বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চিকিৎসক সংকটে পূবাইলের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি: গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার মিরের বাজারে অবস্থিত ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকার অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে অনেক রোগী ও তাঁদের স্বজনকে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বুধবার […]

চিকিৎসক সংকটে পূবাইলের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৬

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি:

গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার মিরের বাজারে অবস্থিত ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকার অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে অনেক রোগী ও তাঁদের স্বজনকে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরেজমিনে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটক খোলা থাকলেও ভেতরের পরিবেশ ছিল অনেকটাই নীরব। এ সময় কয়েকজন নারী, শিশু ও পুরুষ চিকিৎসা নিতে কেন্দ্রে আসেন।

কেউ চিকিৎসকের খোঁজ করছিলেন, আবার কেউ পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ নিতে এসেছিলেন। তবে চিকিৎসকের কক্ষ খালি থাকায় কয়েকজন রোগীকে ফিরে যেতে দেখা যায়।

সরেজমিনে অবস্থানকালে কেন্দ্রটির মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা হককে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির সেবা কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলার কথা। কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ কেউ নিয়মিত ও যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশেই রয়েছে তিনতলা একটি ডরমিটরি। সেখানে মেডিকেল অফিসার, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট সবাই নিয়মিত সেখানে অবস্থান করেন না।

পূবাইল বাজার, কুদাব, বসুগাঁও, নারায়ণকুল, হারবাইদ ও তালটিয়াসহ আশপাশের এলাকার মা, শিশু ও কিশোরীদের জন্য কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের ভাষ্য, এখানে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় অনেক রোগীকে উপজেলা সদর কিংবা গাজীপুর জেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

ষাটোর্ধ্ব আমেনা বলেন, “এলাকার মা ও শিশুদের জন্য সরকার হাসপাতালটি করেছে। কিন্তু এখানে ডাক্তার নিয়মিত থাকেন না, ওষুধেরও সংকট রয়েছে। আমরা চাই নিয়মিত ডাক্তার আসুক এবং মা ও শিশুরা এখান থেকেই সেবা পাক।”

স্থানীয় একটি পোশাক কারখানার কর্মী মনোয়ারা বেগম বলেন, “শারীরিক সমস্যা নিয়ে এই মাসে অন্তত তিনবার হাসপাতালে এসেছি। এসে দেখি ডাক্তার নেই। বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার মতো সামর্থ্য আমার নেই।”

তালটিয়া এলাকার বাসিন্দা আয়েশা তাঁর ছোট ছেলেকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, “ডাক্তার না থাকায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। মাঝেমধ্যে ডাক্তার পাই, আবার মাঝেমধ্যে পাই না। এখানে বিনা খরচে চিকিৎসা পাওয়া যায় বলেই বারবার আসি।”

তবে অনিয়মিত দায়িত্ব পালনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নাজমুন নাহার নিপা। তিনি বলেন, তিনি সংযুক্তিতে এখানে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দায়িত্বে অবহেলা করেন না।

নাজমুন নাহার নিপা বলেন, “রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা হাসপাতালে থেকে নরমাল ডেলিভারি করাই এবং কোয়ার্টারে থাকি।” তবে তাঁর সঙ্গে আরও দুই-একজন সহকারী থাকলে কাজের চাপ কিছুটা কমত বলেও জানান তিনি।

তালটিয়ার বাসিন্দা শাহিন মোল্লা বলেন, “গ্রামীণ এলাকার গর্ভবতী মা, নবজাতক ও নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্যই এই কেন্দ্র করা হয়েছে। সেখানে যদি নিয়মিত চিকিৎসক না থাকেন, তাহলে সেবাপ্রত্যাশীরা কার কাছ থেকে চিকিৎসা নেবেন?”

হাসপাতালে অনিয়মিত আসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা হক। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সত্য নয়। হাসপাতালে রোগীরা সাধারণত ১০টার পর আসেন, যে কারণে আমিও কখনো কখনো দেরিতে যাই। সব রোগী আমি দেখি না; গুরুত্বপূর্ণ রোগীদের দেখি।”

বুধবার দুপুর ১২টার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসার কারণ জানতে চাইলে ডা. ফারজানা হক বলেন, “আমি গাজীপুর সদরে ছিলাম। আমার ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে গাজীপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী বলেন, “ডা. ফারজানা হককে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে অনিয়মিত অফিস করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা বলেন, “বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মিরের বাজারের এই মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসক, পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা হলে পূবাইলসহ আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসতে পারবেন।

এ জন্য কেন্দ্রটির কার্যক্রমে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।