শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুরে পরিচয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক নারী বাউল শিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর সহায়তায় পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নে এ পৈশাচিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে শনিবার দুপুরে শেরপুর থানায় ৭ জনকে আসামি করে একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো, উপজেলার দুবলাগাড়ী গ্রামের মো. রায়হান (২৮) ও তাজপাড়া গ্রামের পারভেজ হাসান (২৬)।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী স্থানীয় পর্যায়ে বাউল গান পরিবেশন করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্বপরিচিত রায়হানের আমন্ত্রণে তিনি শেরপুর শহরে আসেন। রায়হান তাকে স্বজনদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে কুসুম্বী ইউনিয়নের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে রায়হান ও তার সহযোগী পারভেজ তাকে পৃথক স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্য যুবকেরাও তাকে নিপীড়নের চেষ্টা চালায়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নারীর আত্মচিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থল থেকে রায়হান ও পারভেজকে হাতেনাতে আটকে ফেলেন। পরে ৯৯৯-এ প্রাপ্ত বার্তার ভিত্তিতে শনিবার ভোরে শেরপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত দুজনকে থানা হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে। মামলার এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।