রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৭ হাজার পশু, উদ্বৃত্ত থাকবে প্রায় ৭ হাজার

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ জেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলার ছয়টি উপজেলায় মোট ৬৭ হাজার ৭১১টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে জেলার চাহিদা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৭৯৫টি। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬ হাজার ৯১৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ মে ২০২৬, ২৩:৫০

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ জেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলার ছয়টি উপজেলায় মোট ৬৭ হাজার ৭১১টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে জেলার চাহিদা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৭৯৫টি। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬ হাজার ৯১৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তুত পশুর মধ্যে গরু রয়েছে ৪৪ হাজার ৩৯টি, মহিষ ২২৩টি, ছাগল ১৯ হাজার ৮৭৯টি এবং ভেড়া ৩ হাজার ৫৭০টি। এছাড়া ষাঁড় রয়েছে ৩৭ হাজার ২২৯টি, বলদ ৬৬৭টি এবং গাভী ৬ হাজার ১৪৩টি।

ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার ৪১টি কোরবানির পশুর হাট বসতে পারে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে টংগিবাড়ী উপজেলায়। সেখানে মোট ২১ হাজার ৯৮২টি পশু রয়েছে। এর মধ্যে গরু ৮ হাজার ৪১০টি, ছাগল ১২ হাজার ৮৪৩টি এবং ভেড়া ৭২৪টি। উপজেলাটির চাহিদা ২১ হাজার ৩৭২টি হওয়ায় উদ্বৃত্ত থাকবে ৬১০টি পশু।

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রস্তুত রয়েছে ৯ হাজার ৬৫৮টি পশু। চাহিদা ৭ হাজার ৪৮৬টি হওয়ায় সেখানে উদ্বৃত্ত থাকবে ২ হাজার ১৭২টি পশু। লৌহজং উপজেলায় ৮ হাজার ২২০টি পশুর বিপরীতে চাহিদা ৬ হাজার ২৮৯টি। ফলে সেখানে উদ্বৃত্ত থাকবে ১ হাজার ৯৩১টি পশু।

গজারিয়া উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১২ হাজার ৭টি পশু। চাহিদা ১০ হাজার ১৯৩টি হওয়ায় সেখানে উদ্বৃত্ত থাকবে ১ হাজার ৮১৪টি পশু। অন্যদিকে সিরাজদিখান উপজেলায় ৬ হাজার ৭৬টি পশুর বিপরীতে চাহিদা রয়েছে ৫ হাজার ৮৫৫টি। উপজেলাটিতে উদ্বৃত্ত থাকবে ২২১টি পশু।

শ্রীনগর উপজেলায় প্রস্তুত রয়েছে ৯ হাজার ৭৬৮টি পশু। চাহিদা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৬০০টি। সেখানে অতিরিক্ত থাকবে ১৬৮টি পশু।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কোরবানির পশু নিশ্চিত করতে জেলার খামারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার না করার বিষয়েও খামারিদের সতর্ক করা হয়েছে।

খামারিরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি থাকায় ক্রেতারা পছন্দমতো পশু কেনার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে তারা আশা করছেন, বছরের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য মিলবে। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি থাকলে নিরাপদ পশু বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে বলেও মনে করেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এ জলিল বলেন, “এবার প্রস্তুতি ভালো। মাঠপর্যায়ে আমাদের লোকজন কাজ করছে। গরুর মনিটরিংও ভালো চলছে। বাজারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় আমাদের ক্যাম্পেইনও চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি হতে পারে বলে আমরা ধারণা পাচ্ছি। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, তেলের বাজারের অস্থিরতা ও সার্বিক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির সংখ্যা কিছুটা কমতে পারে।”

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।