সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তরুণ নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখছেন খানপুরবাসী

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে আসন্ন খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। এই আলোচনার শীর্ষে আছেন শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী রাফি আল আমিন। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের নেতৃত্ব দেখা […]

তরুণ নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখছেন খানপুরবাসী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ০১:২২

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার শেরপুরে আসন্ন খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। এই আলোচনার শীর্ষে আছেন শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী রাফি আল আমিন। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের নেতৃত্ব দেখা হয়েছে। এবার তারা নতুন ও তরুণ নেতৃত্বকে সুযোগ দিতে চায়। বিশেষ করে শিক্ষিত মানবিক উন্নয়ন মুখী নেতৃত্ব প্রতি আস্তা বাড়ছে মানুষের দিন দিন। 

স্থানীয়দের মতে, একাধিক প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে অতীতে দায়িত্ব পালন করলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দৃশ্যমান কোন পরিবর্তন হয়নি। ফলে এবার নতুন চিন্তাধারার একজন নেতৃত্ব দিকে ঝুকছেন ভোটাররা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাফি আল আমিন এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) কে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে ইতিবাচক আলোচনা দেখা যাচ্ছে। 

চকখানপুর গ্রামের প্রবীণ এক ব্যক্তি বলেন, আমরা বহুবার অনেক প্রার্থী দেখেছি, অনেক প্রতিশ্রুতিও শুনেছি। কিন্তু গ্রামের উন্নয়ন সে ভাবে হয়নি। এবার শিক্ষিত নতুন ও তরুণ নেতৃত্ব দেখতে চাই। যে সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য কাজ করবে।

নাহের খাগা গ্রামের কৃষক মান্নান বলেন, কৃষকদের সমস্যা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোন কাজ হয়নি। এবার একজন তরুণ প্রার্থীকে মানুষ গুরুত্ব দিচ্ছে, কারণ আমরা পরিবর্তন দেখতে চাই। 

একই গ্রামের যুবক আরিফুল বলেন, পুরানো নেতৃত্ব দেখে মানুষ ক্লান্ত, এখন তরুণ সমাজ চায় আধুনিক চিন্তাধারার একজন চেয়ারম্যান, যিনি মাদকমুক্ত ও উন্নত ইউনিয়ন গড়তে পারবেন। 

তালপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক রব্বানী বলেন, আগেও অনেক চেয়ারম্যান এসেছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেননি। রাফি আল আমিন সাধারণ মানুষের কাছে যান, কথা শোনেন, এটাই মানুষকে আশাবাদী করছে।

সচেতন মহলের মতে, খানপুর ইউনিয়নের মানুষ এখন উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা এমন একজন চেয়ারম্যানকে চান, যিনি দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করবেন এবং খানপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রুপান্তর করবেন। 

কলেজ ছাত্রী মোহনা বলেন, আমরা নতুন প্রজন্ম হিসেবে পরিবর্তন চাই। শিক্ষা, নারীর নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো নিয়ে তরুণ নেতৃত্ব কাজ করবে বলে বিশ্বাস করি। 

শিক্ষক আব্দুল হামিদ বলেন, ইউনিয়নের উন্নয়নে শিক্ষিত নেতৃত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ এখন শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব উন্নয়ন দেখতে চায়। তাই তরুণ প্রার্থীদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। 

দড়িখাগা গ্রামের যুবক মনির বলেন, একই ধরনের রাজনীতি মানুষ আর দেখতে চায় না। ইউনিয়নে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, খেলাধুলা ও তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা দরকার। নতুন নেতৃত্বই সেটা করতে পারবে। 

দশশিকা গ্রামের এক কৃষক সারোয়ার বলেন, রাস্তা ঘাট ও কৃষি সামগ্রী নিয়ে মানুষ বছরের পর বছর কষ্ট করছে। পুরোনোদের অনেক সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এবার নতুন কাউকে দিয়ে উন্নয়ন দেখতে চায়। 

শিরিনা বলেন, মানুষ এখন মানবিক চেয়ারম্যান চায়। গরীব মানুষের খোঁজ নিবে, বিপদে পাশে থাকবে। এমন একজন প্রতিনিধি দরকার। 

ছাতিয়ানী গ্রামের ব্যবসায়ী চান মিয়া বলেন, শুধু নির্বাচনের সময়ই নয়, সবসময় মানুষের পাশে থাকা নেতৃত্বই মানুষের মন জয় করতে পারে। তাই তরুণ প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। 

কলেজ ছাত্র রায়হান বলেন, আমরা তরুণরা পরিবর্তনের পক্ষে। ইউনিয়নকে আধুনিক করতে হলে নতুন চিন্তাধারার নেতৃত্ব প্রয়োজন। পুরনো ধারা হতে বের হয়ে আসতে হবে। 

শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী রাফি আল আমিন বলেন, আমি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করতে চাই না। মানুষের পাশে থেকে বাস্তব কাজের মাধ্যমে খানপুর ইউনিয়নকে উন্নয়নে-সুশাসনে- আধুনিক উন্নত ও মানবিক একটি মডেল ইউনিয়নে গড়ে তুলতে চাই। ছাত্র ও তরুণ সমাজ, কৃষক, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।