সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উত্তরবঙ্গে সাড়া ফেলেছে: নলডাঙ্গার খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট-খাঁটি চাল

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ চাউল উৎপাদানে শতভাগ ফ্রেশনেস নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে সাড়া ফেলেছে,উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী নাটোর কৃষির অপার সম্ভাবনা হালতিবিলসহ আশেপাশের ধান চাষীদের জন্য গড়ে উঠা খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট। ‎নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী এলাকার প্রধান সড়কের পাশেই এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টটি অবস্থিত। ঢাকার বিখ্যাত রিয়াল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠান টার্ন […]

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১৭:৩২

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ

চাউল উৎপাদানে শতভাগ ফ্রেশনেস নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে সাড়া ফেলেছে,উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী নাটোর কৃষির অপার সম্ভাবনা হালতিবিলসহ আশেপাশের ধান চাষীদের জন্য গড়ে উঠা খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট।

‎নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী এলাকার প্রধান সড়কের পাশেই এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টটি অবস্থিত।

ঢাকার বিখ্যাত রিয়াল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠান টার্ন গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট।

এটি ২০১৮ সালে প্রথম সর্টিং মিল হিসাবে চালু করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে ৪০০ মন ক্যাপাসিটি এটি অটো রাইস মিলে রূপান্তর করা হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালে সমস্ত আপডেট শেষ করে বর্তমানে ১৬শ ক্যাপাসিটি নিয়ে এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট পরিচালিত হচ্ছে।

‎এখানে নলডাঙ্গা উপজেলার হালতিবিল এলাকা ও উপজেলার কৃষকদের বিরাট জনগোষ্ঠী সরাসরি এই প্লান্টের মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত ধান থেকে সরাসরি রাইস প্রসেসিং করার সুবিধা ভোগ করছেন।

‎এছাড়াও খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের নামে চাউল প্যাকেটজাত করছে যা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে চাউল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করছে।

শুধু খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এর নিজস্ব ব্যান্ডের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নয়, দূর দূরান্ত থেকেও চাউল ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন নামে ধান থেকে সরাসরি রাইস প্রসেসিং ও প্যাকেটজাত করে নিচ্ছেন। কোন ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার ছাড়াই এখানে কৃষকদের উৎপাদিত ধান থেকে ফ্রেশ রাইস প্রসেসিং করা হয়।

‎নলডাঙ্গা উপজেলায় একমাত্র খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপিত হয়েছে,যেখানে প্রায় দেড়শ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার কৃষক ও ব্যবসায়ী এই মিলের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। এছাড়াও এই খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টে চাউল প্রসেসিং এর মাধ্যমে অন্যান্য কাজ যেমন হাঁস-মুরগির ফিড, মাছের ফিড প্রস্তুত করা হচ্ছে। যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

৪০ হাজার হেক্টর এরিয়া নিয়ে বিল হালতির অবস্থান যার প্রধান ফসল ধান। যা কৃষকের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এবার হালতি বিলের ধান থেকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিকভাবে বাড়তি পলিশ ছাড়াই বানিজ্যিক ভাবে চাল উৎপাদন করছে নলডাঙ্গার বিপ্রবেলঘরিয়ায় অবস্থিত খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট। 

এছাড়া এখানে মনোরম পরিবেশ ও নিজস্ব হাঁসের খামার,আম,আঙ্গুর,লেবুসহ বিভিন্ন ফল,ফুলের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে এবং দূর থেকে আগত ক্রেতাদের নিরাপত্তা,থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

খান রাইস প্রোসেসিং প্ল্যান্ট এর সি ই ও মোঃ মানিকুজ্জামান খান বলেন,নাটোর জেলার নলডাঙ্গায় আমরাই প্রথম এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট গড়ে তুলেছি যার মাধ্যমে প্রসেসিংকৃত চাউল নাটোর,রাজশাহী,বগুড়া নওগাঁসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছি।

ভবিষ্যতে এই রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত চাউল আন্তর্জাতিক বাজারেও সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের এই প্ল্যান্টে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কেমিক্যাল মুক্ত চাউল অত্যন্ত সুস্বাদু ও ফাইবারযুক্ত যা ভোক্তা পর্যায়ে সুনাম অর্জন করছে।

মোট কথা আমরা সততা ও দ্বায়িত্বশীল শতভাগ পরিচ্ছন্নতা ও ফ্রেশনেস পদ্ধতিতে এই খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্ট ক্লাইন্টদের বিশ্বস্ততা অর্জনে বদ্ধ পরিকর।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।