বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইল পৌরসভার রাস্তাঘাটের বেহাল দশা,জনদুর্ভোগ চরমে

আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বেশ কয়েকটি সড়ক বেহালদশায় পরিনত হয়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলো এই বেহাল অবস্থার কারণে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ সকলেই পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ আজও চোখে পড়েনি। কোথাও রাস্তায় হাঁটলেই পায়ে পাথর আবার কোথাও একটু বৃষ্টি হলেই রিকশা, […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৫, ১৯:৩৫

আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল পৌরসভার বেশ কয়েকটি সড়ক বেহালদশায় পরিনত হয়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলো এই বেহাল অবস্থার কারণে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ সকলেই পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।

পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ আজও চোখে পড়েনি। কোথাও রাস্তায় হাঁটলেই পায়ে পাথর আবার কোথাও একটু বৃষ্টি হলেই রিকশা, মোটরসাইকেল কিংবা অ্যাম্বুলেন্স চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,পৌরসভার জেলা সদর হয়ে এলজিইডি মোড়ের রাস্তা, পার্কবাজার-কলেজপাড়া,থানাপাড়া,আদালতপাড়া,কাগমাড়াসহ শহরের একাধিক রাস্তা খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। ওই রাস্তাগুলো দিয়ে রিকসা,অটোরিকসা ও যানবাহনগুলো কাতরে-কাতরে চলাচল করছে। কেউ-কেউ ক্ষোভ ঝাড়ছে পৌর কর্তৃপক্ষের ওপর।

কথা হয় রিকসা চালক মানিক ও জসিমের সাথে,তারা ক্ষোভ নিয়ে বলেন এই রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে খানা খন্দে পরিনত হয়ে থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমন ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর। এছাড়া চলাচলের সময় একটু এদিক সেদিক হলেই রিকসা উল্টে যায়,নয় রিকসার যাত্রী পড়ে যায়। তারা বলেন গত সপ্তাহে এক স্কুল ছাত্রী রিকসা থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়রা রিকসা চালককে মারধর করে।

সিএনজি চালক শুকুর জানান, জেলাসদর রাস্তাটির করুণ দশা। এমন রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালালে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়াও রোগী নিয়ে যাতায়াত করা খুবই কঠিন।

পার্কবাজারের এক পথচারী জানান,এই রাস্তাটি পৌরসভার খুবই গুরত্বপুর্ন রাস্তা হাজার-হাজার লোক ও শত-শত ব্যাবসায়ীর চলাফেরা এই রাস্তাটি দিয়ে। পৌরসভার উদাসীনতার কারণে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কাঁচামালের ব্যবসায়ী সাত্তার মিয়া বলেন, দুরদুরান্ত থেকে তিনি কাঁচামাল কিনে পার্কবাজারে বিক্রি করেন। এখানকার রাস্তাঘাট খারাপ থাকায় ভ্যান রিকসা আসতে চায়না। আসলেও ভাড়া বেশি নেয়।

টাঙ্গাইল কোর্টের আইনজীবি মীর মোশরাফ হোসেন বলেন, আদালত প্রাঙ্গনের রাস্তাটির অবস্থা খুব খারাপ অবস্থা। বর্তমানে রাস্তাটির সলিং উঠে গিয়ে রড বেড় হয়ে গেছে। সেই রডের সাথে বেজে মাঝেমধ্যেই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।

জেলা সদর ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন চৌধুরী জানান, জেলা সদরের এই রাস্তাটি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ গ্রামের লোকজনের চলাফেরা। এছাড়াও জেলার উত্তর প্রান্ত থেকে লোকজন কোর্টে আসতে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে।

দীর্ঘদিন যাবত এই রাস্তাটি খানাখন্দে থাকায় সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মাঝে মধ্যে পৌরসভা থেকে রাস্তায় রাবিশ ফেললেও সামান্য বৃষ্টি আসলে তা ধুঁয়ে যায়। তিনি টাঙ্গাইল পৌর কৃর্তপক্ষের নিকট রাস্তাটির দ্রত সংস্কার করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক শিহাব রায়হান বলেন, রাস্তাগুলোর বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। পর্যায়ক্রমে দ্রত রাস্তাগুলো মেরামত করা হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।