রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে তিনি এ দাবি জানান।
এদিন আদালতে মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা রয়েছেন।
সকাল পৌনে ৯টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
এর আগে সোমবার আদালত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সমন জারি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারার্থে পাঠানো হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হওয়ার পর স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে তার মা ঘরের ভেতরে সন্দেহজনক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পান।
এর আগে সোমবার আদালত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সমন জারি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারার্থে পাঠানো হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হওয়ার পর স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে তার মা ঘরের ভেতরে সন্দেহজনক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পান।