শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এসিসিএফ ব্যাংকের টাকা ফেরত না পেয়ে গ্রাহকরা হতাশ

রাকিবুল হাসান, নীলফামারী প্রতিনিধি: আজিজ কো-অপারেটিভ কর্মাস অ্যান্ড ফাইন্যান্স (এসিসিএফ) ব্যাংক এর গ্রাহকরা জমানো টাকা ফেরত না পেয়ে হতাশ। জমাকৃত আমানতের প্রায় দেড় কোটি টাকা আতœসাতের অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকের ম্যানেজার জাহিদ শাহ্ এর বিরুদ্ধে। জাহিদ জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের জাকির হোসেন শাহ্ এর ছোলে এবং এসিসিএফ ব্যাংকের ম্যানেজার। এ ব্যাপারে, জেলা সমবায় […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৫, ০১:২৬

রাকিবুল হাসান, নীলফামারী প্রতিনিধি:

আজিজ কো-অপারেটিভ কর্মাস অ্যান্ড ফাইন্যান্স (এসিসিএফ) ব্যাংক এর গ্রাহকরা জমানো টাকা ফেরত না পেয়ে হতাশ। জমাকৃত আমানতের প্রায় দেড় কোটি টাকা আতœসাতের অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকের ম্যানেজার জাহিদ শাহ্ এর বিরুদ্ধে।
জাহিদ জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের জাকির হোসেন শাহ্ এর ছোলে এবং এসিসিএফ ব্যাংকের ম্যানেজার।
এ ব্যাপারে, জেলা সমবায় কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, কো-অপারেটিভ শব্দটি ব্যবহার করা হলে সেটি সমবায়ের মাধ্যমে নিবন্ধন করে একটি নিদৃষ্ট জেলায় শাখা চালাতে পারবে। যে জেলার জন্য নিববন্ধন শুধু সেই জেলায় কার্যক্রম চালাতে হবে। তবে বাহিরের কোন জেলায় শাখা অফিস বসিয়ে ঋণদান কর্মসূচি চালার নিয়ম নাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জানামতে নীলফামারীতে এধরণের ব্যাংকের কোন নিবন্ধন বা রেজিষ্ট্রেশন করা হয়নি। পুরোটাই আইনের ব্যাথায় ঘটিয়ে তারা ঋণ দান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। যা সমবায় আইনে দন্ডনীয় অপরাধ। এমনকি ব্যাংক শব্দটিও তারা লিখতে পারবেনা।

জেলা শহরের কিচেন মার্কেট বড় বাজার এলাকার এসিসিএফ ব্যাংকের বাসার মালিক (সাব্বির ভিলা দ্ধিতীয় তলা) সাব্বির আহমেদ বলেন,‘এক বছর ধরে অফিস ভাড়ার টাকা পাচ্ছিনা। এমনকি ব্যাংকে ২ লাখ টাকাও রেখেছি সেটাও পাচ্ছিনা। এখন অফিস ভাড়ার ও আমানতের টাকা রেখে পথে বসতে হয়েছে। বর্তমানে তারা ফোনও ধরে না। অফিসে তালা দিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আমার টাকাসহ সকল গ্রাহকের টাকা উত্তোলনে দাবি জানাই।

নীলফামারী পৌর শহরের হাড়োয়া এলাকার বাসিন্দা ও ব্যাংকের গ্রাহক জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন গরীব মানুষ কুলি মজুরের কাজ করে যে টাকা পাই পুরো টাকাই এসিসিএফ ব্যাংকে রেখেছি। এক মাস আগে টাকা তুলতে গিয়ে দেখি ব্যাংক বন্ধ। আশেপাশের লোকের মুখে শুনতে পাই, আমার মতো অনেকেই টাকার জন্য ঘুরতেছে। আমি মেয়ের বিয়ে দেওয়ার জন্য ওই ব্যাংকে ৬০ হাজার টাকা জমা রেখেছিলাম এখন আসলও নাই, লাভও নাই। গলায় ফাঁস দিয়ে মরা ছাড়া কোন উপায় নাই। এদের আমি বিচার চাই।’

সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে, ‘কান্নায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তিনি বলেন, দয়া করে ভাই আপনারা আমার টাকাটা যে করে হউক তুলে দেন। আমি গরীব মানুষ কার কাছে যাব, কোথায় যাব কিছুই বুঝতেছি না। এদের শাস্তির দাবি জানাই।’
সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের ইটাখোলা গ্রামের গ্রাহক মনছুর রহমান বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে এক লাখ ১০ হাজার টাকা ম্যানেজার জাহিদের কথা মতো রেখেছিলাম। সে আমার পরিচিত হওয়ায় কিছু লাভের আশায় সরল বিশ্বাসে আমার কস্টের টাকা তার কাছে রেখেছি। তিনি বলেন, আমার ভিটামাটি কিছুই নাই, পরের জমিতে কাজ করে খাই। অনেক কস্ট করে ছেলে মেয়েদের না খাওয়ায়ে তার কথামতো (এসিসিএফ) টাকাটা জমা রেখেছিলাম। টাকা না পেলে বাড়ীতে আমি মুখ দেখাতে পারবো না। কারণ বাড়ীর সবাই টাকা রাখতে মানা করেছিল। এখন তার ফল পাচ্ছি।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রাহকরা টাকার জন্য ব্যাংকে এসে গেটে তালা দেখতে পায়। গত জুলাই বিপ্লবের পর ৫ আগষ্ট থেকে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন ব্যাংকের ম্যানেজার জাহিদসহ সহকর্মীরা।
গ্রাহকরা জানায়, ১৯৮৪ সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৮ সালে জুলাই মাসে শহরের কিচেন মার্কেটস্থ বড় বাজারের সাব্বির ভিলায় দ্ধিতীয় তলায় ব্যাংকের কার্যক্রম চালু করেন। তিনি ৬-৭ বছর যাবৎ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা পাঁচশতাধিক।

এর আগে ২০১৭ সালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এসিসিএফ দেশে অনুমোদহীন ১১০ টি শাখা খুলে অবৈধ কার্যক্রম করছে। সেখানে আরও বলা হয়, অতিরিক্ত মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাজ থেকে সঞ্চয় ও স্থায়ী আমানত সংগ্রহ করছে। এছাড়াও উচ্চহারে সুদ ঋণ দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন ব্যাংক নয়, তাই তাদের সাথে কোনও ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম না করার জন্য সবাইকে সর্তক করা হচ্ছে।

গ্রাহক শামিম মিয়া জানায়, আমরা সাত লাখ ৫০ হাজার টাকার চুক্তি অনুযায়ী লাখে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিমাসে লাভ দেওয়ার কথা। এখন লাভতো দূরের কথা আসল টাকাই নাই। টাকা তুলতে এসে দেখি ব্যাংক বন্ধ। এছাড়াও, কলেজ ষ্টেশনের বাসিন্দা ও দোকানদার মানিকের ১০ লাখ, শওকত আলীর ৩ লাখ, ওয়াজেদ আলী  ৪ লাখ, সুরত আলী ৭ লাখ, আমিনুর রহমান ৩ লাখ, আরব আলী শাহর এক লাখ ৮০ হাজার, আব্দুল মজিদ সাড়ে ৫ লাখ, নূরুজ্জামান বাবলু ৪ লাখ ও জহুরুল ইসলামের ৬০ হাজার, মাসুদ আলম ৩ লাখ ৭৬ হাজার, টাকাসহ একাধিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে জাহিদ এখন গা ঢাকা দিয়েছে।

ব্যাংকের গ্রহক মাসুদ আলম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমাকে ‘কবর’ দিয়েছে বাবা। মেয়েটার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে। এখন কোন উপায় দেখছি না কি করবো। এদের আমি বিচার চাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শাখার একজন কর্মচারি জানায়, বেশি মুনাফার আশায় মানুষ লাখ লাখ টাকা জমা রেখেছে এখানে। ওই টাকা ম্যানেজার তা নিজের নামে রাখতেন। গ্রাহকরা এবিষয় কিছুই জানতো না। এরপর ব্যাংকের কয়েকজন গ্রাহক টাকা তুলতে এসে দেখেন তাদের টাকা নেই। তখন ব্যাংক বন্ধের বিষয়টি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে শতাধিক গ্রাহক টাকা ফেরত নিতে এসে দেখেন ব্যাংকের গেটে তালা ঝুলছে।

জেলা সমবায় কর্মকর্তা মশিউর রহমান ‘বাংলাদেশের খবরকে’ বলেন, ‘আমার জানামতে নীলফামারীতে এ নামের ব্যাংকের কোন নিবন্ধন বা রেজিষ্ট্রেন নাই। পুরোটাই আইনের ব্যাথায় ঘটিয়ে তারা ঋণ দান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। যা সমবায় আইনে দন্ডনীয় অপরাধ।’’

এ রির্পোট লিখা পর্যন্ত জেলা শহরের কিচেন মার্কেটে অবস্থিত আজিজ কো-অপারিটিভ ব্যাংকের ম্যানেজার জাহিদ শাহ  মুঠোফোন ০১৮৮৮০৩৩২০৪ বন্ধ রেখেছে, বিধায় তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।