মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কুমিল্লায় থানা পুলিশের সহায়তা না পেয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে ভুক্তভোগীর আত্মহত্যা

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার চান্দিনায় থানা পুলিশের সহায়তা না পেয়ে সবুজ (৩৩) নামে এক ভুক্তভোগী অটো চালক নিজ শরীরে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধা আনুমানিক ৭টার সময় উপজেলা হসপিটাল সংলগ্ন এলাকায় নিজ গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সবুজ নামে এক ভুক্তভোগী। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:৫৬

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় থানা পুলিশের সহায়তা না পেয়ে সবুজ (৩৩) নামে এক ভুক্তভোগী অটো চালক নিজ শরীরে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

গত রবিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধা আনুমানিক ৭টার সময় উপজেলা হসপিটাল সংলগ্ন এলাকায় নিজ গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সবুজ নামে এক ভুক্তভোগী।

এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা হসপিটালে নিলে পরে রোগীর অবস্থা অবনতি হতে থাকলে ওই দিনই রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে নেওয়া হয় তাকে।

পরে টানা ৫ দিন জীবনের সাথে যুদ্ধ করে আজ শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

নিহত সবুজ চান্দিনা থানাধীন বাড়েরা ইউনিয়নের গড়ামারা গ্রামের আমির হোসেনের একমাত্র ছেলে। সে চান্দিনা উপজেলা পৌরসভার বেলাশ্বর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে ব্যাটারি চালিত অটো গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

আর নিহত সবুজের বাবা চট্টগ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থেকে ভাড়ায় সিএনজি গাড়ি চালিয়ে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ঘটনার সূত্র, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর চান্দিনা পৌর এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে রাত অনুমান সাড়ে ৩ ঘটিকার সময় গ্যারেজের তালা ভেঙ্গে ২টি অটো গাড়ি চুরি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ৩ জনকে (মানিক, নাজমুল ও সাইফুল) আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ সময় রহিমা বেগম একটি লিখিত অভিযোগ দিলেও পরে থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয় বাদল নামে এক ব্যাক্তির জিম্মায় অভিযুক্তদের দিয়ে সামাজিকভাবে সমাধান করতে বলেন।

তাতে কোন সমাধান না করে উল্টো বাদল নামে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগী রহিমা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ দেয়।

এ ঘটনায় আইনি সহায়তা চেয়ে গত ৮ জানুয়ারি জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ (১১৫/m) দেন ভুক্তভোগী রহিমা বেগম। এতেও কোন প্রতিকার না পাওয়াই ভুক্তভোগী রহিমা বেগম সহায়তা চেয়ে সাংবাদিকের শরণাপন্ন হয়।

এতে ঘটনার প্রায় তিন মাস পর গত ৪ মার্চ থানা পুলিশ চুরির মামলা নিতে বাধ্য হন। এতে অভিযুক্ত মানিক, নাজমুল ও সাইফুল নাম উল্লেখ করে আরো ৮-১০জনকে অজ্ঞাত করে রহিমা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা (মামলা নং- ০৬) করেন।

মামলা রুজু হওয়ার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশ কাউকে আটক করেনি। এমনকি চোরাইকৃত কোন মামামাল উদ্ধারও করতে পারেনি পুলিশ।

উল্টো মামলার আসামিরা গত বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বাদী রহিমার বাসায় গিয়ে স্বামী আবুল হাশেমকে মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। 

 আর এ মামলায় বাদী রহিমা বেগমকে নিজ অটো গাড়ি যোগে বিভিন্ন জায়গায় আনা নেওয়া ও মামলায় সহায়তা করে আসছিলো নিহত সবুজ।

এ ঘটনায় গত রবিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয় সালাউদ্দিন ও হারুনের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যাক্তি চান্দিনা থানাধীন উপজেলা মেডিকেল সংলগ্ন এলাকায় নিহত সবুজকে আটক করে মারধর করে জোরপূর্বকভাবে তার অটো গাড়ি (যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়।

এ সময় তাকে সেই চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপবাদ দিয়ে ও নানা ধরণের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ দেন তারা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সবুজ তাৎক্ষনিকভাবে স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করে কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় ওই দিন সন্ধায় আইনগত সহায়তা নিতে থানায় যান তিনি।

কিন্তু এ ঘটনায় থানা পুলিশের কোন সহায়তা না পাওয়ায় সন্ধা ৭টার সময় ঘটনাস্থলে এসে নিজ গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী সবুজ। এ ঘটনায় চান্দিনা উপজেলা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মডিকেল কলেজ হাসপাটালের বার্ন ইউনিটিতে নেওয়া হয় তাকে।

আর এ ঘটনায় ভিকটিম সবুজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে রেখে ৫৭ বছর বয়সী বাবা আমির হোসেন গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধা ৭টার সময় কুমিল্লার চান্দিনা থানায় যান মামলার এজাহার দিতে।

কিন্তু থানা পুলিশ তাকে ১ ঘন্টা ডিউটি অফিসারের রুমে নানা অজুহাতে বসিয়ে রেখে মামলা না নিয়ে রাত ৮টার সময় ফিরিয়ে দেন এবং পরে রিলাক্সে আসার জন্য বলেন।

এ বিষয়ে নিহত সবুজের স্ত্রী খুশি আক্তার জানান- গরীবের জন্য আইন নাই! বিচার নাই! তারা (মাতাব্বররা) চোর ধরে ছেড়ে দিছে। আর আমার স্বামীরে চুরির অপবাদ দিয়ে জরিমানা করে! আমার স্বামী এই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নিজের গাঁয়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আর এ ঘটনায় নিহত সবুজের বাবা আমির হোসেন জানান- থানা পুলিশের অবহেলায় আমার ছেলের আজ এ অবস্থা। গরীবের জন্য আসলে আইন নেই! কার কাছে বিচার দেবো?

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলামকে বুধবার রাতে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান- এটা কি মামলা করবে? সে তো মারা যায়নি। সে বেঁচে থাকলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। আর যদি সে মারা যায় তাহলে তার পরিবার মামলা করতে পারে।

এখানে আইনি জটিলতা আছে। এ ঘটনায় তা হলে আইনি পদক্ষেপ কি সাংবাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন- তার যদি অটো গাড়ি নিয়ে যায় এবং মারধর করে, সেক্ষেত্রে অভিযোগ দিতে পারে একটা। এসময় সাংবাদিককেই উদ্দেশ্য করে থানায় অভিযোগ দিতে বলেন ওসি।

এসময় ভিকটিমের পরিবার থানায় গেলে দীর্ঘ সময় ডিউটি অফিসার সাজ্জাদ বসিয়ে রেখে ফেরত পাঠিয়েছেন জানালে ওসি সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে আবারো বলেন- একটা অভিযোগ পাঠিয়ে দিয়েন, পাঠিয়ে দিয়ে ডিউটি অফিসারের কাছে এসে আমাকে ফোন দিতে বলিয়েন।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।