মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামি প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে রং করে দিলো শহরের প্রধান সড়কের ১১ স্পিডব্রেকার

আক্কাছ আলী,মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জের আদালতের চলমান পৃথক দুটি মাদক মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামি প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে সমাজের ভালো কাজের অংশ হিসেবে শহরের প্রধান সড়কের ১১ টি স্পিডব্রেকারে সাদা রঙের কাজ ঈদুল আজহার পরদিন থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেষ হয় রং করার কাজ। শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৫, ২১:১১

আক্কাছ আলী,মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের আদালতের চলমান পৃথক দুটি মাদক মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামি প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে সমাজের ভালো কাজের অংশ হিসেবে শহরের প্রধান সড়কের ১১ টি স্পিডব্রেকারে সাদা রঙের কাজ ঈদুল আজহার পরদিন থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেষ হয় রং করার কাজ।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে আসামীরা নিজ দায়িত্বে ঈদুল আযহার পরদিন তথা গেলো রবিবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটক ’’সেবা বাতায়নের’’ সম্মুখে থাকা স্পিডব্রেকার রং করার কাজ শুরু করে টানা পাঁচ দিনে শহরের দক্ষিন কোর্টগাঁও লিচুতলা, পুরাতন কাচারী এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, মুন্সিগঞ্জ পৌর ভবনের সামনে, শহরের প্রধান বাজার ও শহরের খালইষ্ট এলাকার মোট ১১ টি স্পিডব্রেকারের সাদা রং করার কাজ শেষ করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মো. আবু হানিফ বলেন, সদ্য বিদায়ী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সেবা বাতায়ন গেট হতে শহরের থানার পুল পর্যন্ত প্রতিটি স্পিডব্রেকার এগুলোতে রং করা হয়েছে। সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতেই ওই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্যোগে মহতী এ কাজ করেছেন দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামি।

তিনি আরোও জানান, চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে মুন্সিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- ৩ এর বিচারাধীনে থাকা পৃথক দু’টি মাদক মামলায় ৪ আসামীর প্রত্যেককে ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম।

রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামীরা সমাজের জন্য ভালো কাজ করার সুযোগ চেয়ে প্রবেশনে মুক্তি প্রার্থনা করেন বিচারকের কাছে। এতে বিচারকাজ চলাকালে দুর্ঘটনা এড়াতে জেলা শহরের প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পয়েন্টের স্পিডব্রেকার রং করার জন্য আসামিদের কাছে উপস্থাপন করেন বিচারক। সড়কে নির্বিঘ্ন যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে বিচারকের এমন উদ্যোগে তাৎ¶ণিক সম্মতি জানান আসামীরা। এ সময় ৪ আসামির রায় স্থগিত করে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামিদের প্রবেশনে মুক্তি দেন ওই বিচারক।

এ প্রসঙ্গে অনুভূতি জানতে চাইলে ওই আসামীরা তাদের নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও সমাজের জন্য কাজ করতে পেরেছেন-এটাই তাদের আনন্দ। একইভাবে সমাজের ভালো কাজের ফলস্বরূপ প্রবেশনে মুক্তি পেয়ে আরো ভালো কাজে অংশ গ্রহণ করবেন বলে জানান।

শহরের ব্যাটারিচালিত মিশুক চালক মনির হোসেন বলেন, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্পিডব্রেকার থাকলেও তাতে কোনো রং করা ছিল না। এতে দিনের বেলায় যানবাহন চলাচলে তেমন অসুবিধা না হলেও রাতের বেলায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকত। এখন স্পিডব্রেকার এগুলোতে সাদা রং লাগানো হয়েছে। নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

পথচারী মো. কাসেম মোল্লা (৬২) জানান, স্পিড ব্রেকারে রং না থাকার কারণে অনেক সময়ই ড্রাইভাররা প্যাসেঞ্জারকে বিপদে ফেলে দিতেন। মিশুক কিংবা অটোরিকশা স্পিডব্রেকারে ধাক্কা খেয়ে যাত্রীদের পড়ে যাওয়ার উপক্রম হতো। যারাই এখন স্পিড ব্রেকারে রং করে দিচ্ছেন তারা সমাজের জন্য ভালো কাজ করছেন বলে আমি মনে করি।

এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো.পারভেজ আলম বলেন, প্রবেশন মঞ্জুর করা মূলত বিজ্ঞ আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। কোন ব্যক্তি যখন আইনের দৃষ্টিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার উপক্রম হয় কিংবা ব্যক্তি যদি দোষ স্বীকার করে তখন বিজ্ঞ আদালতের কাছে প্রবেশনের সুযোগ পাওয়ার জন্য আদালতের গোচরীভূত করা যায়।

আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন, আইনের অধীনে প্রবেশন আদেশের শর্তাবলি পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ করে অপরাধী তার সংশোধন ও পুনর্বাসনে উপকৃত হতে পারে, তখন আদালতে নিয়োজিত প্রবেশন অফিসারকে অপরাধীর চরিত্র, প্রাক বংশ পরিচয়, পারিবারিক পারিপার্শ্বিক ও তথ্যাদি বা অবস্থান তদন্ত করে একটি প্রাক দণ্ডাদেশ প্রতিবেদন আদালতের নিকট দাখিল করার অনুরোধ করেন।

তদন্তে প্রবেশন অফিসার যদি বুঝতে পারেন যে, অপরাধীর প্রবেশনের বা সমাজ ভিত্তিক সংশোধনের সুযোগ রয়েছে তা হলে তিনি প্রবেশনের সুপারিশ করেন। অন্যথায় অপরাধীকে শান্তি পেতে হয়। বিজ্ঞ আদালত মামলার কাগজপত্র ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে স্ব-উদ্যোগেও প্রবেশন মঞ্জুর করতে পারেন।

মুন্সিগঞ্জ জেলা ট্র্যাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কারা স্পিডব্রেকারে রং করে দিয়েছে-তা আমার জানা নেই। তবে যাদের টাকায় এ কাজ করা হয়েছে, নিঃসন্দেহে তা মহতির কাজ।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।