পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তি, আইনের শাসন এবং সংবিধানের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দাবিতে বড় ধরনের লংমার্চ শুরু করেছে দলটি।
সরকারের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াতের গান্ধী চক থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে লংমার্চের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৮ অক্টোবর মিছিলটি খায়রাবাদে পৌঁছানোর পর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।
এর আগে পিটিআই ও সরকারের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হলেও রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে তা ভেস্তে যায়। আলোচনার ব্যর্থতার জন্য সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করেছে। তবে পিটিআই বলছে, সরকারের একতরফা শর্ত ও অযৌক্তিক দাবির কারণেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি।
লংমার্চকে কেন্দ্র করে বান্নু, লাক্কি মারওয়াত ও ডেরা ইসমাইল খানসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার পিটিআই কর্মী লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পিটিআইয়ের এই লংমার্চ কারাক, কোহাত, পেশোয়ার ও চারসাদ্দাসহ বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাবে।
এদিকে পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, রাজধানীতে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সূত্র: জিও টিভি
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?