রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসপাতাল থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবা, সেবা চালুর দাবিতে মানববন্ধন

প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকা পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ মে) সকাল ৯টায় হাসপাতালের সামনে সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে গলাচিপার সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৫, ১৯:২৯

প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকা পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ মে) সকাল ৯টায় হাসপাতালের সামনে সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে গলাচিপার সর্বস্তরের মানুষ।

মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নারী, বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন যুব সমাজের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শাহ জুবায়ের আব্দুল্লাহ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান রুবেল, স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ নজরুল ইসলাম, মোসা. রেখা বেগম ও মো. নবীন হোসেন।

বক্তারা বলেন, জনবহুল ও নদী বেষ্টিত গলাচিপা পৌরসভায় মা ও শিশুদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হলেও সেটি সেবা বন্ধ থাকায় জনগণ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের সময়মতো চিকিৎসাসেবা না পাওয়ায় ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

হাসপাতালটি পুরোপুরি চালু হলে উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষ উপকৃত হতো, বিশেষ করে প্রসূতি মায়েদের জন্য এটি জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা রাখতে পারত। অথচ বছরের পর বছর ধরে চিকিৎসক নাই, সেবা কর্যক্রম নাই এবং ঔষধ পাওয়া যায় না। সেবা কার্যক্রম চালু না থাকায় চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ ও পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সেবাগ্রহীতারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালে সেবা নিতে এসে চিকিৎসক না পাওয়ার পাশাপাশি নার্সদের অসদাচরণ এবং রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে গলাচিপা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৫২ শতক জমির ওপর নির্মিত এই হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এতে রয়েছে দ্বিতল ভবন, অপারেশন থিয়েটার, ডক্টর ডরমেটরি, গভীর নলকূপ, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ আধুনিক অবকাঠামো।

তবে অভ্যন্তরে নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও জনবল। কক্ষগুলো অধিকাংশ সময় তালাবদ্ধ থাকে। ২০২১ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও আজও হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। ফলে গর্ভবতী মায়েদের বরিশাল কিংবা পটুয়াখালী জেলা শহরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। পথে সন্তান প্রসব ও মৃত্যুর মতো দুর্ঘটনার ঘটেছে।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন হাসান রুম্মান বলেন, “জনবল সংকটের কারণে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে ছয়জন ইউনিয়ন স্টাফ দিয়ে সীমিত সেবা দেওয়া হচ্ছে। একজন এমবিবিএস চিকিৎসক ছিলেন, তিনিও গত নভেম্বরে বদলি হয়ে গেছেন।”

তিনি জানান, বর্তমানে দুইজন এফডব্লিউভি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন সকাল ৯:৩০টা থেকে বিকাল ৩:৩০টা পর্যন্ত সেবা দিচ্ছেন। ডাক্তার ও স্টাফ নিয়োগের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালক মোঃ শহীদুল ইসলাম জনবল সংকটের কথা জানিয়ে বলেন, সরকার ও মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশ একই চিত্র পরিবার পরিকল্পনা ও মা ও শিশু হাসপাতালের জনবল সংকট।

এদিকে, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিও ২০১৮ সালে নির্মাণ শেষ হলেও এখনও চালু হয়নি। ২০১৬ সালে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ কেন্দ্রটিও অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।