বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমনিরহাটে ভুট্টার বীজের অঙ্কুরোদম না হওয়ায় নকল বীজের অভিযোগ

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা বর্তমানে এক নতুন আতঙ্কের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই আতঙ্কের নাম হলো ভুট্টার বীজ। কৃষকরা জানাচ্ছেন, গত কিছুদিন ধরে বাজারে বিক্রি হওয়া ভুট্টার বীজগুলোর বেশিরভাগই অঙ্কুরোদম হচ্ছে না, ফলে তাদের জমিতে ভুট্টার বীজ রোপণ করা সত্ত্বেও কোনো ফলন পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা পুনরায় নতুন বীজ […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:০৪

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা বর্তমানে এক নতুন আতঙ্কের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই আতঙ্কের নাম হলো ভুট্টার বীজ। কৃষকরা জানাচ্ছেন, গত কিছুদিন ধরে বাজারে বিক্রি হওয়া ভুট্টার বীজগুলোর বেশিরভাগই অঙ্কুরোদম হচ্ছে না, ফলে তাদের জমিতে ভুট্টার বীজ রোপণ করা সত্ত্বেও কোনো ফলন পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা পুনরায় নতুন বীজ কিনে জমিতে আবারও রোপণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে কৃষকরা অভিযোগ করছেন, বাজারে নকল বীজ বিক্রি হওয়ার কারণে এই বিপর্যয় ঘটছে। যদিও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি এবং বিক্রেতাদের দোষারোপ করা হচ্ছে, তবে এই অভিযোগে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত বা ঘোষণা এখন পর্যন্ত আসেনি। উপজেলা কৃষি অফিস কিংবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, তারা চলতি মৌসুমে ভুট্টা চাষে বেশ ভালো ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু বীজ রোপণের পর অঙ্কুরোদম না হওয়ার কারণে তাদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকরা জানান, “বীজ রোপণের পর কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কিছুই হয়নি। অনেক বীজ একেবারে অঙ্কুরিত হয়নি। আবার কিছু কিছু বীজ অঙ্কুরিত হলেও তা ঠিকভাবে বেড়ে ওঠেনি। ফলে আমরা হতাশ।”

এক কৃষক, সালাম মিয়া জানান, “এবার যদি ফসল ভালো না হয়, তাহলে আমাদের পুরো পরিবার বিপদে পড়বে। সার, বীজ, শ্রমিকসহ খরচের পরিমাণ অনেক বেশি, কিন্তু ফলন কিছুই হচ্ছে না।”

কৃষকরা অনেকেই দাবি করছেন, বাজারে যে বীজ বিক্রি হচ্ছে, তার বেশিরভাগই নকল বা নিম্নমানের। তারা বলছেন, এসব বীজের গুণগত মান খুবই খারাপ, যা সহজেই অঙ্কুরিত হয় না। একাধিক কৃষক জানিয়েছেন, তারা বিভিন্ন স্থানীয় দোকান থেকে বীজ কিনেছিলেন, কিন্তু বীজের মান এতটাই নিম্নমানের ছিল যে সেগুলো থেকে কোনো অঙ্কুরোদ আসেনি।

এদিকে, কিছু কৃষক অভিযোগ করছেন যে, বীজ কোম্পানিগুলি তাদের বীজের গুণগত মান নিয়ে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। তারা আরও জানান, একদিকে যেমন বীজের দাম বেশি, অন্যদিকে সারের দামও আকাশচুম্বী। এমন অবস্থায়, কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

ভুট্টা চাষে গড়ে প্রতি বিঘা জমিতে কৃষকদের খরচ হয় প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা। এর মধ্যে রয়েছে বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরি, পানি এবং অন্যান্য উপকরণের খরচ। তবে, বীজ অঙ্কুরিত না হওয়ার কারণে কৃষকরা পুনরায় নতুন বীজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যার ফলে তাদের খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এমনকি অনেক কৃষক জানাচ্ছেন, তারা এখন পুনরায় জমি প্রস্তুত করতে এবং নতুন বীজ রোপণ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের জন্য একটি অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, কৃষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে ফসলের ক্ষতি ছাড়াও তাদের সময়ও অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। তারা বলছেন, “ফসলের ঠিকঠাক ফলন না হওয়ার কারণে আমরা সময়মতো অন্য ফসলও চাষ করতে পারছি না, যা আমাদের জন্য আরও ক্ষতিকর।”

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলার কৃষি অফিস থেকে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, তারা এখনো বিষয়টি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেননি। তবে, কৃষকরা অভিযোগ করেছেন যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

একজন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “বিষয়টি আমরা জেনে আছি, তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে শীঘ্রই আমরা এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করবো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

এদিকে, বিভিন্ন বীজ কোম্পানি অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কিছু কোম্পানি জানিয়েছে যে, তারা প্রতিটি ব্যাচের বীজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাজারে ছাড়ে, তবে কিছু স্থানীয় দোকানদার নকল বা নিম্নমানের বীজ বিক্রি করতে পারে। এসব বীজ কোম্পানির দাবি, তাদের সরবরাহ করা বীজগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়ে থাকে, এবং যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকে, তবে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের দায়িত্ব।

এছাড়া, কিছু কোম্পানি জানিয়েছে, তারা গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মান নির্ধারণকারী সংস্থার সঙ্গেও কাজ করছে, তবে বাজারে নকল বীজের প্রবাহ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বাজারে নকল বীজের সমস্যা সমাধান করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। কৃষকদের জন্য বিশ্বস্ত বীজ কোম্পানি ও সরকারি উদ্যোগে সঠিকভাবে মান যাচাই করা বীজ সরবরাহ করা উচিত। এছাড়া, কৃষি অফিসের মাধ্যমে বীজ কোম্পানির গুণগত মান নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং বিক্রেতাদের উপর নজরদারি বাড়ানো উচিত।

এছাড়া, কৃষকদের সচেতন করতে বীজ ও সার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণের আয়োজন করা যেতে পারে। সরকারি প্রণোদনা এবং ঋণের সুবিধা দিয়ে কৃষকদের এই বিপর্যয় থেকে কিছুটা সুরক্ষা প্রদান করা যেতে পারে।

লালমনিরহাটের কৃষকরা বর্তমানে এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন। নকল বীজ এবং অতিরিক্ত খরচের কারণে তাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে এবং ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষি বিভাগের এবং সংশ্লিষ্ট বীজ কোম্পানির উচিত কৃষকদের দুর্দশা কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। কৃষকরা যাতে তাদের ফসলের সঠিক মূল্য পায় এবং উৎপাদনে কোনো বাধা না আসে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অবিলম্বে নেওয়া উচিত।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’