফনের সিদ্ধান্ত জানানোর পর তারা ফিরে যান।

শেখ হাসিনার পতনের পর আওয়ামী নেতাদের সবাই আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে জাকির হোসেন বিপ্লব গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে বেরিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন।

খুলনায় আল্লামা সাঈদী প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা (পুরুষ ও নারী), হেফজখানা ও মসজিদ পরিচালিত হয় দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া মাদানিয়া ট্রাস্টের অধীন। ট্রাস্টের বর্তমান চেয়ারম্যান শামীম বিন সাঈদী বলেন, আব্বার অছিয়ত ছিল এখানে তার ও আম্মার দাফন হবে। এজন্য তিনি কবরের জায়গা কিনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার চায়নি বিভাগীয় শহর খুলনায় আব্বার দাফন হোক। তাহলে অনেক বেশি মানুষ কবর জিয়ারতে আসবে। এখানে অনেক লোকসমাগম হবে। মানুষ বেশি বেশি তাকে স্মরণে রাখবে। সরকারের এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল দলটির স্থানীয় কর্মীরা। তাদের নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কবরের জায়গা সেভাবেই আছে। কী করব এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভালো কোনো কাজে লাগানো হবে। একটি স্মৃতি জাদুঘর করা হতে পারে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।