বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উত্তরবঙ্গে সাড়া ফেলেছে: নলডাঙ্গার খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট-খাঁটি চাল

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ চাউল উৎপাদানে শতভাগ ফ্রেশনেস নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে সাড়া ফেলেছে,উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী নাটোর কৃষির অপার সম্ভাবনা হালতিবিলসহ আশেপাশের ধান চাষীদের জন্য গড়ে উঠা খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট। ‎নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী এলাকার প্রধান সড়কের পাশেই এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টটি অবস্থিত। ঢাকার বিখ্যাত রিয়াল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠান টার্ন […]

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১৭:৩২

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ

চাউল উৎপাদানে শতভাগ ফ্রেশনেস নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে সাড়া ফেলেছে,উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী নাটোর কৃষির অপার সম্ভাবনা হালতিবিলসহ আশেপাশের ধান চাষীদের জন্য গড়ে উঠা খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট।

‎নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী এলাকার প্রধান সড়কের পাশেই এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টটি অবস্থিত।

ঢাকার বিখ্যাত রিয়াল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠান টার্ন গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট।

এটি ২০১৮ সালে প্রথম সর্টিং মিল হিসাবে চালু করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে ৪০০ মন ক্যাপাসিটি এটি অটো রাইস মিলে রূপান্তর করা হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালে সমস্ত আপডেট শেষ করে বর্তমানে ১৬শ ক্যাপাসিটি নিয়ে এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট পরিচালিত হচ্ছে।

‎এখানে নলডাঙ্গা উপজেলার হালতিবিল এলাকা ও উপজেলার কৃষকদের বিরাট জনগোষ্ঠী সরাসরি এই প্লান্টের মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত ধান থেকে সরাসরি রাইস প্রসেসিং করার সুবিধা ভোগ করছেন।

‎এছাড়াও খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের নামে চাউল প্যাকেটজাত করছে যা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে চাউল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করছে।

শুধু খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এর নিজস্ব ব্যান্ডের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নয়, দূর দূরান্ত থেকেও চাউল ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন নামে ধান থেকে সরাসরি রাইস প্রসেসিং ও প্যাকেটজাত করে নিচ্ছেন। কোন ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার ছাড়াই এখানে কৃষকদের উৎপাদিত ধান থেকে ফ্রেশ রাইস প্রসেসিং করা হয়।

‎নলডাঙ্গা উপজেলায় একমাত্র খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপিত হয়েছে,যেখানে প্রায় দেড়শ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার কৃষক ও ব্যবসায়ী এই মিলের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। এছাড়াও এই খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টে চাউল প্রসেসিং এর মাধ্যমে অন্যান্য কাজ যেমন হাঁস-মুরগির ফিড, মাছের ফিড প্রস্তুত করা হচ্ছে। যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

৪০ হাজার হেক্টর এরিয়া নিয়ে বিল হালতির অবস্থান যার প্রধান ফসল ধান। যা কৃষকের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এবার হালতি বিলের ধান থেকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিকভাবে বাড়তি পলিশ ছাড়াই বানিজ্যিক ভাবে চাল উৎপাদন করছে নলডাঙ্গার বিপ্রবেলঘরিয়ায় অবস্থিত খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট। 

এছাড়া এখানে মনোরম পরিবেশ ও নিজস্ব হাঁসের খামার,আম,আঙ্গুর,লেবুসহ বিভিন্ন ফল,ফুলের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে এবং দূর থেকে আগত ক্রেতাদের নিরাপত্তা,থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট এর সি ই ও মোঃ মানিকুজ্জামান খান বলেন,নাটোর জেলার নলডাঙ্গায় আমরাই প্রথম এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট গড়ে তুলেছি যার মাধ্যমে প্রসেসিংকৃত চাউল নাটোর,রাজশাহী,বগুড়া নওগাঁসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছি।

ভবিষ্যতে এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত চাউল আন্তর্জাতিক বাজারেও সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের এই প্ল্যান্টে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কেমিক্যাল মুক্ত চাউল অত্যন্ত সুস্বাদু ও ফাইবারযুক্ত যা ভোক্তা পর্যায়ে সুনাম অর্জন করছে।

মোট কথা আমরা সততা ও দ্বায়িত্বশীল শতভাগ পরিচ্ছন্নতা ও ফ্রেশনেস পদ্ধতিতে এই খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট ক্লাইন্টদের বিশ্বস্ততা অর্জনে বদ্ধ পরিকর।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।