রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

তারেক রহমান কমিটমেন্ট দিয়েছেন, ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট হবেই: বিমানমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে আমরা বেড়িয়ে আসছি। আমরা এখন কথা বলতে পারছি, নিজের ইচ্ছাগুলো প্রকাশ করতে পারছি। সবকিছুর মূলেই ছিলেন আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজকে বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান আপনাদের কাছে কমিটমেন্ট দিয়ে গেছেন এয়ারপোর্ট করবেন, সেখানে আর কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ২১:৩৪

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে আমরা বেড়িয়ে আসছি। আমরা এখন কথা বলতে পারছি, নিজের ইচ্ছাগুলো প্রকাশ করতে পারছি। সবকিছুর মূলেই ছিলেন আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান।

তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজকে বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান আপনাদের কাছে কমিটমেন্ট দিয়ে গেছেন এয়ারপোর্ট করবেন, সেখানে আর কোনো প্রশ্ন থাকে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি আজকে আমরা যারা স্টেজে বসে আছি, তার কৃতিত্ব আপনাদের। কারণ আপনাদের ভালোবাসা, আপনাদের আন্তরিকতা এবং আপনাদের মূল্যবান একটা ভোট আজকে আমাদের এখানে দাঁড় করিয়েছে। সবকিছুর মূলেই আপনারা। তাই আমাদের প্রথম কাজগুলো হবে, যে কমিটমেন্টগুলো আমরা আপনাদের দিয়েছি এগুলো পূরণ করা।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির আয়োজনে সদর উপজেলার শীবগঞ্জ এলাকার-সংলগ্ন পরিত্যক্ত বিমানবন্দরে এক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন তিন মাস আমাদের সরকারের বয়স চলছে। এরমধ্যে আবার দেখেছেন, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষি কার্ড দিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন।

পর্যায়ক্রমে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তিনি দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের একটাই লক্ষ্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করবো। আমরা তার মুখের ভাষা বুঝতে পারি, ওনি দেশকে যে ভালোবাসে সেটা বুঝতে পারি। তার দেশ প্রেমটা যদি আমরা হৃদয়ে ধারণ করতে পারি তাহলে এই বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ হতে সময় লাগবে না।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো। আমরা যেন এমন কোনো কাজকর্ম না করি যাতে দলে সুনাম নষ্ট হয়। আমাদের অনেক কষ্টের দল। যারা এখানে আছেন এমন কোনো ব্যক্তি নাই যে, জেলে যাই নাই, আসামি হয় নাই।

ঘরে ঘুমাতে পারেন নাই। মা-বোনেরা সারাক্ষণ চিন্তা করেছেন আমার স্বামী কোথায় আছে? আমার ছেলে কোথায় আছে? কত মানুষ আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই কষ্টের বাংলাদেশ, এই বিএনপির বাংলাদেশ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ এবং তারেক রহমানের স্বপ্নে গড়া বাংলাদেশ যেন আমরা হৃদয়ে ধারণ করি।

আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে এ দেশটাকে গড়ে তোলার জন্য কাজ করব, উন্নয়নের দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।

মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা এখানে (ঠাকুরগাঁও) কেন এসেছি। প্রথমেই গিয়েছিলাম বগুড়া তারপর এখানে এসেছি। এখানে এসেছি আপনাদের যে চাওয়া-পাওয়া, যে স্বপ্নগুলো দেখছেন সেগুলো পূরণ করার জন্য।

ইনশাল্লাহ, আমাদের সবার নিয়ত ভালো। আমরা দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান জনগণের জন্য কাজ করা।

ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর প্রসঙ্গে আফরোজা খানম রিতা বলেন, যে স্বপ্ন আপনারা দেখছেন এখানে এয়ারপোর্ট হবে, ইনশাল্লাহ সেই এয়ারপোর্ট আমরা করব। তবে আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। বলার সঙ্গে সঙ্গে হবে না একটু সময় দিতে হবে।

এমনভাবে আমরা কাজ করব যে কিছুদিন পর এটা নষ্ট না হয়। আমরা চাই স্থায়ী বন্দোবস্ত করার জন্য। আপনাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে ভালো হয়। আজকে ডিসি মহোদয় একটা কথা বলেছেন, এক প্রবাসী ভাই বলেছেন, যদি এয়ারপোর্টটা হয়ে যায় তাহলে তিনি ছয় মাস পর পর দেশে আসবেন।

এখন তিনি দেশে আসেন না কারণ এখানে এয়ারপোর্ট নাই বলে। এটাও আমাদের জন্য একটা আনন্দের বিষয়।

তিনি বলেন, আমি ওয়াদা করে গেলাম। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই ওয়াদা যেন রক্ষা করতে পারি, আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমি সময়টা দিলাম না তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হয় সেটা করার আমরা চেষ্টা করব। এই বিশ্বাসটুকু রাখেন।

সবকিছুর একটা কার্যপরিধি আছে, সেই পরিধিটার লম্বা সময়টাকে যত দ্রুত সময়ের মধ্যে এনে এয়ারপোর্ট চালু করার জন্য যা দরকার আমরা রাত-দিন পরিশ্রম করে সেই কাজটা করব এবং আমরা তারেক রহমানের নির্দেশে সে কাজটা করব।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।