বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার রাঙ্গা’র স্ত্রী’র সংবাদ সম্মেলন

নাটোর প্রতিনিধিঃ নাটোরে মিথ্যা ষড়ন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার এনায়েত করিম রাঙ্গার মুক্তির দাবীতে স্ত্রী উম্মে সালমা (পাপিয়া) সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।   জুলাই- আগষ্ট বিপ্লবে সক্রিয় ভূমিকা রাখা সত্বেও শুধুমাত্র আপন ভাতিজার করা প্রতিহিংসামূলক ষড়যন্ত্রের মামলায় ফেঁসে গেলেন চাচা এনায়েত করিম রাঙ্গা। বর্তমানে রাঙ্গা হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলের খাঁচায় বন্দি। গত ২৮ ডিসেম্বর শনিবার নাটোরের সিংড়া থানা […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৪:৪৮

নাটোর প্রতিনিধিঃ

নাটোরে মিথ্যা ষড়ন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার এনায়েত করিম রাঙ্গার মুক্তির দাবীতে স্ত্রী উম্মে সালমা (পাপিয়া) সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।  

জুলাই- আগষ্ট বিপ্লবে সক্রিয় ভূমিকা রাখা সত্বেও শুধুমাত্র আপন ভাতিজার করা প্রতিহিংসামূলক ষড়যন্ত্রের মামলায় ফেঁসে গেলেন চাচা এনায়েত করিম রাঙ্গা। বর্তমানে রাঙ্গা হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলের খাঁচায় বন্দি।

গত ২৮ ডিসেম্বর শনিবার নাটোরের সিংড়া থানা পুলিশ তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে।

এনায়েত করিম রাঙ্গা জুলাই-আগষ্টের পুরোটা সময় জুড়ে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন এবং এই আন্দোলনের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নিয়মিত কাজ করছেন। অথচ তার ভাতিজা ফয়সাল আহম্মেদ পারিবারিক কলহের জেরে মিথ্যা ষড়যন্ত্রের মামলায় চাচাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান রাঙ্গার স্ত্রী উম্মে সালমা (পাপিয়া)। এই এনায়েত করিম রাঙ্গা একসময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোর ছাত্রনেতা ও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া পরিষদের আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসাবে বিগত ১৫ বছর নানাভাবে পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন।

সোমবার ৩০ ডিসেম্বর নাটোরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙ্গার স্ত্রী দাবি করেন – তার স্বামী জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওষুধ,পানি, স্যালাইন এবং খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। অথচ তারই নামে ছাত্র হত্যার মিথ্যা মামলা দেয়া হলো।

উম্মে সালমা পাপিয়া বলেন, তার স্বামী রাঙ্গা ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই তার ভাই আবু জাহেল তার অভিভাবক হিসাবে দেখাশোনা করতেন। এনায়েত করিম রাঙ্গার বাবার দুই পরিবার ছিল। অর্থাৎ সৎ মায়ের ঘরের আরো সন্তান আছে। বছর খানেক আগে ২০২৩ সালে রাঙ্গার বড়ভাই আবু জাহেল জমিসংক্রান্ত বিষয়ে সৎ ভাই তৈয়ব আলী কে গুলি করে মারতে গেলে এনায়েত করিম বাঁধা দেন। সেই থেকে দুই ভাইয়ের মধ্যে দন্দ চলছিল। সৎ ভাই তৈয়ব আলীকে গুলি চালানোর ঘটনায় মামলা করলে আবু জাহেল গ্রেফতার হয়ে ২১ দিন কারা ভোগ করেন । পরে জামিনে বেরিয়ে এলে তাদের দ্বন্দ তীব্র আকার ধারন করে। আবু জাহেদের ছেলে ফয়সাল আহম্মেদ বাবাকে জেল খাটানোর পেছনে এনায়েত করিম রাঙ্গার হাত আছে সন্দেহ করে এবং সেই থেকে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে থাকেন। আবু জাহেল সিংড়া থানার ৪ং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন।

ফয়সাল আহম্মেদ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগ প্রতিনিধি ছিলেন বলে জানান তার চাচি পাপিয়া। জুলাই আগস্টের বিপ্লবে ছাত্রদের দমন করতে তার ভূমিকা ছিল। সে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর জুনায়েদ আহম্মেদ পলক এর ঘনিষ্ঠ ভাজনও ছিলেন। এবং পলকের যাবতীয় কাজ দেখাশোনা করতেন। ছোটখাট যেকোন বিষয়ে সে মামলাবাজ হিসাবেও পরিচিত। এই ফয়সাল আহম্মেদ এর অত্যাচারে এলাকা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।

প্রতিশোধের নেশায় ফয়সাল ১৩ আগষ্ট ঢাকায় পারিবারিক ভাবে তার বাবা আবু জাহেলের নামে মামলা ৭ দিনের মধ্যে তুলে নেওয়ার হুমকী দেয় রাঙ্গা ও তার পরিবারকে। কিন্তু এনায়েত করিম রাঙ্গা’র ভাষ্য ছিল মামলার বাদী তো আমি না। এতে ফয়সাল আহম্মেদ তাদেরকে ঢাকা থেকে তারিয়ে দিবে বলে হুশিয়ারী দেয়। এবং ১৩ আগষ্ট ঢাকার কলাবাগান থানায় এনায়েত করিম রাঙ্গার নামে একটি মিথ্যা মামলা করেন ফয়সাল আহম্মেদ। এরপর ১৮ আগষ্ট ফয়সাল আহম্মেদ তার বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র বন কে সাথে নিয়ে রাত সাড়ে ১১টার সময় এনায়েত করিম রাঙ্গার হাতিরপুল এলাকার বাসার সমানে দোকানে দোকানে রাঙ্গার ছবি দেখিয়ে ডিবি পরিচয়ে তাকে খুজতে থাকে এবং রাঙ্গা একজন সন্ত্রাসী তার নামে গণহত্যার মামলা করা হবে সে কোন বাসায় থাকে চিনিয়ে দিতে বলেন ফয়সাল আহম্মেদ। এর কিছুদিন পর অক্টোবর মাসে এনায়েত করিম রাঙ্গার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়ায় পুলিশ যায। ঢাকার সূত্রাপুর থানার একটি হত্যা মামলার তদন্তে। সেই মামলার ১নং আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ২য় ওবায়দুল কাদের, ৩য় জাহাঙ্গীর কবির নানক পর্যায়ক্রমে ৫০ নং এনায়েত করিম রাঙ্গা। এভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলায় হতবিম্ব হয়ে পড়েন রাঙ্গা র পরিবার। পুলিশি পরামর্শে আশ্বস্ত হন কোন মিথ্যা মামলা হলে তা তদন্ত করে সুরাহা করা হবে। কিন্তু এর কয়েকদিন পার না হতেই হঠাৎ আবার ডিসেম্বর ১৮ তারিখে ঢাকার বনানী থানায় আরেকটি হত্যা মামলায় আসামী করা হয় এনায়েত করিম রাঙ্গা কে।

এরই মধ্যে গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে এনায়েত করিম রাঙ্গা তার নিজ গ্রাম নাটোরের সিংড়ায় আসেন এবং গত ২৮ ডিসেম্বর শনিবার রাতে সিংড়া থানার পুলিশ এনায়েত করিম রাঙ্গা কে তার বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে।

এই মিথ্যা মামলায় এনায়েত করিম রাঙ্গা কে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে তার স্ত্রী উম্মে সালমা (পাপিয়া) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দাবি করেন, তার স্বামী কখনোই আওয়ামিলীগ রাজনীতির সাথে জড়িত না এবং কোন হত্যার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহযোগীরা ভূমিকায় সক্রিয় ছিলেন। এবং আমি ও আমার ছোট মাসুম সন্তানও ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাঠে থাকা একজন প্রতিবাদী নারী যোদ্ধা ছিলাম।

ফয়সাল আহম্মেদ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় সদস্য হয়েও শুধুমাত্র পারিবারিক দ্বন্দের প্রতিশোধ নিতে নিজেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয় দিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়ার সুবাদে তার সাথে সমন্বয়ক সার্ভিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্পর্ক আছে নাম ভাঙ্গিয়ে নিরীহ মানুষ কে হয়রানী ও হুমকী ধামকী দিয়ে বেড়াচ্ছে। এবং মিথ্যা মামলাবাজী করছে।

উম্মে সালমা (পাপিয়া) এই মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সহ সমন্বয়ক সার্ভিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ মহোদয়ের সুচিন্তিত সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।